হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

৪০০ নম্বরে হবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন নীতিমালা জারি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১১ মার্চ – প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই নীতিমালার অধীনে এখন থেকে মোট ৪০০ নম্বরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সই করা এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালার আলোকে ২০২৬ সাল থেকে বৃত্তি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাও এই নীতিমালার আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এনসিটিবি নির্ধারিত পাঠ্যক্রম অনুসরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অনলাইন সিস্টেম আইপিইএমআইএস এ সক্রিয় থাকা বাধ্যতামূলক। নতুন নীতিমালায় মানবণ্টনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, এ বছর বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে হবে।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় আর প্রাথমিক বিজ্ঞান সমন্বিত বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীকে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ধরনে বৃত্তি প্রদান করা হবে। উভয় ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা বা থানা ভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে দেওয়া হবে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়কে ইউনিট হিসেবে ধরা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে দুইজন ছাত্র, দুইজন ছাত্রী এবং একজন মেধা কোটাসহ মোট ৫টি সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি কাজ করবে।

কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সভাপতি হিসেবে থাকবেন সচিব। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা অবহেলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর নির্দেশনার বিধান রয়েছে নীতিমালায়। এই নীতিমালা জারির মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি নীতিমালাসহ আগের সব নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

৪০০ নম্বরে হবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন নীতিমালা জারি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

৪০০ নম্বরে হবে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন নীতিমালা জারি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১১ মার্চ – প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের জন্য প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন এই নীতিমালার অধীনে এখন থেকে মোট ৪০০ নম্বরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সই করা এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালার আলোকে ২০২৬ সাল থেকে বৃত্তি সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাও এই নীতিমালার আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে।নীতিমালায় বলা হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এনসিটিবি নির্ধারিত পাঠ্যক্রম অনুসরণ করতে হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অনলাইন সিস্টেম আইপিইএমআইএস এ সক্রিয় থাকা বাধ্যতামূলক। নতুন নীতিমালায় মানবণ্টনের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, এ বছর বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে হবে।বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় আর প্রাথমিক বিজ্ঞান সমন্বিত বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি বিষয়ের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিটি বিষয়ে একজন শিক্ষার্থীকে অন্তত ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ধরনে বৃত্তি প্রদান করা হবে। উভয় ক্ষেত্রে সমান সংখ্যক অর্থাৎ ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রী নির্বাচিত হবেন। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা বা থানা ভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে দেওয়া হবে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড পর্যায়কে ইউনিট হিসেবে ধরা হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডে দুইজন ছাত্র, দুইজন ছাত্রী এবং একজন মেধা কোটাসহ মোট ৫টি সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে। এই পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি কাজ করবে।কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এবং সভাপতি হিসেবে থাকবেন সচিব। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষা সংক্রান্ত যেকোনো অনিয়ম বা অবহেলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কঠোর নির্দেশনার বিধান রয়েছে নীতিমালায়। এই নীতিমালা জারির মধ্য দিয়ে ২০০৮ সালের প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি নীতিমালাসহ আগের সব নীতিমালা বাতিল বলে গণ্য হবে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×