হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

চকরিয়া হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের বালু মহাল ইজারা স্থগিত, রক্ষাপাবে বিপুল জায়গা জমি ও জনবসতি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৪০ অপরাহ্ন

ইউপি চেয়ারম্যানের আবেদনে উপকৃত এলাকাবাসি

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজের আবেদনের প্রক্ষিতে এবছর উপজেলার হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং-৩) সরকারি বালু মহালটি অবশেষে ইজারা দেওয়া স্থগিত করেছেন জেলা প্রশাসন।

 

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বালু মহাল ইজারা কার্যক্রমে চকরিয়া উপজেলাসহ জেলার সবকটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হলেও এবছর আর ইজারা দেওয়া হয়নি চকরিয়া উপজেলার হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং-৩) সরকারি বালু মহালটি।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ।

আরও পড়ুন

কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতির দাবিও

ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ বলেন, হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং -৩) বালু মহালটি জেলা প্রশাসন থেকে প্রতিবছর ইজারা দেওয়া হতো।এতে জেলা প্রশাসন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতো। কিন্তু মহাসড়কের পাশে এ পয়েন্টের ছড়াখাল থেকে বালু উত্তোলনের কারণে হারবাং লালব্রীজ এলাকার আশপাশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের জনগণের জায়গা জমি ও বাড়িভিটা ভেঙে ছড়াখালে বিলীন হয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল।

তিনি বলেন, গতবছর বিষয়টি স্থানীয় লোকজন থেকে জানতে পেরে তৎকালীন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ানকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সেসময় ইউএনও জেপি দেওয়ানকে জনগণের যানমালের নিরাপত্তার সুরক্ষার স্বার্থে পরবর্তী বছর থেকে হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের বালু মহালটি ইজারা কার্যক্রমের আওতায় না আনতে অনুরোধ জানাই।

হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ বলেন, আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন ইউএনও জেপি দেওয়ান কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের দপ্তরে বিষয়টির আলোকে সুপারিশ করেন। এরই ফলশ্রুতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনে অনুষ্ঠিত বালু মহাল ইজারা কার্যক্রমে চকরিয়া উপজেলাসহ জেলার সবকটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হলেও এবছর আর ইজারা দেওয়া হয়নি চকরিয়া উপজেলার হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং-৩) বালু মহালটি।

জনগণের জায়গা জমি ও বাড়িভিটাসহ যানমালের নিরাপত্তার সুরক্ষাকল্পে একটি কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করায় আমি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান, তৎকালীন ইউএনও জেপি দেওয়ান ও বর্তমান চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ফখরুল ইসলাম এর কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ এই একটি ভালো কাজের বদৌলতে উপকৃত হবে স্থানীয় এলাকাবাসী। ##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

চকরিয়া হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের বালু মহাল ইজারা স্থগিত, রক্ষাপাবে বিপুল জায়গা জমি ও জনবসতি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

চকরিয়া হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের বালু মহাল ইজারা স্থগিত, রক্ষাপাবে বিপুল জায়গা জমি ও জনবসতি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৪০ অপরাহ্ন
Print Image
ইউপি চেয়ারম্যানের আবেদনে উপকৃত এলাকাবাসি চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজের আবেদনের প্রক্ষিতে এবছর উপজেলার হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং-৩) সরকারি বালু মহালটি অবশেষে ইজারা দেওয়া স্থগিত করেছেন জেলা প্রশাসন।   বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বালু মহাল ইজারা কার্যক্রমে চকরিয়া উপজেলাসহ জেলার সবকটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হলেও এবছর আর ইজারা দেওয়া হয়নি চকরিয়া উপজেলার হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং-৩) সরকারি বালু মহালটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ। ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ বলেন, হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং -৩) বালু মহালটি জেলা প্রশাসন থেকে প্রতিবছর ইজারা দেওয়া হতো।এতে জেলা প্রশাসন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করতো। কিন্তু মহাসড়কের পাশে এ পয়েন্টের ছড়াখাল থেকে বালু উত্তোলনের কারণে হারবাং লালব্রীজ এলাকার আশপাশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ স্থানীয় কয়েকটি গ্রামের জনগণের জায়গা জমি ও বাড়িভিটা ভেঙে ছড়াখালে বিলীন হয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছিল। তিনি বলেন, গতবছর বিষয়টি স্থানীয় লোকজন থেকে জানতে পেরে তৎকালীন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেপি দেওয়ানকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। সেসময় ইউএনও জেপি দেওয়ানকে জনগণের যানমালের নিরাপত্তার সুরক্ষার স্বার্থে পরবর্তী বছর থেকে হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের বালু মহালটি ইজারা কার্যক্রমের আওতায় না আনতে অনুরোধ জানাই। হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মেহেরাজ উদ্দিন মিরাজ বলেন, আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন ইউএনও জেপি দেওয়ান কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের দপ্তরে বিষয়টির আলোকে সুপারিশ করেন। এরই ফলশ্রুতিতে গতকাল বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনে অনুষ্ঠিত বালু মহাল ইজারা কার্যক্রমে চকরিয়া উপজেলাসহ জেলার সবকটি বালু মহাল ইজারা দেওয়া হলেও এবছর আর ইজারা দেওয়া হয়নি চকরিয়া উপজেলার হারবাং লালব্রীজ পয়েন্টের (হারবাং-৩) বালু মহালটি। জনগণের জায়গা জমি ও বাড়িভিটাসহ যানমালের নিরাপত্তার সুরক্ষাকল্পে একটি কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহন করায় আমি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহীন ইমরান, তৎকালীন ইউএনও জেপি দেওয়ান ও বর্তমান চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ফখরুল ইসলাম এর কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ এই একটি ভালো কাজের বদৌলতে উপকৃত হবে স্থানীয় এলাকাবাসী। ##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×