হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সন্দ্বীপে দুই রোহিঙ্গা সহোদর আটক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩, ১১:০৭ অপরাহ্ন




চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মাইটভাঙা ইউনিয়নে দুই রোহিঙ্গা সহোদরকে আটক করা হয়েছে। পরে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে তাদের স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

চকরিয়ায় বন উজাড় রোধে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, আগে দখলবাজ শ্রেনির মানুষকে সচেতন করা জরুরি

 

আটক দুই রোহিঙ্গা সহোদর হলো- গণি মিয়া (৩৫) ও মো.রফিক (৩০)। তারা ১০ দিন আগে ভাসানচর থেকে পালিয়ে সন্দ্বীপ হয়ে চট্টগ্রাম যায়। গণি মিয়া ভাসানচর এফ ৮৩ নম্বর ক্লাস্টার ও রফিক জি ৮৫ নম্বর ক্লাস্টারে আশ্রিত ছিল। তারা দেড় বছর আগে স্ত্রী সন্তানসহ কক্সবাজার থেকে ভাসানচর আসে।

 

আটক রোহিঙ্গা গণিমিয়া জানান, গত ৯ জুন ভাসানচর থেকে গ্যালন দিয়ে ভেসে সন্দ্বীপ আসেন। সন্দ্বীপ উপকূলে কিছু বখাটে তাদের আটক করে মারধর করে টাকা দাবি করে। পরে তারা বিকাশ নম্বরে ভাসানচর থেকে ছয় হাজার টাকা আনিয়ে দিলে বখাটেরা পাঁচ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল সেট রেখে দিয়ে তাদের গুপ্তছড়া ঘাটের দিকে পাঠিয়ে দেয়। তারা ঘাটের আশপাশে একটি ব্রিকস ফিল্ডে একদিন চারশ টাকা বেতনে কাজ করে। কিন্তু রোহিঙ্গা পরিচয় পাওয়ার পর তাদের কাজ থেকে বের করে দিলে তারা দুই ভাই চট্টগ্রাম পাড়ি দেয়। গণিমিয়া পটিয়ায় একটি বাঁশ ঝাড়ে বাঁশ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। রফিক লটকনপুর জসিমের লেবু বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। তিনদিন পর সে কর্মস্থলে আহত হয়ে কক্সবাজার বালুখালী ক্যাম্পে তার মায়ের কাছে ফিরে যায়। গতকাল শনিবার তারা দুজনে যোগাযোগ করে পটিয়ায় মিলিত হয়ে কুমিরা ঘাট হয়ে লালবোটে করে সন্দ্বীপ আসে। সন্দ্বীপ থেকে ভাসানচর যাওয়ার পথে মাইটভাঙ্গা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে খবর দিলে তাদের গ্রাম পুলিশ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আনা হয়। পরে সন্দ্বীপ থানায় যোগাযোগ করে রাতেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

 

মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, দুইজন রোহিঙ্গা নাগরিক আটকের খবর শুনে আমি গ্রাম পুলিশ দিয়ে তাদের ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। সেখান থেকে আবার গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে তাদের থানায় পৌঁছে দিই।

 

সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, দুইজন রোহিঙ্গা থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদের কোস্টগার্ডের মাধ্যমে ভাসানচর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।








coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সন্দ্বীপে দুই রোহিঙ্গা সহোদর আটক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সন্দ্বীপে দুই রোহিঙ্গা সহোদর আটক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩, ১১:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মাইটভাঙা ইউনিয়নে দুই রোহিঙ্গা সহোদরকে আটক করা হয়েছে। পরে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে তাদের স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।   আটক দুই রোহিঙ্গা সহোদর হলো- গণি মিয়া (৩৫) ও মো.রফিক (৩০)। তারা ১০ দিন আগে ভাসানচর থেকে পালিয়ে সন্দ্বীপ হয়ে চট্টগ্রাম যায়। গণি মিয়া ভাসানচর এফ ৮৩ নম্বর ক্লাস্টার ও রফিক জি ৮৫ নম্বর ক্লাস্টারে আশ্রিত ছিল। তারা দেড় বছর আগে স্ত্রী সন্তানসহ কক্সবাজার থেকে ভাসানচর আসে।   আটক রোহিঙ্গা গণিমিয়া জানান, গত ৯ জুন ভাসানচর থেকে গ্যালন দিয়ে ভেসে সন্দ্বীপ আসেন। সন্দ্বীপ উপকূলে কিছু বখাটে তাদের আটক করে মারধর করে টাকা দাবি করে। পরে তারা বিকাশ নম্বরে ভাসানচর থেকে ছয় হাজার টাকা আনিয়ে দিলে বখাটেরা পাঁচ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল সেট রেখে দিয়ে তাদের গুপ্তছড়া ঘাটের দিকে পাঠিয়ে দেয়। তারা ঘাটের আশপাশে একটি ব্রিকস ফিল্ডে একদিন চারশ টাকা বেতনে কাজ করে। কিন্তু রোহিঙ্গা পরিচয় পাওয়ার পর তাদের কাজ থেকে বের করে দিলে তারা দুই ভাই চট্টগ্রাম পাড়ি দেয়। গণিমিয়া পটিয়ায় একটি বাঁশ ঝাড়ে বাঁশ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। রফিক লটকনপুর জসিমের লেবু বাগানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। তিনদিন পর সে কর্মস্থলে আহত হয়ে কক্সবাজার বালুখালী ক্যাম্পে তার মায়ের কাছে ফিরে যায়। গতকাল শনিবার তারা দুজনে যোগাযোগ করে পটিয়ায় মিলিত হয়ে কুমিরা ঘাট হয়ে লালবোটে করে সন্দ্বীপ আসে। সন্দ্বীপ থেকে ভাসানচর যাওয়ার পথে মাইটভাঙ্গা ৪ নম্বর ওয়ার্ডের স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে খবর দিলে তাদের গ্রাম পুলিশ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আনা হয়। পরে সন্দ্বীপ থানায় যোগাযোগ করে রাতেই পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।   মাইটভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, দুইজন রোহিঙ্গা নাগরিক আটকের খবর শুনে আমি গ্রাম পুলিশ দিয়ে তাদের ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসি। সেখান থেকে আবার গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে তাদের থানায় পৌঁছে দিই।   সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জানান, দুইজন রোহিঙ্গা থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদের কোস্টগার্ডের মাধ্যমে ভাসানচর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×