হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হোয়াইক্যংয়ের অপরাজিত চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আনোয়ারী-সততা, ন্যায় ও মানবসেবার প্রতীক

নিজস্ব প্রতিবেদক :

নিজস্ব প্রতিবেদক :

শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫, ১২:২৬ অপরাহ্ন

কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত জনপদ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মানুষ তাঁকে শুধু চেয়ারম্যান বলেই নয়, বরং অভিভাবক হিসেবেও চেনে। তাঁর নাম অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী—যিনি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবসেবার প্রতীক হয়ে চারবার টানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কক্সবাজার জেলা আমীর এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী।

ভোটের রাজনীতির মঞ্চে তাঁর প্রথম প্রবেশ ২০০৩ সালে। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৎকালীন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী—টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা। রাজনৈতিকভাবে প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও ভোটারদের আস্থা জয় করে ১,১৭৫ ভোটে জয়ী হন আনোয়ারী। সেই থেকে শুরু হয় তাঁর অপরাজিত যাত্রা—যা এখনও অব্যাহত।

শিক্ষার আলোকিত পথে:
অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর শিক্ষাজীবনও অনন্য দৃষ্টান্ত। হ্নীলা শাহ মজিদিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২য় স্থান নিয়ে দাখিল পাস করেন। এরপর রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা থেকে আলিম ও ফাজিল উভয় পরীক্ষায় ২য় স্থান অর্জন করেন। কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে ২য় স্থান নিয়ে বিএ সম্পন্ন করার পর কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে ২য় স্থান নিয়ে কামিল এবং চট্টগ্রাম সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১ম স্থান নিয়ে মাস্টার্স (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন।

সামাজিক দায়িত্ব ও মানবকল্যাণ:
চেয়ারম্যান আনোয়ারীর রাজনৈতিক শক্তি তাঁর সততা ও মানুষের প্রতি আন্তরিকতায়। অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, গরিবদের সহায়তা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠনে তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় কেন্দ্র ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে তিনি রেখেছেন সুদূরপ্রসারী ভূমিকা।
তিনি রঙ্গিখালী ফাজিল মাদ্রাসা, কক্সবাজার ইসলামীয়া বালিকা কামিল মাদ্রাসা ও টেকনাফ কাঞ্জরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। হ্নীলা শাহ মজিদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে বর্তমানে কর্মরত। এছাড়াও তিনি , হ্নীলা আলফালাহ একাডেমি এবং কাঞ্জরপাড়া মডেল একাডেমিসহ অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় যুক্ত।

আরও পড়ুন

টেকনাফে সিএনজির বিশেষ চেম্বার থেকে ১৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক

রাজনীতির মাঠে সাফল্যের ধারাবাহিকতা:
২০০৩ সালের প্রথম নির্বাচনের পর, দ্বিতীয়বার তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিএনপি প্রার্থী মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর পুত্র জুনাইদ আলীর বিরুদ্ধে এবং ২,৩৩৫ ভোটে জয়ী হন।
তৃতীয়বার আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফরিদুল আলমকে ৩,২৭০ ভোটে পরাজিত করেন।
চতুর্থবার আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজিজুল হককে ৪,৫৫৫ ভোটে হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
দুই দশক ধরে ভোটের মাঠে অপরাজিত এই জনপ্রতিনিধি স্থানীয় জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে আছেন।

আগামী দিনের রাজনীতি:
বর্তমানে জেলা জামায়াতের আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আনোয়ারী। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা—আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি কক্সবাজার-৪ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। এমন হলে জেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজনৈতিকভাবে এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

একজন প্রবীণ বাসিন্দা বলেন:
“চেয়ারম্যান আনোয়ারী শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি আমাদের অভিভাবক। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিকতা আমাদের কাছে অমূল্য।”

দুই দশকের রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি প্রমাণ করেছেন—সততা, পরিশ্রম ও মানুষের আস্থা থাকলে রাজনীতির মাঠে অপরাজিত থাকা সম্ভব। হোয়াইক্যংয়ের মানুষ তাই তাঁকে শুধু চেয়ারম্যান নয়, মানবসেবক হিসেবেও মনে রাখবে।

🔗 আরও পড়ুন:

anwar

anwar

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

উখিয়া
Card Image

হোয়াইক্যংয়ের অপরাজিত চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আনোয়ারী-সততা, ন্যায় ও মানবসেবার প্রতীক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হোয়াইক্যংয়ের অপরাজিত চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আনোয়ারী-সততা, ন্যায় ও মানবসেবার প্রতীক

প্রতিবেদক: নিজস্ব প্রতিবেদক : | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ আগস্ট ২০২৫, ১২:২৬ অপরাহ্ন
Print Image
কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের সীমান্ত জনপদ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মানুষ তাঁকে শুধু চেয়ারম্যান বলেই নয়, বরং অভিভাবক হিসেবেও চেনে। তাঁর নাম অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী—যিনি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবসেবার প্রতীক হয়ে চারবার টানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কক্সবাজার জেলা আমীর এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী। ভোটের রাজনীতির মঞ্চে তাঁর প্রথম প্রবেশ ২০০৩ সালে। প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৎকালীন জনপ্রিয় চেয়ারম্যান মরহুম মোস্তাক আহমেদ চৌধুরী—টেকনাফ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা। রাজনৈতিকভাবে প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও ভোটারদের আস্থা জয় করে ১,১৭৫ ভোটে জয়ী হন আনোয়ারী। সেই থেকে শুরু হয় তাঁর অপরাজিত যাত্রা—যা এখনও অব্যাহত। শিক্ষার আলোকিত পথে: অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর শিক্ষাজীবনও অনন্য দৃষ্টান্ত। হ্নীলা শাহ মজিদিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২য় স্থান নিয়ে দাখিল পাস করেন। এরপর রঙ্গিখালী ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা থেকে আলিম ও ফাজিল উভয় পরীক্ষায় ২য় স্থান অর্জন করেন। কক্সবাজার সরকারি কলেজ থেকে ২য় স্থান নিয়ে বিএ সম্পন্ন করার পর কক্সবাজার হাশেমিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে ২য় স্থান নিয়ে কামিল এবং চট্টগ্রাম সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১ম স্থান নিয়ে মাস্টার্স (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেন। সামাজিক দায়িত্ব ও মানবকল্যাণ: চেয়ারম্যান আনোয়ারীর রাজনৈতিক শক্তি তাঁর সততা ও মানুষের প্রতি আন্তরিকতায়। অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো, গরিবদের সহায়তা এবং দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গঠনে তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত। হোয়াইক্যং ইউনিয়নের রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় কেন্দ্র ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নে তিনি রেখেছেন সুদূরপ্রসারী ভূমিকা। তিনি রঙ্গিখালী ফাজিল মাদ্রাসা, কক্সবাজার ইসলামীয়া বালিকা কামিল মাদ্রাসা ও টেকনাফ কাঞ্জরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন। হ্নীলা শাহ মজিদিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে বর্তমানে কর্মরত। এছাড়াও তিনি , হ্নীলা আলফালাহ একাডেমি এবং কাঞ্জরপাড়া মডেল একাডেমিসহ অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনায় যুক্ত। রাজনীতির মাঠে সাফল্যের ধারাবাহিকতা: ২০০৩ সালের প্রথম নির্বাচনের পর, দ্বিতীয়বার তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিএনপি প্রার্থী মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীর পুত্র জুনাইদ আলীর বিরুদ্ধে এবং ২,৩৩৫ ভোটে জয়ী হন। তৃতীয়বার আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফরিদুল আলমকে ৩,২৭০ ভোটে পরাজিত করেন। চতুর্থবার আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজিজুল হককে ৪,৫৫৫ ভোটে হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। দুই দশক ধরে ভোটের মাঠে অপরাজিত এই জনপ্রতিনিধি স্থানীয় জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে আছেন। আগামী দিনের রাজনীতি: বর্তমানে জেলা জামায়াতের আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন আনোয়ারী। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা—আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তিনি কক্সবাজার-৪ আসনে প্রার্থী হতে পারেন। এমন হলে জেলা বিএনপির সভাপতির সঙ্গে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজনৈতিকভাবে এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি করবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একজন প্রবীণ বাসিন্দা বলেন: "চেয়ারম্যান আনোয়ারী শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি আমাদের অভিভাবক। তাঁর সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং মানবিকতা আমাদের কাছে অমূল্য।" দুই দশকের রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি প্রমাণ করেছেন—সততা, পরিশ্রম ও মানুষের আস্থা থাকলে রাজনীতির মাঠে অপরাজিত থাকা সম্ভব। হোয়াইক্যংয়ের মানুষ তাই তাঁকে শুধু চেয়ারম্যান নয়, মানবসেবক হিসেবেও মনে রাখবে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×