হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বোবা ছেলেকে কুমিরের মুখে ফেললেন নারী

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন


নয়াদিল্লি, ০৬ মে – স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার পর ছয় বছর বয়সী বাক প্রতিবন্ধী ছেলেকে কুমিরে ভরা একটি খালে ফেলে দেন সাবিত্রি (৩২) নামক এক নারী। পরের দিন ঐ শিশুর অর্ধেক খেয়ে ফেলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছে।

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের হালামাদি গ্রামে এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৩২ বছর বয়সী সাবিত্রী মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। তার স্বামী রবি কুমার (৩৬) পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাদের দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলের নাম বিনোদ কুমার। বোবা ও বধির বিনোদকে নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই সাবিত্রির সঙ্গে ঝামেলা করতেন রবি। এমনকি স্ত্রী-সন্তানকে মারধরও করতেন তিনি।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

সাবিত্রী পুলিশকে জানান, সন্তান বাক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার স্বামী তাকে ও তার সন্তানকে নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা বলতেন। তাছাড়া ছেলেকে খালে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলতে বলতেন তিনি। শনিবারও ছেলেকে নিয়ে ঝগড়া হওয়ার পর সাবিত্রী তার ছেলেকে উত্তর কন্নড় জেলার একটি খালে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেন, যেখানে কুমিরের বসবাস রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফায়ারসার্ভিসের লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও খালে তল্লাশি শুরু করেন। রাতভর তল্লাশি চলতে থাকে ও রোববার সকালে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। তার ডান হাত ছিল না ও সারা শরীরে কামড়ের চিহ্ন ছিল, যার মাধ্যমে বোঝা যায় যে শিশুটি কুমিরের আক্রমণে মারা গেছে।

ঐ নারী বলেন, এ ঘটনার জন্য আমার স্বামী দায়ী। তিনি যদি সবসময় আমার ছেলেকে বলতে থাকেন যে, ও শুধু বসে বসে খায়। এমন ছেলে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়ায় ভালো। প্রতিদিনই যদি তিনি বিষয়টি নিয়ে আমাদের ওপর অত্যাচার করেন, তাহলে আমি কী করবো? আমার ছেলেও বা আর কত অত্যাচার সহ্য করবে? আমি কোথায় যাবো? আমার কষ্টটা একবার বোঝার চেষ্টা করে দেখুন।

সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশ
আইএ/ ০৬ মে ২০২৪




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বোবা ছেলেকে কুমিরের মুখে ফেললেন নারী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বোবা ছেলেকে কুমিরের মুখে ফেললেন নারী

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ মে ২০২৪, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] নয়াদিল্লি, ০৬ মে – স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার পর ছয় বছর বয়সী বাক প্রতিবন্ধী ছেলেকে কুমিরে ভরা একটি খালে ফেলে দেন সাবিত্রি (৩২) নামক এক নারী। পরের দিন ঐ শিশুর অর্ধেক খেয়ে ফেলা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলাও দায়ের করা হয়েছে।ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের হালামাদি গ্রামে এমনই এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৩২ বছর বয়সী সাবিত্রী মানুষের বাড়িতে কাজ করেন। তার স্বামী রবি কুমার (৩৬) পেশায় রাজমিস্ত্রি। তাদের দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলের নাম বিনোদ কুমার। বোবা ও বধির বিনোদকে নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই সাবিত্রির সঙ্গে ঝামেলা করতেন রবি। এমনকি স্ত্রী-সন্তানকে মারধরও করতেন তিনি।সাবিত্রী পুলিশকে জানান, সন্তান বাক প্রতিবন্ধী হওয়ায় তার স্বামী তাকে ও তার সন্তানকে নিয়ে অনেক আজেবাজে কথা বলতেন। তাছাড়া ছেলেকে খালে ফেলে দিয়ে মেরে ফেলতে বলতেন তিনি। শনিবারও ছেলেকে নিয়ে ঝগড়া হওয়ার পর সাবিত্রী তার ছেলেকে উত্তর কন্নড় জেলার একটি খালে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেন, যেখানে কুমিরের বসবাস রয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফায়ারসার্ভিসের লোকজনের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও খালে তল্লাশি শুরু করেন। রাতভর তল্লাশি চলতে থাকে ও রোববার সকালে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। তার ডান হাত ছিল না ও সারা শরীরে কামড়ের চিহ্ন ছিল, যার মাধ্যমে বোঝা যায় যে শিশুটি কুমিরের আক্রমণে মারা গেছে।ঐ নারী বলেন, এ ঘটনার জন্য আমার স্বামী দায়ী। তিনি যদি সবসময় আমার ছেলেকে বলতে থাকেন যে, ও শুধু বসে বসে খায়। এমন ছেলে বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যাওয়ায় ভালো। প্রতিদিনই যদি তিনি বিষয়টি নিয়ে আমাদের ওপর অত্যাচার করেন, তাহলে আমি কী করবো? আমার ছেলেও বা আর কত অত্যাচার সহ্য করবে? আমি কোথায় যাবো? আমার কষ্টটা একবার বোঝার চেষ্টা করে দেখুন।সূত্র: ডেইলি-বাংলাদেশআইএ/ ০৬ মে ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×