হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

রামুর চাকমারকুলে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৫০ লিটার মদ উদ্ধার

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:৪১ অপরাহ্ন

সোয়েব সাঈদ, রামু::

রামুর চাকমারকুলে মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার। এসময় ১৫০ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় চাকমারকুল ইউনিয়নের শাহমদের পাড়া এলাকায় পরিষদের সকল গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় জনৈক হাজ¦ী আবদুল জব্বারের বাগানে নির্মিত টংঘরে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় আস্তানায় থাকা মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারিরা পালিয়ে যান। পরে টং ঘরের আদলে নির্মিত ওই আস্তানাটি পুড়িয়ে দেয় জনতা।
চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওই এলাকার বাসিন্দা শফি আলম ও এবাদুল্লাহ টংঘর বানিয়ে তাতে রমরমা মদের আসর ও বেচা-কেনা করে আসছিলো। শুক্রবার বিকালে এনিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে তিনি পরিষদের সকল গ্রাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযানে যান। অভিযান চলাকালে শফি আলম ও এবাদুল্লাহ এবং মদ পানে লিপ্ত প্রায় ৩০ জন ব্যক্তি পালিয়ে যান।
চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার আরও জানান- এসব আস্তানায় আসা লোকজন মদ ও ইয়াবা সেবন করে এলাকায় চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপকর্ম সংগঠিত করছে। মদের আড়ালে চরছে ইয়াবা ব্যবসা ও সেবন। এখানে আসা মাদকসেবিরা এলাকার লোকজনের সর্বস্ব লুট, স্কুল-মাদ্রাসার ছাত্রীদের উত্যক্তও করে থাকে। চাকমারকুল ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে তিনি এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যাবেন। ভবিষ্যতে ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে তিনি জেলা প্রশাসন, ইউএনওসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এছাড়া সরকারি খাস জমিতে সৃজন করা উম গাছের বাগান উচ্ছেদের জন্য তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, চাকমারকুল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক শক্তিশালী চক্র বাংলা মদ (তারি), ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। তাদের মাদক ব্যবসার কারণে বর্তমানে পুরো এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ইতিপূর্বেও চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার এসব এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল বাংলা মদ (তারি) এবং ইয়াবা উদ্ধার এবং এসব ব্যবসায় জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আবারো এ অভিযান পরিচালনা করায় চেয়ারম্যানসহ পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদারের সাহসী পদক্ষেপ এর ফলে এলাকাটি মাদকমুক্ত হবে, এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

🔗 আরও পড়ুন:

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

রামুর চাকমারকুলে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৫০ লিটার মদ উদ্ধার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

রামুর চাকমারকুলে ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ১৫০ লিটার মদ উদ্ধার

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
Print Image
সোয়েব সাঈদ, রামু:: রামুর চাকমারকুলে মাদকের আস্তানায় অভিযান চালিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার। এসময় ১৫০ লিটার বাংলা মদ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় চাকমারকুল ইউনিয়নের শাহমদের পাড়া এলাকায় পরিষদের সকল গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় জনৈক হাজ¦ী আবদুল জব্বারের বাগানে নির্মিত টংঘরে এ অভিযান চালানো হয়। এসময় আস্তানায় থাকা মাদক ব্যবসায়ি ও সেবনকারিরা পালিয়ে যান। পরে টং ঘরের আদলে নির্মিত ওই আস্তানাটি পুড়িয়ে দেয় জনতা। চাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার জানিয়েছেন, সম্প্রতি ওই এলাকার বাসিন্দা শফি আলম ও এবাদুল্লাহ টংঘর বানিয়ে তাতে রমরমা মদের আসর ও বেচা-কেনা করে আসছিলো। শুক্রবার বিকালে এনিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ পেয়ে তিনি পরিষদের সকল গ্রাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অভিযানে যান। অভিযান চলাকালে শফি আলম ও এবাদুল্লাহ এবং মদ পানে লিপ্ত প্রায় ৩০ জন ব্যক্তি পালিয়ে যান। চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার আরও জানান- এসব আস্তানায় আসা লোকজন মদ ও ইয়াবা সেবন করে এলাকায় চুরি-ডাকাতিসহ নানা অপকর্ম সংগঠিত করছে। মদের আড়ালে চরছে ইয়াবা ব্যবসা ও সেবন। এখানে আসা মাদকসেবিরা এলাকার লোকজনের সর্বস্ব লুট, স্কুল-মাদ্রাসার ছাত্রীদের উত্যক্তও করে থাকে। চাকমারকুল ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে তিনি এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চালিয়ে যাবেন। ভবিষ্যতে ইউনিয়নকে মাদকমুক্ত করতে তিনি জেলা প্রশাসন, ইউএনওসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এছাড়া সরকারি খাস জমিতে সৃজন করা উম গাছের বাগান উচ্ছেদের জন্য তিনি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, চাকমারকুল ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক শক্তিশালী চক্র বাংলা মদ (তারি), ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। তাদের মাদক ব্যবসার কারণে বর্তমানে পুরো এলাকা মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত হয়েছে। ইতিপূর্বেও চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদার এসব এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল বাংলা মদ (তারি) এবং ইয়াবা উদ্ধার এবং এসব ব্যবসায় জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ করেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় আবারো এ অভিযান পরিচালনা করায় চেয়ারম্যানসহ পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম সিকদারের সাহসী পদক্ষেপ এর ফলে এলাকাটি মাদকমুক্ত হবে, এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×