হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় দুইশো বছর পর খনন হচ্ছে কহল খালী খাল

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন

নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া (কক্সবাজার)::

দীর্ঘ দুইশো বছর পর খনন করা হচ্ছে কক্সবাজারের পেকুয়ায় কহল খালী খাল। নানা আবর্জনায় খালটি ভরাট হয়ে মরা খালে পরিনত হয়েছে। পেকুয়ার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলহাজ কবির আহমদ চৌধুরী বাজার (পেকুয়া বাজার) ঘেঁষে খালটির অবস্থান। পেকুয়া বাজারের পশ্চিম অংশে পাউবোর স্লুইচ গেট হয়ে পেকুয়া বাজার ঘেঁষে খালটি নুইন্যামুইন্যা ব্রীজে ফাঁড়ি খালে গিয়ে মিশেছে। প্রায় দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্য খালটির এক কিলোমিটারের কাছাকাছি অংশ ভরাট হয়ে গেছে।

জানাগেছে, গত ১ জানুয়ারী পেকুয়া কহল খালী খালের খনন কাজ শুরু হয়েছে। দাতা সংস্থা (ডব্লিওএফও) অর্থায়নে প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পেকুয়া বাজার জেনারেল হাসপাতাল থেকে উপজেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পর্যন্ত ১৮৫০ মিটার খাল খনন করা হচ্ছে। ৯ ফুট গভীরতা খালের খনন কাজে একশ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। প্রতিজন শ্রমিক পাঁচশত টাকা মজুরিতে পঞ্চাশ দিন খনন কাজ চালিয়ে যাবেন। এনজিও সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) কহল খালী খালের খনন কাজ বাস্তবায়ন করছেন।

এ ব্যাপারে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার
(রিক) এর প্রকৌশলী হোসনে মুবারক আরমান বলেন,গত ১ জানুয়ারী থেকে খনন কাজ শুরু হয়েছে। দৈনিক একশো জন শ্রমিক কাজে নিয়োজিত আছে। কাজের উপকরণ হিসেবে বিনামূল্যে শ্রমিকদের পোশাক, হাত মৌজা, জুতা, ময়লা টানার হাতল দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কাজের সময় কোন শ্রমিক আহত হলে আহত শ্রমিকের প্রাথমিক চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

জানাগেছে, কহলখালী খালটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ প্রবাহমান খাল। বৃটিশ সরকার খালটি খনন করেছিল। এটির অবস্থান এক সময় পেকুয়া বাজার ঘেঁষে ফাঁড়ি খালে গিয়ে শেষ হয়েছে। কালের পরিক্রমায় বর্তমানে খালটি পেকুয়া বাজারের মাঝামাঝি অংশে। খালের দু পাড়ে গড়ে উঠেছে একাধিক বহুতলা বাণিজ্যিক কেন্দ্র, শপিংমল, একাধিক হাসপাতাল। এছাড়া থানা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স, শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সেবামুলক প্রতিষ্ঠান ঘেঁষে খালটির অবস্থান।

স্থানীয় আহমদ হোসেন, কবির আহমদ বলেন,এক সময় কহল খালী খালে স্রোত ছিল। জোয়ার-ভাটা এ খাল দিয়ে নৌকা সাম্পান চলত। দীর্ঘদিন খনন না করায় এটি ময়লা আবর্জনায় ভরপুর ছিল। আশা করছি খনন করলে খালটি আগের গতি ফিরে পাবে।
###

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

পেকুয়ায় দুইশো বছর পর খনন হচ্ছে কহল খালী খাল

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় দুইশো বছর পর খনন হচ্ছে কহল খালী খাল

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
Print Image
নাজিম উদ্দিন, পেকুয়া (কক্সবাজার):: দীর্ঘ দুইশো বছর পর খনন করা হচ্ছে কক্সবাজারের পেকুয়ায় কহল খালী খাল। নানা আবর্জনায় খালটি ভরাট হয়ে মরা খালে পরিনত হয়েছে। পেকুয়ার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র আলহাজ কবির আহমদ চৌধুরী বাজার (পেকুয়া বাজার) ঘেঁষে খালটির অবস্থান। পেকুয়া বাজারের পশ্চিম অংশে পাউবোর স্লুইচ গেট হয়ে পেকুয়া বাজার ঘেঁষে খালটি নুইন্যামুইন্যা ব্রীজে ফাঁড়ি খালে গিয়ে মিশেছে। প্রায় দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্য খালটির এক কিলোমিটারের কাছাকাছি অংশ ভরাট হয়ে গেছে। জানাগেছে, গত ১ জানুয়ারী পেকুয়া কহল খালী খালের খনন কাজ শুরু হয়েছে। দাতা সংস্থা (ডব্লিওএফও) অর্থায়নে প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পেকুয়া বাজার জেনারেল হাসপাতাল থেকে উপজেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স পর্যন্ত ১৮৫০ মিটার খাল খনন করা হচ্ছে। ৯ ফুট গভীরতা খালের খনন কাজে একশ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন। প্রতিজন শ্রমিক পাঁচশত টাকা মজুরিতে পঞ্চাশ দিন খনন কাজ চালিয়ে যাবেন। এনজিও সংস্থা রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) কহল খালী খালের খনন কাজ বাস্তবায়ন করছেন। এ ব্যাপারে রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক) এর প্রকৌশলী হোসনে মুবারক আরমান বলেন,গত ১ জানুয়ারী থেকে খনন কাজ শুরু হয়েছে। দৈনিক একশো জন শ্রমিক কাজে নিয়োজিত আছে। কাজের উপকরণ হিসেবে বিনামূল্যে শ্রমিকদের পোশাক, হাত মৌজা, জুতা, ময়লা টানার হাতল দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কাজের সময় কোন শ্রমিক আহত হলে আহত শ্রমিকের প্রাথমিক চিকিৎসাও দেওয়া হয়েছে। জানাগেছে, কহলখালী খালটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ প্রবাহমান খাল। বৃটিশ সরকার খালটি খনন করেছিল। এটির অবস্থান এক সময় পেকুয়া বাজার ঘেঁষে ফাঁড়ি খালে গিয়ে শেষ হয়েছে। কালের পরিক্রমায় বর্তমানে খালটি পেকুয়া বাজারের মাঝামাঝি অংশে। খালের দু পাড়ে গড়ে উঠেছে একাধিক বহুতলা বাণিজ্যিক কেন্দ্র, শপিংমল, একাধিক হাসপাতাল। এছাড়া থানা, উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্স, শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা ও সেবামুলক প্রতিষ্ঠান ঘেঁষে খালটির অবস্থান। স্থানীয় আহমদ হোসেন, কবির আহমদ বলেন,এক সময় কহল খালী খালে স্রোত ছিল। জোয়ার-ভাটা এ খাল দিয়ে নৌকা সাম্পান চলত। দীর্ঘদিন খনন না করায় এটি ময়লা আবর্জনায় ভরপুর ছিল। আশা করছি খনন করলে খালটি আগের গতি ফিরে পাবে। ###

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×