হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

মেরিন ড্রাইভে বিলাসবহুল গাড়িতে ৭ লাখ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৪:৪১ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ রোডে বিলাসবহুল একটি পাজেরোতে ৭ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে। রবিবার রাত ২টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়।

সোমবার (২০ মে) বেলা ১২টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এইসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ, এম সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি বলেন, মেরিন ড্রাইভ রোড হয়ে চিহ্নিত মাদক কারবারি আব্দুল আমিন তার মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যসহ মাদকের বিশাল চালান নিয়ে একটি বিলাস বহুল প্রাইভেটকারযোগে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার শহরের দিকে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে রাত ২টার দিকে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পাটুয়ারটেক চেংছড়ি মেরিন ড্রাইভ রোডে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে মাদক উদ্ধারের একটি বিশেষ তল্লাশী অভিযান শুরু করে। তল্লাশি চলাকালীন সময়ে টেকনাফ থেকে আগত কক্সবাজারগামী কালো রংয়ের একটি বিলাস বহুল প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দিলে তা অমান্য করে দ্রুত গতিতে চলে যাওয়ার চেষ্টাকালে র‌্যাবের আভিযানিক দল কারটি থামাতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে পাজেরো গাড়ির পিছনে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থা থেকে সর্বমোট ৭ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ইয়াবা সম্রাট আব্দুল আমিনসহ মাদক সিন্ডিকেটের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- টেকনাফ ডেইল পাড়ার হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে আবদুল আমিন (৪০), টেকনাফ গোদার বিল এলাকার আবু সৈয়দের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৩৫), একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ হাশেমের ছেলে নুরুল আবছার (২৮) ও ডেইল পাড়ার মৃত দীল মোহাম্মদের ছেলে জাফর আলম (২৬)।

আরও পড়ুন

বৃহস্পতিবার একটি জাহাজ সেন্টমার্টিন যাচ্ছে, এক জাহাজে যাবেন সব টিকেট সংগ্রহকারীরা

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আব্দুল আমিন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ইয়াবা সম্রাট ও মাদক সিন্ডিকেটটির অন্যতম সদস্য। সে প্রথমে মুদির ব্যবসা এবং বিভিন্ন গরুর হাটের ইজারাদারি করতো। পরবর্তীতে সে পলিথিন ও কার্পেট ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়।

এসব ব্যবসার আড়ালে ইয়াবার ব্যবসায়ের সাথে জড়িয়ে পড়ে। বার্মাইয়া সিরাজের ইয়াবার বিশাল সব চালান সমুদ্রপথে মাছ ধরার ট্রলারযোগে আব্দুল আমিনের নিকট পৌঁছাতো। এ সকল ইয়াবার চালান দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে এসে কয়েক দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে মজুদ করতো।

পরবর্তীতে মজুদকৃত মাদকের চালান স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার নির্ধারিত এজেন্টদের নিকট সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করে থাকে। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদকসহ ১১টির অধিক মামলা রয়েছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

মেরিন ড্রাইভে বিলাসবহুল গাড়িতে ৭ লাখ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

মেরিন ড্রাইভে বিলাসবহুল গাড়িতে ৭ লাখ ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ রোডে বিলাসবহুল একটি পাজেরোতে ৭ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে। রবিবার রাত ২টার দিকে এই অভিযান চালানো হয়। সোমবার (২০ মে) বেলা ১২টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এইসব তথ্য নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ, এম সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, মেরিন ড্রাইভ রোড হয়ে চিহ্নিত মাদক কারবারি আব্দুল আমিন তার মাদক সিন্ডিকেটের সদস্যসহ মাদকের বিশাল চালান নিয়ে একটি বিলাস বহুল প্রাইভেটকারযোগে টেকনাফ থেকে কক্সবাজার শহরের দিকে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে রাত ২টার দিকে র‌্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পাটুয়ারটেক চেংছড়ি মেরিন ড্রাইভ রোডে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে মাদক উদ্ধারের একটি বিশেষ তল্লাশী অভিযান শুরু করে। তল্লাশি চলাকালীন সময়ে টেকনাফ থেকে আগত কক্সবাজারগামী কালো রংয়ের একটি বিলাস বহুল প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দিলে তা অমান্য করে দ্রুত গতিতে চলে যাওয়ার চেষ্টাকালে র‌্যাবের আভিযানিক দল কারটি থামাতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে পাজেরো গাড়ির পিছনে বিশেষ কায়দায় রক্ষিত অবস্থা থেকে সর্বমোট ৭ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এসময় মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত ইয়াবা সম্রাট আব্দুল আমিনসহ মাদক সিন্ডিকেটের চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- টেকনাফ ডেইল পাড়ার হাজী মোহাম্মদ আলীর ছেলে আবদুল আমিন (৪০), টেকনাফ গোদার বিল এলাকার আবু সৈয়দের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (৩৫), একই এলাকার মৃত মোহাম্মদ হাশেমের ছেলে নুরুল আবছার (২৮) ও ডেইল পাড়ার মৃত দীল মোহাম্মদের ছেলে জাফর আলম (২৬)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, আব্দুল আমিন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ইয়াবা সম্রাট ও মাদক সিন্ডিকেটটির অন্যতম সদস্য। সে প্রথমে মুদির ব্যবসা এবং বিভিন্ন গরুর হাটের ইজারাদারি করতো। পরবর্তীতে সে পলিথিন ও কার্পেট ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত হয়। এসব ব্যবসার আড়ালে ইয়াবার ব্যবসায়ের সাথে জড়িয়ে পড়ে। বার্মাইয়া সিরাজের ইয়াবার বিশাল সব চালান সমুদ্রপথে মাছ ধরার ট্রলারযোগে আব্দুল আমিনের নিকট পৌঁছাতো। এ সকল ইয়াবার চালান দেশের অভ্যন্তরে নিয়ে এসে কয়েক দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে মজুদ করতো। পরবর্তীতে মজুদকৃত মাদকের চালান স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী, রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তার নির্ধারিত এজেন্টদের নিকট সুবিধাজনক সময়ে বিক্রি করে থাকে। তার বিরুদ্ধে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদকসহ ১১টির অধিক মামলা রয়েছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×