হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বন্ধ হয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো পত্রিকা

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন


ভিয়েনা, ০১ জুলাই – বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ছাপা পত্রিকা ‘ভিনার জেইতুং’ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত হতো সংবাদপত্রটি।

১৭০৩ সালে যাত্রা শুরু করা ৩২০ বছর পুরোনো পত্রিকাটি গতকাল শুক্রবার (৩০ জুন) সর্বশেষ ছাপা সংস্করণটি প্রকাশ করে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

অস্ট্রিয়ায় যদি কোনো প্রতিষ্ঠান গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করত তাহলে সেটি পত্রিকায় অর্থের বিনিময়ে প্রকাশ করতে হতো।

কিন্তু এ বছরের এপ্রিলে দেশটিতে একটি নতুন আইন করা হয়। এই আইনে পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়। ফলে ‘অফিসিয়াল গ্যাজেট’ হিসেবে যে দায়িত্ব ভিনার জেইতুং পালন করত সেটি শেষ হয়ে যায়। এতে করে পত্রিকাটির আয়ের রাস্তাও বন্ধ হয়ে যায়।

ওই আইন পাশের পরপরই প্রাচীন পত্রিকাটির প্রকাশকের আয় প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড কমে যায়। এরপর বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ৬৩ কর্মীকে ছাঁটাই করে। এই ছাঁটাইয়ের পর পত্রিকাটির এডিটরিয়ালের লোকবল ৫৫ থেকে মাত্র ২০ জনে নেমে আসে। এতকিছু করার পরও লাভজনক না হওয়ায় এটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভিনার জেইতুংয়ের ছাপা সংস্করণ বন্ধ হয়ে গেলেও অনলাইন সংস্করণ চালু থাকবে। এছাড়া প্রতিমাসে একবার ছাপা সংস্করণ প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। যদিও এ পরিকল্পনা একদম শুরুর পর্যায়ে আছে।

পত্রিকাটির মালিক হলো অস্ট্রিয়ার সরকার। তা সত্ত্বেও সম্পাদকীয়ভাবে এটি স্বাধীন ছিল। এই পত্রিকাটি যাত্রা শুরুর পর অস্ট্রিয়ায় ১০ জন সম্রাট, ১২ জন প্রেসিডেন্ট এবং দু’টি প্রজাতন্ত্র দেখেছে।

১৭০৩ সালে পত্রিকাটি প্রথম সংস্করণে বলেছিল, তারা কোনো ধরনের ‘অতিরঞ্জন এবং কাব্যিক শব্দকোষ ছাড়া’ সরাসরি খবর প্রকাশ করবে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রিয়া পরাজিত হওয়ার পর, পত্রিকাটি একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল, যার মধ্যে শেষ হাবসবার্গ সম্রাট কায়সার কার্লের সাম্রাজের দায়িত্ব ছাড়ার পত্রটিও ছিল।

পত্রিকাটি তাদের শেষ সংস্করণে সাবেক দু’জন চ্যান্সেলরসহ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার ছাপিয়েছে। এছাড়া ছাপা সংস্করণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য পত্রিকাটি সরকারের নীতিকে দোষারোপ করেছে।

ভিনার জেইতুং— তিন শতকের যাত্রায় শুধুমাত্র একবারই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেটি ১৯৩৯ সালে। সে বছর জার্মান নাৎসি বাহিনী এটির প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়। ১৯৪৫ সালে অস্ট্রিয়া মিত্র বাহিনীর দখলদারিত্বের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই ফের পত্রিকাটি চালু হয়।

ভিনার জেইতুং বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর— জার্মান পত্রিকা হিসিমার আলগেমেইন জেইতুংকে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ‘চালু’ পত্রিকা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৭০৫ সালে।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
আইএ/ ০১ জুলাই ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

বন্ধ হয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো পত্রিকা

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বন্ধ হয়ে গেল বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো পত্রিকা

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ভিয়েনা, ০১ জুলাই – বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ছাপা পত্রিকা ‘ভিনার জেইতুং’ আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত হতো সংবাদপত্রটি। ১৭০৩ সালে যাত্রা শুরু করা ৩২০ বছর পুরোনো পত্রিকাটি গতকাল শুক্রবার (৩০ জুন) সর্বশেষ ছাপা সংস্করণটি প্রকাশ করে। অস্ট্রিয়ায় যদি কোনো প্রতিষ্ঠান গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করত তাহলে সেটি পত্রিকায় অর্থের বিনিময়ে প্রকাশ করতে হতো। কিন্তু এ বছরের এপ্রিলে দেশটিতে একটি নতুন আইন করা হয়। এই আইনে পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়। ফলে ‘অফিসিয়াল গ্যাজেট’ হিসেবে যে দায়িত্ব ভিনার জেইতুং পালন করত সেটি শেষ হয়ে যায়। এতে করে পত্রিকাটির আয়ের রাস্তাও বন্ধ হয়ে যায়। ওই আইন পাশের পরপরই প্রাচীন পত্রিকাটির প্রকাশকের আয় প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ড কমে যায়। এরপর বাধ্য হয়ে কর্তৃপক্ষ ৬৩ কর্মীকে ছাঁটাই করে। এই ছাঁটাইয়ের পর পত্রিকাটির এডিটরিয়ালের লোকবল ৫৫ থেকে মাত্র ২০ জনে নেমে আসে। এতকিছু করার পরও লাভজনক না হওয়ায় এটি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভিনার জেইতুংয়ের ছাপা সংস্করণ বন্ধ হয়ে গেলেও অনলাইন সংস্করণ চালু থাকবে। এছাড়া প্রতিমাসে একবার ছাপা সংস্করণ প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে কর্তৃপক্ষের। যদিও এ পরিকল্পনা একদম শুরুর পর্যায়ে আছে। পত্রিকাটির মালিক হলো অস্ট্রিয়ার সরকার। তা সত্ত্বেও সম্পাদকীয়ভাবে এটি স্বাধীন ছিল। এই পত্রিকাটি যাত্রা শুরুর পর অস্ট্রিয়ায় ১০ জন সম্রাট, ১২ জন প্রেসিডেন্ট এবং দু’টি প্রজাতন্ত্র দেখেছে। ১৭০৩ সালে পত্রিকাটি প্রথম সংস্করণে বলেছিল, তারা কোনো ধরনের ‘অতিরঞ্জন এবং কাব্যিক শব্দকোষ ছাড়া’ সরাসরি খবর প্রকাশ করবে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রিয়া পরাজিত হওয়ার পর, পত্রিকাটি একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল, যার মধ্যে শেষ হাবসবার্গ সম্রাট কায়সার কার্লের সাম্রাজের দায়িত্ব ছাড়ার পত্রটিও ছিল। পত্রিকাটি তাদের শেষ সংস্করণে সাবেক দু’জন চ্যান্সেলরসহ কয়েকজনের সাক্ষাৎকার ছাপিয়েছে। এছাড়া ছাপা সংস্করণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য পত্রিকাটি সরকারের নীতিকে দোষারোপ করেছে। ভিনার জেইতুং— তিন শতকের যাত্রায় শুধুমাত্র একবারই সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেটি ১৯৩৯ সালে। সে বছর জার্মান নাৎসি বাহিনী এটির প্রকাশনা বন্ধ করে দেয়। ১৯৪৫ সালে অস্ট্রিয়া মিত্র বাহিনীর দখলদারিত্বের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই ফের পত্রিকাটি চালু হয়। ভিনার জেইতুং বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর— জার্মান পত্রিকা হিসিমার আলগেমেইন জেইতুংকে বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো ‘চালু’ পত্রিকা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৭০৫ সালে। সূত্র: ঢাকা পোস্টআইএ/ ০১ জুলাই ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×