হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহতদের শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩, ০৫:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ০১ এপ্রিল – সৌদি আরবে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।

সৌদি আরবে বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে ডিএনএ টেস্টের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

রক্ষণাবেক্ষণ শেষে সামিটের এলএনজি টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ শুরু

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মরদেহগুলো মাহায়েল জেনারেল হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে। কনস্যুলেট প্রতিনিধি দল এরই মধ্যেই হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। হাসপাতালে রাখা ২২টি মরদেহের মধ্যে মাত্র ৩টি লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি ১৯টি মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ার কারণে জাতীয়তা নির্ণয় করা কঠিন হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহগুলো শনাক্ত করা সম্ভব নয়।

জেদ্দা মিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, বাস দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিচয় এরই মধ্যেই পাওয়া গেছে। তবে মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় কোন ব্যক্তির মরদেহ কোনটি, সেটি জানা সম্ভব হচ্ছে না। মরদেহ শনাক্ত করতে হলে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে।

সূত্র জানায়, সৌদি আরবে দুর্ঘটনায় কবলিত বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৪ জন। বাস দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি নিহত হন। আর আহত হন ১৬ বাংলাদেশি। আহতদের সৌদির ৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে মরদেহগুলো দেশে আনা হবে, না কি সেখানেই দাফন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে স্বজনরা মরদেহগুলো দেশে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

মরদেহ সরকারি ব্যবস্থায় ফেরানোর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, বিদেশে কেউ মারা গেলে সরকার সাধারণত সবার মরদেহ নিয়ে আসে। যারা অসচ্ছল তাদের মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে নিয়ে আসা হয়। তবে সৌদি থেকে মরদেহ ফেরত আনার বিষয়ে চূড়ান্তভাবে তিনি কোনো কিছু জানাতে পারেননি।

গত ২৭ মার্চ সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় বিভিন্ন দেশের ২২ জন ওমরাহ যাত্রী নিহত হন। ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি একটি সেতুতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে আগুন ধরে যায়। আসির প্রদেশ ও আভা শহরের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানোর এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসের যাত্রীরা ওমরাহ পালন করতে মক্কা যাচ্ছিলেন।

সূত্র: বাংলানিউজ
এম ইউ/০১ এপ্রিল ২০২৩

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহতদের শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহতদের শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ১ এপ্রিল ২০২৩, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০১ এপ্রিল – সৌদি আরবে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৮ বাংলাদেশির মরদেহ শনাক্তে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। সৌদি আরবে বাস দুর্ঘটনার বিষয়ে জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল অফিস থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদনে ডিএনএ টেস্টের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মরদেহগুলো মাহায়েল জেনারেল হাসপাতালে সংরক্ষিত রয়েছে। কনস্যুলেট প্রতিনিধি দল এরই মধ্যেই হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। হাসপাতালে রাখা ২২টি মরদেহের মধ্যে মাত্র ৩টি লাশ শনাক্ত করা হয়েছে। বাকি ১৯টি মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ার কারণে জাতীয়তা নির্ণয় করা কঠিন হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিএনএ টেস্ট ছাড়া মরদেহগুলো শনাক্ত করা সম্ভব নয়। জেদ্দা মিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, বাস দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিচয় এরই মধ্যেই পাওয়া গেছে। তবে মরদেহ মারাত্মকভাবে পুড়ে যাওয়ায় কোন ব্যক্তির মরদেহ কোনটি, সেটি জানা সম্ভব হচ্ছে না। মরদেহ শনাক্ত করতে হলে ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। সূত্র জানায়, সৌদি আরবে দুর্ঘটনায় কবলিত বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৪ জন। বাস দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি নিহত হন। আর আহত হন ১৬ বাংলাদেশি। আহতদের সৌদির ৪টি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে মরদেহগুলো দেশে আনা হবে, না কি সেখানেই দাফন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে স্বজনরা মরদেহগুলো দেশে আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মরদেহ সরকারি ব্যবস্থায় ফেরানোর বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানান, বিদেশে কেউ মারা গেলে সরকার সাধারণত সবার মরদেহ নিয়ে আসে। যারা অসচ্ছল তাদের মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় দেশে নিয়ে আসা হয়। তবে সৌদি থেকে মরদেহ ফেরত আনার বিষয়ে চূড়ান্তভাবে তিনি কোনো কিছু জানাতে পারেননি। গত ২৭ মার্চ সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় বিভিন্ন দেশের ২২ জন ওমরাহ যাত্রী নিহত হন। ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি একটি সেতুতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে আগুন ধরে যায়। আসির প্রদেশ ও আভা শহরের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানোর এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসের যাত্রীরা ওমরাহ পালন করতে মক্কা যাচ্ছিলেন। সূত্র: বাংলানিউজএম ইউ/০১ এপ্রিল ২০২৩

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×