হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সালের জামিনের সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর – ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদের পূর্বে একবার জামিন হয়েছে- সম্প্রতি এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদের জামিনের সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া জামিন বিতর্ক শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে আইন উপদেষ্টা লেখেন, আমাদের প্রিয় ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশে গুলি করেছে ফয়সাল করিম মাসুদ নামের এক ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী। তাকে র‍্যাব গ্রেফতার করেছিল গত বছর। এরপর তার জামিন হয়েছে হাইকোর্ট থেকে। এরপর থেকে জামিন দেওয়ার ন্যয্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আবারো আলোচনা-বিতর্ক উঠছে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

ড. আসিফ নজরুল সেখানে আরও লেখেন, প্রথমেই বলে রাখি, হাইকোর্ট বিচারিক কাজে স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। হাইকোর্টের ওপর আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো নিয়ন্ত্রণ পৃথিবীর কোনো দেশে থাকে না, বাংলাদেশেও নেই। কাজেই সেখানে ফয়সাল করিম মাসুদের জামিন হওয়ার সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

তিনি স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, ফয়সাল করিম মাসুদ গত বছর জামিন পেয়েছিল অস্ত্র মামলায়। হাইকোর্টে অস্ত্র মামলার জামিন সহজে হওয়ার কথা নয়। এটি তখনই হতে পারে যখন প্রভাবশালী আইনজীবীরা এসব মামলায় জামিন দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। এই আইনজীবীরা অধিকাংশই বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা। অভিযোগ রয়েছে যে, তাদের প্রভাবে এসব জামিন হওয়া সহজতর হয়।

হাইকোর্টের প্রদত্ত জামিনে বিচারিক বিবেচনা কতটা থাকে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকে। এমন মন্তব্য করে তিনি লেখেন, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে কীভাবে ৪ ঘণ্টায় ৮০০ মামলায় জামিন হয়েছিল, তা নিয়ে আমি কয়েক মাস আগে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলাম (২৩ অক্টোবর, ২০২৫) [কমেন্টে লিংক দেখুন]। এজন্য একশ্রেণির আইনজীবীদের পক্ষ থেকে আমার পদত্যাগ পর্যন্ত দাবি করা হয়েছিল (২৫ অক্টোবর ২০২৫) [কমেন্টে লিংক দেখুন]।

সূত্র: জাগো নিউজ
এনএন/ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সালের জামিনের সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সালের জামিনের সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৮ ডিসেম্বর – ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করা ফয়সাল করিম মাসুদের পূর্বে একবার জামিন হয়েছে- সম্প্রতি এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা হয়। এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি বলেছেন, হাদির ওপর হামলাকারী ফয়সাল করিম মাসুদের জামিনের সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না।বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া জামিন বিতর্ক শিরোনামে এক স্ট্যাটাসে আইন উপদেষ্টা লেখেন, আমাদের প্রিয় ওসমান হাদিকে হত্যার উদ্দেশে গুলি করেছে ফয়সাল করিম মাসুদ নামের এক ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী। তাকে র‍্যাব গ্রেফতার করেছিল গত বছর। এরপর তার জামিন হয়েছে হাইকোর্ট থেকে। এরপর থেকে জামিন দেওয়ার ন্যয্যতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আবারো আলোচনা-বিতর্ক উঠছে।ড. আসিফ নজরুল সেখানে আরও লেখেন, প্রথমেই বলে রাখি, হাইকোর্ট বিচারিক কাজে স্বাধীন একটি প্রতিষ্ঠান। হাইকোর্টের ওপর আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো নিয়ন্ত্রণ পৃথিবীর কোনো দেশে থাকে না, বাংলাদেশেও নেই। কাজেই সেখানে ফয়সাল করিম মাসুদের জামিন হওয়ার সঙ্গে আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো সম্পর্ক ছিল না।তিনি স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন, ফয়সাল করিম মাসুদ গত বছর জামিন পেয়েছিল অস্ত্র মামলায়। হাইকোর্টে অস্ত্র মামলার জামিন সহজে হওয়ার কথা নয়। এটি তখনই হতে পারে যখন প্রভাবশালী আইনজীবীরা এসব মামলায় জামিন দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। এই আইনজীবীরা অধিকাংশই বড় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা। অভিযোগ রয়েছে যে, তাদের প্রভাবে এসব জামিন হওয়া সহজতর হয়।হাইকোর্টের প্রদত্ত জামিনে বিচারিক বিবেচনা কতটা থাকে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ থাকে। এমন মন্তব্য করে তিনি লেখেন, হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে কীভাবে ৪ ঘণ্টায় ৮০০ মামলায় জামিন হয়েছিল, তা নিয়ে আমি কয়েক মাস আগে প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছিলাম (২৩ অক্টোবর, ২০২৫) [কমেন্টে লিংক দেখুন]। এজন্য একশ্রেণির আইনজীবীদের পক্ষ থেকে আমার পদত্যাগ পর্যন্ত দাবি করা হয়েছিল (২৫ অক্টোবর ২০২৫) [কমেন্টে লিংক দেখুন]।সূত্র: জাগো নিউজএনএন/ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×