কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজারের অব্যাহত যানজট নিরসনে ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং ব্যবসায়িক শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফেসবুক পেইজে নয়টি নির্দেশনা দিয়ে এ সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়।এর ব্যত্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
উপজেলা প্রশাসনের দেয়া নির্দেশনায় রয়েছে ঈদগাঁও স্টেশন ও বাজারের সরকারি জায়গা এবং ফুটপাত দখল করে গড়ে তোলা সব অস্থায়ী দোকান নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নিতে হবে, দোকানের মালামাল কোনোভাবেই রাস্তা বা ফুটপাতে রাখা যাবে না,মাছ, মাংস, সবজি, ফল ও মুদির দোকানে পণ্যের মূল্য তালিকা প্রদর্শন বাধ্যতামূলক,ব্যবসার প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা কার্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ।
ঈদগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী ও বাজারমুখী জনগণের ভোগান্তি কমাতে মালবাহী বড় ট্রাকগুলোকে রাত ১০টা থেকে সকাল ৯টার মধ্যে মালামাল লোড-আনলোড সম্পন্ন করা,অটোরিকশা, টমটম ও সিএনজি চলাচলের ক্ষেত্রে একমুখী ট্রাফিক ব্যবস্থা ও নির্দিষ্ট পার্কিং পয়েন্ট চালুর বিষয়ে সবার সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া,লাইসেন্স ও হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল না চালানো,লবণবাহী ট্রাক এবং লবণ মিলগুলোকে সরকারি সব শর্তাবলি মেনে চলা,অবৈধ করাতকলের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়ে আগামী এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছে সংশ্লিষ্টদের।
অস্কারজয়ী চিলিয়ান চলচ্চিত্র নির্মাতা সেবাস্তিয়ান লেলিও আর নেই
জনস্বার্থে এবং সুন্দর ও সুশৃঙ্খল ঈদগাঁও গড়ার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ব্যবসায়ী ও সর্বসাধারণকে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।
এদিকে ফেসবুক পেইজে উপজেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা প্রচার হলে মুহূর্তেই নেটিজেনরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অবিলম্বে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মংচিংনু মার্মার আন্তরিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
প্রসঙ্গত যুগযুগ ধরে দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক নগরী খ্যাত ঐতিহ্যবাহী ঈদগাঁও বাজার ও স্টেশনে সরকারি জায়গা দখল করে ফুটপাতে অবৈধ ভাসমান দোকান বসিয়ে একটি চক্র অঘোষিত চাঁদাবাজি করে আসছে।যার কারণে স্টেশন ও বাজারের ডিসি সড়ক দিয়ে জন চলাচলের কোন জায়গা না থাকায় বছরের পর বছর যানজট ও জনদূর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে। অতীতের কোন প্রশাসনিক কর্মকর্তা রাজনৈতিক চাপ বা দালাল ও চাঁদাবাজ চক্রের ফাঁদে পড়ে এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।




মন্তব্য করুন