হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১৯ নভেম্বর – ঢাকার পল্লবী থানার যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় ফোর স্টার গ্রুপের সদস্য শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পাতা সোহেল’ ও ‘বুকপোড়া সুজন’কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সাভার ও টঙ্গী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪ এর টিম।

র‍্যাব জানায়, পল্লবীর রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়। সুপরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডের জন্য হয়েছে আর্থিক লেনদেনও।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকালে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম।

তিনি বলেন, গত ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় পল্লবীর সি ব্লক বিক্রমপুর সেনিটারি ও হার্ডওয়্যার দোকানে ছয়জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে পিস্তল দিয়ে বুকে ও পিঠে অতর্কিত গুলি করে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করে। স্থান থেকে পালানোর সময় স্থানীয় জনতার ওপর অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি করে এবং এতে একজন রিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হয়। পরে ছাত্র জনতা তাদের ধাওয়া করে জনি ভূইয়া নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।

ঘটনার পরপরই র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ নভেম্বর রাতে সাভার থানাধীন বিরোলিয়া এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী মো. মনির হোসেন সোহেল এবং টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মাজার বস্তি এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন ও ১৮ মামলার পলাতক আসামি সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে লে. কর্নেল মাহবুব আলম বলেন, সোহেল ওরফে পাতা সোহেল অর্থ সরবরাহ করেছিলেন। তবে তিনি কীভাবে অর্থ পেয়েছেন কিংবা কার কাছ থেকে পেয়েছেন সেটা এখনও পরিস্কার না।

হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে প্রশ্নে র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, মিরপুর এলাকাকেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তার চাঁদাবাজি-মাদক ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং দ্বিতীয়টি হলো রাজনৈতিক কোন্দল। নিহত গোলাম কিবরিয়া একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য সচিব এবং মিরপুর এলাকায় রাজনৈতিকভাবে তিনি খুব সক্রিয় ছিলেন। এর আগে গোলাম কিবরিয়ার যাদের সঙ্গে সখ্য ছিল রাজনৈতিক মেরুকরণের পরে সেই তাদের বিরুদ্ধে তিনি কাজ করছিলেন। বিশেষ করে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারিতে নিহত গোলাম কিবরিয়ার সাপোর্ট ছিল না। হয়তো এ কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামুনের সম্পৃক্ততা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামুনের সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা অনুসন্ধান চলছে। হত্যাকাণ্ডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কানেকশন থাকতে পারে, তবে সবাইকে গ্রেপ্তার করলে রহস্য উন্মোচিত হবে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ১৯ নভেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৯ নভেম্বর – ঢাকার পল্লবী থানার যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়া হত্যার ঘটনায় ফোর স্টার গ্রুপের সদস্য শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘পাতা সোহেল’ ও ‘বুকপোড়া সুজন’কে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) রাতে সাভার ও টঙ্গী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৪ এর টিম।র‍্যাব জানায়, পল্লবীর রাজনৈতিক কোন্দল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘঠিত হয়। সুপরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডের জন্য হয়েছে আর্থিক লেনদেনও।বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকালে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব আলম।তিনি বলেন, গত ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় পল্লবীর সি ব্লক বিক্রমপুর সেনিটারি ও হার্ডওয়্যার দোকানে ছয়জন অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে পিস্তল দিয়ে বুকে ও পিঠে অতর্কিত গুলি করে পল্লবী থানা যুবদলের সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়াকে হত্যা করে। স্থান থেকে পালানোর সময় স্থানীয় জনতার ওপর অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গুলি করে এবং এতে একজন রিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর জখম হয়। পরে ছাত্র জনতা তাদের ধাওয়া করে জনি ভূইয়া নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করে পল্লবী থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।ঘটনার পরপরই র‌্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮ নভেম্বর রাতে সাভার থানাধীন বিরোলিয়া এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী মো. মনির হোসেন সোহেল এবং টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন মাজার বস্তি এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজন ও ১৮ মামলার পলাতক আসামি সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।এক প্রশ্নের জবাবে লে. কর্নেল মাহবুব আলম বলেন, সোহেল ওরফে পাতা সোহেল অর্থ সরবরাহ করেছিলেন। তবে তিনি কীভাবে অর্থ পেয়েছেন কিংবা কার কাছ থেকে পেয়েছেন সেটা এখনও পরিস্কার না।হত্যাকাণ্ডের মোটিভ সম্পর্কে প্রশ্নে র‍্যাব-৪ এর অধিনায়ক বলেন, মিরপুর এলাকাকেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তার চাঁদাবাজি-মাদক ও অন্যান্য সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং দ্বিতীয়টি হলো রাজনৈতিক কোন্দল। নিহত গোলাম কিবরিয়া একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য সচিব এবং মিরপুর এলাকায় রাজনৈতিকভাবে তিনি খুব সক্রিয় ছিলেন। এর আগে গোলাম কিবরিয়ার যাদের সঙ্গে সখ্য ছিল রাজনৈতিক মেরুকরণের পরে সেই তাদের বিরুদ্ধে তিনি কাজ করছিলেন। বিশেষ করে এলাকায় চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারিতে নিহত গোলাম কিবরিয়ার সাপোর্ট ছিল না। হয়তো এ কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামুনের সম্পৃক্ততা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামুনের সরাসরি সম্পৃক্ততা আছে কিনা তা অনুসন্ধান চলছে। হত্যাকাণ্ডে আন্ডারওয়ার্ল্ডের কানেকশন থাকতে পারে, তবে সবাইকে গ্রেপ্তার করলে রহস্য উন্মোচিত হবে।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ১৯ নভেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×