হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

দ.কোরিয়ান গান শোনা ও সিনেমা দেখায় উ.কোরিয়ায় যুবকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪, ০৩:০৮ অপরাহ্ন


পিয়ং ইয়াং, ২৯ জুন – বিদেশি গান বা সিনেমা দেখলেই পেতে হচ্ছে কঠোর সাজা। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, সেসব গান-সিনেমা পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা।

তাই যারাই গান শুনছেন বা সিনেমা দেখছেন, তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে। শরিয়া আইনে পরিচালিত না হয়েও বছরের পর বছর এমনই কাণ্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে এশিয়ারই এক দেশ।

আর নীরবে এসব ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে দেশটির নাগরিকরা। এমনই কয়েকজন চাক্ষুস সাক্ষীর চাঞ্চল্যকর বয়ান সামনে আসতেই হইচই পড়ে গেছে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

বিদেশি গান শোনা বা সিনেমা দেখা যাবে না, দেখলেই গুলি খেয়ে মরতে হবে। এমন ভীতিকর পরিবেশ থেকে বাঁচতে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছেন অনেকে। আশ্রয় নিয়েছেন প্রতিবেশী দেশে। এরপর প্রকাশ্যে এনেছেন এসব ঘটনা।

উত্তর কোরিয়ার এসব ঘটনা দুনিয়ার সামনে তুলে ধরেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয়। দক্ষিণ কোরিয়ার গান শোনা বা সিনেমা দেখায় নিজ দেশের নাগরিকদের পাখির মতো গুলি করে মারছেন কিম জং উন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ‘স্নায়ুযুদ্ধ’ চলছে উত্তর কোরিয়ার। তাই দক্ষিণ কোরিয়ার কোনো কিছুই সহ্য করতে পারেন না কিম জং উন। প্রতিবেশী দেশের ‘প্রোপাগান্ডায়’ ভরা গান বা সিনেমা, তাদের দেশের সংস্কৃতি নষ্ট করছে, তাই কারও কাছে দক্ষিণ কোরিয়া গান-সিনেমা পেলেই কার্যকর করা হয় মৃত্যুদণ্ড। ২০২০ সালে করা একটি আইনের বলে এমন সাজা কার্যকর করে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া।

জনপ্রিয় কে-পপ শোনা, সিনেমা দেখা এবং সেগুলো শেয়ার করার অপরাধে দুই বছর আগে ২২ বছরের এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কিম জং উনের প্রশাসন। উত্তর কোরিয়ার একজন দেশত্যাগীর বর্ণনার ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া জানায়, প্রকাশ্যে বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় ওই যুবককে। বিদেশির সংস্কৃতি দেশের ভেতর আনার অপরাধে ওই শাস্তি কার্যকর করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার মানবাধিকার রিপোর্ট-২০২৪ প্রকাশ করে। সেখানে উত্তর কোরিয়ার ৬৪৯ জন দেশত্যাগীর সাক্ষ্য রয়েছে।

একটি সাক্ষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার ৭০টি গান শোনায়, তিনটি সিনেমা দেখায় এবং সেগুলো বিতরণ করায় ২০২২ সালে দক্ষিণ হোয়ানঘায়ে প্রদেশে ২২ বছরের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

কিম জং উনের বাবা কিম জং ইল উত্তর কোরিয়ায় কে-পপ নিষিদ্ধ করেছিলেন। পশ্চিমা ও তাদের মিত্রদের সংস্কৃতির ‘খারাপ প্রভাব’ থেকে নিজ দেশের জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কিম জং ইল। তার ছেলে কিম জং উন ক্ষমতায় কড়াকড়ি আরও বৃদ্ধি করেন। পাশাপাশি কঠোর একটি আইনও তৈরি করেন। তবে উত্তর কোরিয়ার সরকার সব ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, দেশটির নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এটি একটি ষড়যন্ত্র।

সূত্র: কালবেলা
আইএ/ ২৯ জুন ২০২৪




coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

দ.কোরিয়ান গান শোনা ও সিনেমা দেখায় উ.কোরিয়ায় যুবকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

দ.কোরিয়ান গান শোনা ও সিনেমা দেখায় উ.কোরিয়ায় যুবকের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ জুন ২০২৪, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] পিয়ং ইয়াং, ২৯ জুন – বিদেশি গান বা সিনেমা দেখলেই পেতে হচ্ছে কঠোর সাজা। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, সেসব গান-সিনেমা পশ্চিমাদের প্রোপাগান্ডা।তাই যারাই গান শুনছেন বা সিনেমা দেখছেন, তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছে। শরিয়া আইনে পরিচালিত না হয়েও বছরের পর বছর এমনই কাণ্ড ঘটিয়ে যাচ্ছে এশিয়ারই এক দেশ।আর নীরবে এসব ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে দেশটির নাগরিকরা। এমনই কয়েকজন চাক্ষুস সাক্ষীর চাঞ্চল্যকর বয়ান সামনে আসতেই হইচই পড়ে গেছে।বিদেশি গান শোনা বা সিনেমা দেখা যাবে না, দেখলেই গুলি খেয়ে মরতে হবে। এমন ভীতিকর পরিবেশ থেকে বাঁচতে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছেন অনেকে। আশ্রয় নিয়েছেন প্রতিবেশী দেশে। এরপর প্রকাশ্যে এনেছেন এসব ঘটনা।উত্তর কোরিয়ার এসব ঘটনা দুনিয়ার সামনে তুলে ধরেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয়। দক্ষিণ কোরিয়ার গান শোনা বা সিনেমা দেখায় নিজ দেশের নাগরিকদের পাখির মতো গুলি করে মারছেন কিম জং উন।দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ‘স্নায়ুযুদ্ধ’ চলছে উত্তর কোরিয়ার। তাই দক্ষিণ কোরিয়ার কোনো কিছুই সহ্য করতে পারেন না কিম জং উন। প্রতিবেশী দেশের ‘প্রোপাগান্ডায়’ ভরা গান বা সিনেমা, তাদের দেশের সংস্কৃতি নষ্ট করছে, তাই কারও কাছে দক্ষিণ কোরিয়া গান-সিনেমা পেলেই কার্যকর করা হয় মৃত্যুদণ্ড। ২০২০ সালে করা একটি আইনের বলে এমন সাজা কার্যকর করে যাচ্ছে উত্তর কোরিয়া।জনপ্রিয় কে-পপ শোনা, সিনেমা দেখা এবং সেগুলো শেয়ার করার অপরাধে দুই বছর আগে ২২ বছরের এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কিম জং উনের প্রশাসন। উত্তর কোরিয়ার একজন দেশত্যাগীর বর্ণনার ভিত্তিতে দক্ষিণ কোরিয়া জানায়, প্রকাশ্যে বন্দুকের গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয় ওই যুবককে। বিদেশির সংস্কৃতি দেশের ভেতর আনার অপরাধে ওই শাস্তি কার্যকর করা হয়।দক্ষিণ কোরিয়ার ইউনিফিকেশন মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার মানবাধিকার রিপোর্ট-২০২৪ প্রকাশ করে। সেখানে উত্তর কোরিয়ার ৬৪৯ জন দেশত্যাগীর সাক্ষ্য রয়েছে।একটি সাক্ষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার ৭০টি গান শোনায়, তিনটি সিনেমা দেখায় এবং সেগুলো বিতরণ করায় ২০২২ সালে দক্ষিণ হোয়ানঘায়ে প্রদেশে ২২ বছরের এক যুবককে প্রকাশ্যে গুলি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।কিম জং উনের বাবা কিম জং ইল উত্তর কোরিয়ায় কে-পপ নিষিদ্ধ করেছিলেন। পশ্চিমা ও তাদের মিত্রদের সংস্কৃতির ‘খারাপ প্রভাব’ থেকে নিজ দেশের জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কিম জং ইল। তার ছেলে কিম জং উন ক্ষমতায় কড়াকড়ি আরও বৃদ্ধি করেন। পাশাপাশি কঠোর একটি আইনও তৈরি করেন। তবে উত্তর কোরিয়ার সরকার সব ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, দেশটির নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এটি একটি ষড়যন্ত্র।সূত্র: কালবেলাআইএ/ ২৯ জুন ২০২৪ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×