হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বুরকিনা ফাসোয় সশস্ত্র হামলা, নিহত ৬০

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:০৭ অপরাহ্ন


ওয়াগাদুগু, ২৪ এপ্রিল – আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর উত্তরাঞ্চলে অস্ত্রধারীদের হামলায় অন্তত ৬০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) দেশটির ওয়াহিগৌয়া শহরের নিকটবর্তী একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওয়াহিগৌয়ার কৌঁসুলি ল্যামিন কাবোরে রোববার (২৩ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মালির সীমান্তবর্তী ওই এলাকার এ হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যারা আক্রমণ করেছিল তারা সবাই বুরকিনা ফাসোর সামরিক বাহিনীর পোশাক পরিহিত ছিল। স্থানীয় পুলিশও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

আরও পড়ুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ

ল্যামিন কাবোরে জানিয়েছেন, বুরকিনা ফাসোর উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ইয়াতেঙ্গা প্রদেশের ওয়াহিগৌয়ার নিকটবর্তী গ্রাম কার্মায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রামটি প্রতিবেশী মালির সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই এলাকায় আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রায়ই আক্রমণ চালিয়ে থাকে। এক বিবৃতিতে ল্যামিন কাবোরে জানিয়েছেন, হামলার কারণ এবং অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে। তবে তিনি এই হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ২০২২ সালের পর থেকেই দেশটিতে সাধারণ নাগরিকের ওপর হামলা বেড়ে গিয়েছে। এমনকিদেশটির সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবী সশস্ত্র বাহিনী দেশজুড়ে ব্যাপক সন্ত্রসাবাদবিরোধী অভিযান চালানোর পরও এ ধরনের হামলা কমেনি।

এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল ওয়াহিগৌয়ায় দেশটির সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবী সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়। আহত হয় আরও অন্তত ৩৩ জন।

এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার শুরু মূলত মালি থেকে। ২০১২ সালে ইসলামপন্থীরা তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই এই অঞ্চলে অস্থিরতা শুরু হয়। যা পরে ছড়িয়ে পড়ে বুরকিনা ফাসো, নাইজার এবং অন্যান্য দেশে। এই অস্থিরতায় বিভিন্ন দেশে কয়েক হাজার লোক নিহত হয়। বাস্তুচ্যুত হয় অন্তত ২৫ লাখ মানুষ।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ২৪ এপ্রিল ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বুরকিনা ফাসোয় সশস্ত্র হামলা, নিহত ৬০

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বুরকিনা ফাসোয় সশস্ত্র হামলা, নিহত ৬০

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াগাদুগু, ২৪ এপ্রিল – আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোর উত্তরাঞ্চলে অস্ত্রধারীদের হামলায় অন্তত ৬০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। শুক্রবার (২১ এপ্রিল) দেশটির ওয়াহিগৌয়া শহরের নিকটবর্তী একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওয়াহিগৌয়ার কৌঁসুলি ল্যামিন কাবোরে রোববার (২৩ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মালির সীমান্তবর্তী ওই এলাকার এ হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, যারা আক্রমণ করেছিল তারা সবাই বুরকিনা ফাসোর সামরিক বাহিনীর পোশাক পরিহিত ছিল। স্থানীয় পুলিশও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ল্যামিন কাবোরে জানিয়েছেন, বুরকিনা ফাসোর উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ইয়াতেঙ্গা প্রদেশের ওয়াহিগৌয়ার নিকটবর্তী গ্রাম কার্মায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। গ্রামটি প্রতিবেশী মালির সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই এলাকায় আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেটসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রায়ই আক্রমণ চালিয়ে থাকে। এক বিবৃতিতে ল্যামিন কাবোরে জানিয়েছেন, হামলার কারণ এবং অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত জানতে তদন্ত চলছে। তবে তিনি এই হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ২০২২ সালের পর থেকেই দেশটিতে সাধারণ নাগরিকের ওপর হামলা বেড়ে গিয়েছে। এমনকিদেশটির সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবী সশস্ত্র বাহিনী দেশজুড়ে ব্যাপক সন্ত্রসাবাদবিরোধী অভিযান চালানোর পরও এ ধরনের হামলা কমেনি। এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল ওয়াহিগৌয়ায় দেশটির সেনাবাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবী সশস্ত্র বাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়। আহত হয় আরও অন্তত ৩৩ জন। এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতার শুরু মূলত মালি থেকে। ২০১২ সালে ইসলামপন্থীরা তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করার পর থেকেই এই অঞ্চলে অস্থিরতা শুরু হয়। যা পরে ছড়িয়ে পড়ে বুরকিনা ফাসো, নাইজার এবং অন্যান্য দেশে। এই অস্থিরতায় বিভিন্ন দেশে কয়েক হাজার লোক নিহত হয়। বাস্তুচ্যুত হয় অন্তত ২৫ লাখ মানুষ। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ২৪ এপ্রিল ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×