হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৯ দল নির্বাচনে নেই, বিকল্প শক্তি গঠনে প্রশ্ন

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ১০ জানুয়ারি – নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ৯টি দল। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বড় একটি অংশ সীমিত সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে। এতে বড় দলগুলোর বাইরে শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ২৯টি দল মাত্র ১ থেকে ২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর ১০০টির বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে মাত্র পাঁচটি দল। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ ও তাদের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট এবার নির্বাচনের বাইরে রয়েছে।

আরও পড়ুন

অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই

বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন পর তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা কম। তবে নিবন্ধিত অনেক দলের মাঠপর্যায়ের দুর্বলতা ও প্রার্থী সংকট দেশের রাজনীতিতে কার্যকর বিকল্প শক্তি গড়ে ওঠার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত আগের তিনটি সংসদ নির্বাচন নিয়েই বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে অংশ নিলেও নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। জাসদ ছাড়া ১৪ দলের অন্য শরিক দলগুলোও ভোটের বাইরে রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ, আওয়ামী লীগ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ন্যাপ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনসহ মোট ৯টি দল।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির বিধান কার্যকর করা গেলে অনেক দল নিজেদের সংগঠিত করতে বাধ্য হতো, নতুবা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ত।

অন্যদিকে নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কিছু দল ক্ষমতাসীনদের ঘিরে কর্মসূচি করে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। অনেকেই রাজনীতিকে গুরুত্ব না দিয়ে এক ধরনের ‘খেলা’ হিসেবে দেখেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলীয় প্রতীক বাধ্যতামূলক থাকা অবস্থায় আদর্শ ও জনসম্পৃক্ততা ছাড়া নির্বাচনকেন্দ্রিক দল গঠনের প্রবণতা ভোটারদের মধ্যে আস্থার সংকট সৃষ্টি করতে পারে।

এনএন/ ১০ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৯ দল নির্বাচনে নেই, বিকল্প শক্তি গঠনে প্রশ্ন

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

৬০টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ৯ দল নির্বাচনে নেই, বিকল্প শক্তি গঠনে প্রশ্ন

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১০ জানুয়ারি – নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ৯টি দল। অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বড় একটি অংশ সীমিত সংখ্যক আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে। এতে বড় দলগুলোর বাইরে শক্তিশালী বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে ওঠেনি বলে মনে করছেন নির্বাচন বিশ্লেষকরা।ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অংশ নেওয়া দলগুলোর মধ্যে ২৯টি দল মাত্র ১ থেকে ২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। আর ১০০টির বেশি আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে মাত্র পাঁচটি দল। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ ও তাদের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট এবার নির্বাচনের বাইরে রয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন পর তুলনামূলক প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বড় প্রশ্ন ওঠার সম্ভাবনা কম। তবে নিবন্ধিত অনেক দলের মাঠপর্যায়ের দুর্বলতা ও প্রার্থী সংকট দেশের রাজনীতিতে কার্যকর বিকল্প শক্তি গড়ে ওঠার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করছে।ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত আগের তিনটি সংসদ নির্বাচন নিয়েই বিতর্ক রয়েছে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলো অংশ নেয়নি। ২০১৮ সালে অংশ নিলেও নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এবার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় দলটি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না। জাসদ ছাড়া ১৪ দলের অন্য শরিক দলগুলোও ভোটের বাইরে রয়েছে।অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিতব্য এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না তৃণমূল বিএনপি, বিএনএম, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল, কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ, আওয়ামী লীগ, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, ন্যাপ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনসহ মোট ৯টি দল।তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির বিধান কার্যকর করা গেলে অনেক দল নিজেদের সংগঠিত করতে বাধ্য হতো, নতুবা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ত।অন্যদিকে নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, কিছু দল ক্ষমতাসীনদের ঘিরে কর্মসূচি করে ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। অনেকেই রাজনীতিকে গুরুত্ব না দিয়ে এক ধরনের ‘খেলা’ হিসেবে দেখেন।বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলীয় প্রতীক বাধ্যতামূলক থাকা অবস্থায় আদর্শ ও জনসম্পৃক্ততা ছাড়া নির্বাচনকেন্দ্রিক দল গঠনের প্রবণতা ভোটারদের মধ্যে আস্থার সংকট সৃষ্টি করতে পারে।এনএন/ ১০ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×