হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করলো একদল যুবক!

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন

ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া:

স্বেচ্ছায় কক্সবাজারের উখিয়ায় কবরস্থান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শশ্মান পরিষ্কার করেছে একদল তরুণ যুবক।

শুক্রবার(১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মানের ময়লা-আবর্জনা ও জঙ্গল পরিস্কারের কাজ শুরু করে কয়েকজন যুবক। যুবকদের এমন উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন এলাকাবাসী।

সেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করা তরুণ যুবকরা বলছে, তাদের এ কাজ শেষ করতে এক মাস সময় লাগবে।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

স্থানীয়রা জানায়, রুমখাঁপালং গ্রামের একমাত্র মুসলিম কবরস্থান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শশ্মানটি বর্ষা মৌসুমে পানি জমে ঘাস ও লতাপাতায় ছেয়ে যায়। ময়লা-আবর্জনার সাথে ঝোপ-ঝাড়-জঙ্গলে পরিণত হয় কবরস্থানটি। মৃত ব্যক্তিদের কবর দেওয়ার পরিবেশও নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থা দেখে স্থানীয় নজরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শাহিন উদ্দিন,জলিল,জাফর আলম,ইমরান আল মাহমুদ, আমিন উল্লাহ,রবিউল ইসলাম, নয়ন সহ কয়েকজন যুবক স্বেচ্ছায় কবরস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেন। তাদের দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১০-১২ জন যুবক প্রতি শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলসভাবে কবরস্থান পরিস্কারের কাজ করার প্রতিজ্ঞা করেন।

যুবক দলটি জানায়, কোনো চাঁদা কিংবা কারো সহায়তায় নয়, নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান পরিস্কার করছেন।

সেচ্ছাসেবী নজরুল ইসলাম বলেন,মুসলিম বা হিন্দু ধর্মের, কিন্তু সেটা আমার কাছে বড় বিষয় নয়, আমি মানব সেবায় কোনো ধর্ম বর্ণ বিবেচনা করি না। আমি সবসময় মনে করি আমরা সবাই মানুষ আর মানব সেবার মাধ্যমেই সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া যায় বলে আমি বিশ্বাষ করি। তাই কোনো ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ চিন্তা না করে আমরা কবরস্থান ও শশ্মানের আবর্জনা পরিস্কার করছি।

আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা সমাজের অনেক সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু আমরা যদি একটু চিন্তা করে তাদের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের উদ্যোগে কাজ করি, তাহলে সেই সকল সমস্যাও দ্রুত সমাধান হতে পারে। আর এই চিন্তা ধারার বহিঃপ্রকাশ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের এ পদক্ষেপ।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করলো একদল যুবক!

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করলো একদল যুবক!

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
Print Image
ইমরান আল মাহমুদ,উখিয়া: স্বেচ্ছায় কক্সবাজারের উখিয়ায় কবরস্থান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শশ্মান পরিষ্কার করেছে একদল তরুণ যুবক। শুক্রবার(১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্বেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মানের ময়লা-আবর্জনা ও জঙ্গল পরিস্কারের কাজ শুরু করে কয়েকজন যুবক। যুবকদের এমন উদ্যোগ নিয়ে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন এলাকাবাসী। সেচ্ছায় কবরস্থান ও শশ্মান পরিষ্কার করা তরুণ যুবকরা বলছে, তাদের এ কাজ শেষ করতে এক মাস সময় লাগবে। স্থানীয়রা জানায়, রুমখাঁপালং গ্রামের একমাত্র মুসলিম কবরস্থান ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শশ্মানটি বর্ষা মৌসুমে পানি জমে ঘাস ও লতাপাতায় ছেয়ে যায়। ময়লা-আবর্জনার সাথে ঝোপ-ঝাড়-জঙ্গলে পরিণত হয় কবরস্থানটি। মৃত ব্যক্তিদের কবর দেওয়ার পরিবেশও নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। এ অবস্থা দেখে স্থানীয় নজরুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শাহিন উদ্দিন,জলিল,জাফর আলম,ইমরান আল মাহমুদ, আমিন উল্লাহ,রবিউল ইসলাম, নয়ন সহ কয়েকজন যুবক স্বেচ্ছায় কবরস্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেন। তাদের দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে ১০-১২ জন যুবক প্রতি শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরলসভাবে কবরস্থান পরিস্কারের কাজ করার প্রতিজ্ঞা করেন। যুবক দলটি জানায়, কোনো চাঁদা কিংবা কারো সহায়তায় নয়, নিজেরাই স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান পরিস্কার করছেন। সেচ্ছাসেবী নজরুল ইসলাম বলেন,মুসলিম বা হিন্দু ধর্মের, কিন্তু সেটা আমার কাছে বড় বিষয় নয়, আমি মানব সেবায় কোনো ধর্ম বর্ণ বিবেচনা করি না। আমি সবসময় মনে করি আমরা সবাই মানুষ আর মানব সেবার মাধ্যমেই সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়া যায় বলে আমি বিশ্বাষ করি। তাই কোনো ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ চিন্তা না করে আমরা কবরস্থান ও শশ্মানের আবর্জনা পরিস্কার করছি। আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা সমাজের অনেক সমস্যার সমাধানে কর্তৃপক্ষের অপেক্ষায় থাকি। কিন্তু আমরা যদি একটু চিন্তা করে তাদের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের উদ্যোগে কাজ করি, তাহলে সেই সকল সমস্যাও দ্রুত সমাধান হতে পারে। আর এই চিন্তা ধারার বহিঃপ্রকাশ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমাদের এ পদক্ষেপ।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×