হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য অবকাঠামো ও জরুরি সেবা উন্নয়ন প্রকল্পে অনুদান ও ঋণ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন

মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং তাদের আশ্রয়দাতা কক্সবাজার ও ভাসান চরের স্থানীয় জনগণের জন্য মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জরুরি সেবায় ৮৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা প্রদান করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এর মধ্যে ৫৮.৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান এবং ২৮.১ মিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে ঋণ।

এ উপলক্ষে সোমবার ঢাকায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর শেষে হোয়ে ইউন জিয়ং বলেন, “মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণ ও স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্থিতিশীলতা ও জীবিকায়ন জোরদারে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এডিবি ২০১৮ সাল থেকে বাস্তুচ্যুত ও স্থানীয় জনগণের কল্যাণে মোট ১৭১.৪ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে।”

এডিবির নতুন এ সহায়তা ‘ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস অ্যান্ড লাইভলিহুড ফর ডিসপ্লেসড পিপল ফ্রম মিয়ানমার অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিজ ইমপ্রুভমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত হবে।
প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার ও ভাসান চরে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য, সড়ক ও সেতু, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ এবং দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে। এছাড়া নারীদের জন্য উপযোগী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র, রান্নার কাজে বায়োগ্যাস উৎপাদন, সৌরচালিত স্ট্রিটলাইট স্থাপন এবং ড্রেনেজ খাল পুনঃস্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভাসান চরে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং টেকনাফ ও উখিয়ায় পানি সংকট নিরসনে ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার ও ট্রান্সমিশন পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। কক্সবাজারের নয়টি উপজেলায় ক্ষুদ্র পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হবে। এছাড়া হাতিয়ায় একটি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

আরও পড়ুন

মাদারীপুরে একের পর এক বোমা ও ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা

বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি শরণার্থী শিবিরে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই নারী ও শিশু। ভাসান চরে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরিত হয়েছেন আরও ৩৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।উল্লেখ্য, এডিবি তার সবচেয়ে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ সদস্য দেশগুলোকে এডিএফ অনুদান দিয়ে থাকে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

জাতীয়
Card Image

রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য অবকাঠামো ও জরুরি সেবা উন্নয়ন প্রকল্পে অনুদান ও ঋণ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয়দের জন্য অবকাঠামো ও জরুরি সেবা উন্নয়ন প্রকল্পে অনুদান ও ঋণ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
Print Image
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এবং তাদের আশ্রয়দাতা কক্সবাজার ও ভাসান চরের স্থানীয় জনগণের জন্য মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জরুরি সেবায় ৮৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা প্রদান করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এর মধ্যে ৫৮.৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান এবং ২৮.১ মিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে ঋণ। এ উপলক্ষে সোমবার ঢাকায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) কার্যালয়ে বাংলাদেশ সরকার ও এডিবির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং এডিবির পক্ষে কান্ট্রি ডিরেক্টর হোয়ে ইউন জিয়ং স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর শেষে হোয়ে ইউন জিয়ং বলেন, “মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগণ ও স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্থিতিশীলতা ও জীবিকায়ন জোরদারে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এডিবি ২০১৮ সাল থেকে বাস্তুচ্যুত ও স্থানীয় জনগণের কল্যাণে মোট ১৭১.৪ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিয়েছে।” এডিবির নতুন এ সহায়তা ‘ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস অ্যান্ড লাইভলিহুড ফর ডিসপ্লেসড পিপল ফ্রম মিয়ানমার অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটিজ ইমপ্রুভমেন্ট’ প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের আওতায় কক্সবাজার ও ভাসান চরে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্য, সড়ক ও সেতু, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, খাদ্য নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ এবং দুর্যোগ সহনশীলতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে। এছাড়া নারীদের জন্য উপযোগী খাদ্য বিতরণ কেন্দ্র, রান্নার কাজে বায়োগ্যাস উৎপাদন, সৌরচালিত স্ট্রিটলাইট স্থাপন এবং ড্রেনেজ খাল পুনঃস্থাপনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ভাসান চরে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং টেকনাফ ও উখিয়ায় পানি সংকট নিরসনে ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানি শোধনাগার ও ট্রান্সমিশন পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। কক্সবাজারের নয়টি উপজেলায় ক্ষুদ্র পাইপযুক্ত পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হবে। এছাড়া হাতিয়ায় একটি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। বর্তমানে কক্সবাজারের ৩৩টি শরণার্থী শিবিরে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৭৫ শতাংশই নারী ও শিশু। ভাসান চরে স্বেচ্ছায় স্থানান্তরিত হয়েছেন আরও ৩৬ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।উল্লেখ্য, এডিবি তার সবচেয়ে দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ সদস্য দেশগুলোকে এডিএফ অনুদান দিয়ে থাকে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×