হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন শহিদ সৈকতের বোন সেবন্তি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:০৫ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর – ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন মাহামুদুর রহমান সৈকত। সেদিনই তাকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। সেই সংবাদ মোবাইল ফোনে তার বাবাকে জানান অপরিচিত এক ব্যক্তি। তিনি হাসপাতালে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুত আসেন, না হলে লাশও পাবেন না।

আন্দোলন দমনে ঘটানো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দেওয়া জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে রাষ্ট্রপক্ষের ৪৯তম সাক্ষী সেবন্তী জবানবন্দি পেশ করেন। এরপর সাক্ষীকে জেরা করেন আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী।

জবানবন্দিতে সেবন্তী বলেন, ‘আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন। নিজেও একজন জুলাইযোদ্ধা। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে বাসা থেকে খেয়ে মোহাম্মদপুর এলাকার নুরজাহান রোডের দক্ষিণ মাথায় আন্দোলনে যান সৈকত। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে খুব কাছ থেকে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। ওই সময় আমার বাবা গ্রামের বাড়ি সন্দ্বীপে ছিলেন। তিনি সেখান থেকে সৈকতের মোবাইলে কয়েকবার ফোন করেন। পরে ফোনটি রিসিভ করেন একজন অপরিচিত ব্যক্তি। আমার বাবাকে ওই ব্যক্তি জানান, এ ফোনটি যার তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। আমরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। আপনারা দ্রুত হাসপাতালে আসেন। না হলে লাশও পাবেন না। তখন ফুপাতো ভাই সাইফুর রহমান হায়দারকে হাসপাতালে যেতে বলেন আমার বাবা। খবর পেয়ে আমিও ছুটে যাই।’

সৈকতের বোন বলেন, ‘হাসপাতালে আমি আমার ভাইয়ের লাশসহ পাঁচটি লাশ দেখি। আমার ভাইয়ের মাথায় গুলি লেগেছিল। তার মাথায় মোটা রক্তাক্ত ব্যান্ডেজ ছিল। অপর লাশগুলোর প্রত্যেকের মাথা, পেট ও বুকে গুলির চিহ্ন দেখি। আমি যতক্ষণ হাসপাতালে ছিলাম ততক্ষণ অনবরত গুলিবিদ্ধ আন্দোলনকারীদের নিয়ে আসতে দেখি। হাসপাতালের মেঝেতে অনেক রক্ত দেখি। আমার ভাইয়ের মাথা থেকে নির্গত রক্ত এক ব্যক্তিকে বালতি দিয়ে পানি ঢেলে ধুতে দেখি। ভাইয়ের লাশ দেখে আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি। পরে আমার মা একা বাসায় থাকায় ফুপাতো ভাইকে হাসপাতালে রেখে আমি বাসার উদ্দেশে রওনা হই। ওই দিন রাত নয়টার দিকে হাসপাতাল থেকে ফুপাতো ভাই আমার ভাই সৈকতের লাশ বুঝে নেয়। পরদিন সৈকতের জানাজা শেষে মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডে অবস্থিত জামে মসজিদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।’

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন শহিদ সৈকতের বোন সেবন্তি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিলেন শহিদ সৈকতের বোন সেবন্তি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:০৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর – ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন মাহামুদুর রহমান সৈকত। সেদিনই তাকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। সেই সংবাদ মোবাইল ফোনে তার বাবাকে জানান অপরিচিত এক ব্যক্তি। তিনি হাসপাতালে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দ্রুত আসেন, না হলে লাশও পাবেন না।আন্দোলন দমনে ঘটানো মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দেওয়া জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী।সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে রাষ্ট্রপক্ষের ৪৯তম সাক্ষী সেবন্তী জবানবন্দি পেশ করেন। এরপর সাক্ষীকে জেরা করেন আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী।জবানবন্দিতে সেবন্তী বলেন, ‘আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের বোন। নিজেও একজন জুলাইযোদ্ধা। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে বাসা থেকে খেয়ে মোহাম্মদপুর এলাকার নুরজাহান রোডের দক্ষিণ মাথায় আন্দোলনে যান সৈকত। বিকেল পৌনে ৪টার দিকে খুব কাছ থেকে আমার ভাইকে গুলি করে হত্যা করে পুলিশ। ওই সময় আমার বাবা গ্রামের বাড়ি সন্দ্বীপে ছিলেন। তিনি সেখান থেকে সৈকতের মোবাইলে কয়েকবার ফোন করেন। পরে ফোনটি রিসিভ করেন একজন অপরিচিত ব্যক্তি। আমার বাবাকে ওই ব্যক্তি জানান, এ ফোনটি যার তিনি পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন। আমরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। আপনারা দ্রুত হাসপাতালে আসেন। না হলে লাশও পাবেন না। তখন ফুপাতো ভাই সাইফুর রহমান হায়দারকে হাসপাতালে যেতে বলেন আমার বাবা। খবর পেয়ে আমিও ছুটে যাই।’সৈকতের বোন বলেন, ‘হাসপাতালে আমি আমার ভাইয়ের লাশসহ পাঁচটি লাশ দেখি। আমার ভাইয়ের মাথায় গুলি লেগেছিল। তার মাথায় মোটা রক্তাক্ত ব্যান্ডেজ ছিল। অপর লাশগুলোর প্রত্যেকের মাথা, পেট ও বুকে গুলির চিহ্ন দেখি। আমি যতক্ষণ হাসপাতালে ছিলাম ততক্ষণ অনবরত গুলিবিদ্ধ আন্দোলনকারীদের নিয়ে আসতে দেখি। হাসপাতালের মেঝেতে অনেক রক্ত দেখি। আমার ভাইয়ের মাথা থেকে নির্গত রক্ত এক ব্যক্তিকে বালতি দিয়ে পানি ঢেলে ধুতে দেখি। ভাইয়ের লাশ দেখে আমি কান্নায় ভেঙে পড়ি। পরে আমার মা একা বাসায় থাকায় ফুপাতো ভাইকে হাসপাতালে রেখে আমি বাসার উদ্দেশে রওনা হই। ওই দিন রাত নয়টার দিকে হাসপাতাল থেকে ফুপাতো ভাই আমার ভাই সৈকতের লাশ বুঝে নেয়। পরদিন সৈকতের জানাজা শেষে মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডে অবস্থিত জামে মসজিদ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।’সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×