হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মুক্তি’র প্রশিক্ষণে উখিয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী খামারিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নিজস্ব প্রতিবেদক :

বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩, ০২:০৯ অপরাহ্ন

উখিয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে খামারিরা। ভার্মিক কম্পোস্ট সার বিক্রি করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবারগুলো আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে।
উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৈল খোলা গ্রামের আবুল কাসমের স্ত্রী আলমাস খাতুন (৫০) প্রতিমাসে ১ টনের অধিক ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করছে।প্রথমে ৩টি রিং দিয়ে সার উৎপাদন শুরু করলেও বর্তমানে ২০ টি রিংয়ে সার উৎপাদন করছে। তার মাসিক আয় এখ হাজার টাকা।
একইভাবে রেহানা আক্তার শাহানা আক্তার আয়েশা বেগম ও আমির হোসেন সহ ৪০ জন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী খামারি জীবিকা অর্জন করে সাফল্যের মুখ দেখেছে ।
আলমাস খাতুন ও আমির হোসেন জানান, আমাদের খামারে প্রতি মাসে প্রায় ৩ টন কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদন হয়। এই সার ব্যবহার করে একদিকে যেমন কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন, পাশাপাশি স্বাবলম্বী হচ্ছে আমাদের মত খামারিরা।
তৈল খোলা গ্রামের ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনকারী রেহেনা আকতার ও আয়েশা বেগম বলেন, বেসরকারি সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার এর সহায়তায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সর্বপ্রথম কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করি। তখন আমাদের অনেক অভাব ছিল। জৈব সার বা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন ও বিক্রি করে আমাদের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে।
মুক্তি কক্সবাজারের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি জানান, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের অর্থায়নে আইপিসিওএসও কর্মসূচির আওতায় উখিয়ার অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক মানোন্নয়নে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে ৪০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ২১ জন নারী ও ১৯ জন পুরুষ কে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে তাদের কে বার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে শেড তৈরি, ৫০০ টি কেঁচো সরবরাহ, একটি কন্টেইনার সহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করা হয়।
উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ জানান, ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারে ফলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ৫০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব ।
মুক্তি কক্সবাজার এর প্রজেক্ট অফিসার আব্দুল মজিদ জানান , ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন এবং বিক্রির বিষয়ে খামারিদের কে মার্কেটিং লিংকেজ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তাদের উৎপাদিত সার স্থানীয় চাষীদের পাশাপাশি সরকারি কৃষি বিভাগ ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ক্রয় করতেছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী নিয়ে সেন্টমার্টিনের ‘বার আউলিয়া’

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

মুক্তি’র প্রশিক্ষণে উখিয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী খামারিরা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মুক্তি’র প্রশিক্ষণে উখিয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী খামারিরা

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক : | প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ মার্চ ২০২৩, ০২:০৯ অপরাহ্ন
Print Image
উখিয়ায় ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে খামারিরা। ভার্মিক কম্পোস্ট সার বিক্রি করে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবারগুলো আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে। উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৈল খোলা গ্রামের আবুল কাসমের স্ত্রী আলমাস খাতুন (৫০) প্রতিমাসে ১ টনের অধিক ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন করছে।প্রথমে ৩টি রিং দিয়ে সার উৎপাদন শুরু করলেও বর্তমানে ২০ টি রিংয়ে সার উৎপাদন করছে। তার মাসিক আয় এখ হাজার টাকা। একইভাবে রেহানা আক্তার শাহানা আক্তার আয়েশা বেগম ও আমির হোসেন সহ ৪০ জন ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনকারী খামারি জীবিকা অর্জন করে সাফল্যের মুখ দেখেছে । আলমাস খাতুন ও আমির হোসেন জানান, আমাদের খামারে প্রতি মাসে প্রায় ৩ টন কেঁচো কম্পোস্ট সার উৎপাদন হয়। এই সার ব্যবহার করে একদিকে যেমন কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন, পাশাপাশি স্বাবলম্বী হচ্ছে আমাদের মত খামারিরা। তৈল খোলা গ্রামের ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনকারী রেহেনা আকতার ও আয়েশা বেগম বলেন, বেসরকারি সংস্থা মুক্তি কক্সবাজার এর সহায়তায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সর্বপ্রথম কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করি। তখন আমাদের অনেক অভাব ছিল। জৈব সার বা ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদন ও বিক্রি করে আমাদের স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। মুক্তি কক্সবাজারের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর ওসমান গনি জানান, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের অর্থায়নে আইপিসিওএসও কর্মসূচির আওতায় উখিয়ার অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক মানোন্নয়নে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে ৪০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ২১ জন নারী ও ১৯ জন পুরুষ কে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে তাদের কে বার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদনে শেড তৈরি, ৫০০ টি কেঁচো সরবরাহ, একটি কন্টেইনার সহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করা হয়। উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোস্তাক আহমদ জানান, ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারে ফলে রাসায়নিক সারের ব্যবহার ৫০ ভাগ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব । মুক্তি কক্সবাজার এর প্রজেক্ট অফিসার আব্দুল মজিদ জানান , ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন এবং বিক্রির বিষয়ে খামারিদের কে মার্কেটিং লিংকেজ করে দেয়া হয়েছে। বর্তমানে তাদের উৎপাদিত সার স্থানীয় চাষীদের পাশাপাশি সরকারি কৃষি বিভাগ ও বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ক্রয় করতেছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×