হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ড্র হলো বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩, ০৯:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২২ জুলাই – শেষ ওভারের নাটকীয়তায় তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ড্র করে সিরিজ ড্র করল বাংলাদেশ-ভারত। ম্যাচটিতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারত নারী দলের প্রয়োজন ছিল ৩ রান। হাতে ছিল এক উইকেট। এমন সমীকরণে মারুফা আক্তারের ওপরই ভরসা রাখেন জ্যোতি। এই পেসারের করা ওভারের প্রথম দুই বলে একবার করে প্রান্ত বদল করেন দুই ব্যাটার। স্কোরলাইন সমান হওয়ার পর ওভারের তৃতীয় বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট লেন্থে করেছিলেন মারুফা। তাতে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পরেন মেঘনা। তাতে ম্যাচ ড্র হয়। ফলে ১-১ এর সমতায় সিরিজও ড্র হয়েছে।

শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ফারজানার সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। যা ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সংগ্রহ। জবাবে ৪৯.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান করে ভারত। তাতে ম্যাচের সঙ্গে সিরিজেও ড্র করে দুদল।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

২২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দলীয় ১১ রানে ওপেনার শেফালি ভার্মাকে ফেরান মারুফা আক্তার। এরপরে স্বস্তিকা ভাটিয়াকে আউট করে ভারতকে চাপে ফেলেন সুলতানা খাতুন।

তবে ভারতের আরেক ওপেনার স্মৃতি মান্ধানাকে নিয়ে ১০৭ রানের জুটি গড়ে তোলেন হারলিন। ৫৯ রান করে স্মৃতি আউট হলেও একপাশ আগলে রাখেন হারলিন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি অধিনায়ক হারমানপ্রীত। ভারতীয় অধিনায়ককে মাত্র ১৪ রানে আউট করেন নাহিদা আক্তার।

ব্যক্তিগত ৭৭ রান করে হারলিন আউট হলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে ভারতের মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যান জেমিমাহ রদ্রিগেজ দলকে চাপমুক্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে শেষদিকে দাঁড়াতে পারেনি কোনো ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত জেমিমাহ ৩৩ রানে অপারিজত থাকলেও অলআউট হয় ভারত।

এর আগে মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। শামীমা সুলতানার সাতে ওপেনিং জুটিতে ব্যাট করতে নামেন ফারজানা হক পিংকি। শামীমা-ফারজানার ওপেনিং জুটি থেকে ৯৩ রানের পার্টনাশিপ পায় বাংলাদেশ। শামীমা ব্যক্তিগত ৫২ রানে সাজঘরে ফিরলে ওপেনিং জুটি ভাঙে। শামীমা ফিরলেও ব্যাট হাতে অবিচল ছিলেন ফারজানা। শামীমা যখন সাজঘরে ফিরে তখন ব্যাট হাতে ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন ফারজানা। এরপর ৯৭ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি স্পর্শ করেন ফারজানা হক পিংকি।

দলীয় ১৬৪ রানে ক্যাচবন্দি হয়ে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক জ্যোতি। ৩৬ বলে এক চারে ২৪ রান করেন জ্যোতি। ৪১তম ওভারে তৃতীয় উইকেট হারানোর পরের ওভারে আরও একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ফারজানার সাথে উইকেট আসা রিতু মনি ফিরেন ২ রানে। ফলে দলীয় ১৬৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দ্রুত দুই উইকেট হারালেও ব্যাট হাতে রানের চাকা সচল রেখেছেন ফারজানা। সোবহানা মোস্তারিকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড গড়েন ফারজানা। ইনিংসের শেষ বলে ১০৫ করা ফারজানা রান আউটে কাটা পড়েন।

ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ১৬০ বল মোকাবেলা করে ১০৭ রান করে ফারজানা। তার এ ইনিংসে ৭টি চারের মার ছিল। অপরপ্রান্তে ব্যাট হাতে ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন সোবহানা মোস্তারি।

সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল
আইএ/ ২২ জুলাই ২০২৩




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ড্র হলো বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

শেষ ওভারের নাটকীয়তায় ড্র হলো বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ২২ জুলাই ২০২৩, ০৯:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২২ জুলাই – শেষ ওভারের নাটকীয়তায় তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ড্র করে সিরিজ ড্র করল বাংলাদেশ-ভারত। ম্যাচটিতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারত নারী দলের প্রয়োজন ছিল ৩ রান। হাতে ছিল এক উইকেট। এমন সমীকরণে মারুফা আক্তারের ওপরই ভরসা রাখেন জ্যোতি। এই পেসারের করা ওভারের প্রথম দুই বলে একবার করে প্রান্ত বদল করেন দুই ব্যাটার। স্কোরলাইন সমান হওয়ার পর ওভারের তৃতীয় বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট লেন্থে করেছিলেন মারুফা। তাতে খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ধরা পরেন মেঘনা। তাতে ম্যাচ ড্র হয়। ফলে ১-১ এর সমতায় সিরিজও ড্র হয়েছে। শনিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিং করতে নেমে ফারজানার সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। যা ওয়ানডেতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ও ভারতের বিপক্ষে সর্বোচ্চ সংগ্রহ। জবাবে ৪৯.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান করে ভারত। তাতে ম্যাচের সঙ্গে সিরিজেও ড্র করে দুদল। ২২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দলীয় ১১ রানে ওপেনার শেফালি ভার্মাকে ফেরান মারুফা আক্তার। এরপরে স্বস্তিকা ভাটিয়াকে আউট করে ভারতকে চাপে ফেলেন সুলতানা খাতুন। তবে ভারতের আরেক ওপেনার স্মৃতি মান্ধানাকে নিয়ে ১০৭ রানের জুটি গড়ে তোলেন হারলিন। ৫৯ রান করে স্মৃতি আউট হলেও একপাশ আগলে রাখেন হারলিন। তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি অধিনায়ক হারমানপ্রীত। ভারতীয় অধিনায়ককে মাত্র ১৪ রানে আউট করেন নাহিদা আক্তার। ব্যক্তিগত ৭৭ রান করে হারলিন আউট হলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তবে ভারতের মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যান জেমিমাহ রদ্রিগেজ দলকে চাপমুক্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের বিপক্ষে শেষদিকে দাঁড়াতে পারেনি কোনো ব্যাটসম্যান। শেষ পর্যন্ত জেমিমাহ ৩৩ রানে অপারিজত থাকলেও অলআউট হয় ভারত। এর আগে মিরপুরে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। শামীমা সুলতানার সাতে ওপেনিং জুটিতে ব্যাট করতে নামেন ফারজানা হক পিংকি। শামীমা-ফারজানার ওপেনিং জুটি থেকে ৯৩ রানের পার্টনাশিপ পায় বাংলাদেশ। শামীমা ব্যক্তিগত ৫২ রানে সাজঘরে ফিরলে ওপেনিং জুটি ভাঙে। শামীমা ফিরলেও ব্যাট হাতে অবিচল ছিলেন ফারজানা। শামীমা যখন সাজঘরে ফিরে তখন ব্যাট হাতে ৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন ফারজানা। এরপর ৯৭ বলে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি স্পর্শ করেন ফারজানা হক পিংকি। দলীয় ১৬৪ রানে ক্যাচবন্দি হয়ে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক জ্যোতি। ৩৬ বলে এক চারে ২৪ রান করেন জ্যোতি। ৪১তম ওভারে তৃতীয় উইকেট হারানোর পরের ওভারে আরও একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ফারজানার সাথে উইকেট আসা রিতু মনি ফিরেন ২ রানে। ফলে দলীয় ১৬৯ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও ব্যাট হাতে রানের চাকা সচল রেখেছেন ফারজানা। সোবহানা মোস্তারিকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকানোর রেকর্ড গড়েন ফারজানা। ইনিংসের শেষ বলে ১০৫ করা ফারজানা রান আউটে কাটা পড়েন। ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নেমে ১৬০ বল মোকাবেলা করে ১০৭ রান করে ফারজানা। তার এ ইনিংসে ৭টি চারের মার ছিল। অপরপ্রান্তে ব্যাট হাতে ২৩ রানে অপরাজিত ছিলেন সোবহানা মোস্তারি। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নালআইএ/ ২২ জুলাই ২০২৩ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×