হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পর্নোগ্রাফিতে ১৫ বছরের কিশোরী, টার্গেট শিক্ষক-শিক্ষার্থী

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৭ অপরাহ্ন


টাঙ্গাইল, ২৯ জানুয়ারি – পর্নোগ্রাফিতে মাত্র পনের বছরের এক কিশোরীর নাম ওঠায় তোলপাড় টাঙ্গাইল। টার্গেট ছিল টাঙ্গাইলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আর শিক্ষার্থী। ছবি এডিট করে নগ্ন ভিডিও বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা হতো। গ্রেফতারের পর রীতিমতো বিস্মিত পুলিশ। অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দীর্ঘ দিন ধরেই ভূঞাপুরের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছিলেন আপত্তিকর মেসেজ। শিকার হচ্ছিলেন ব্ল্যাকমেইলের। ভুক্তভোগীরা জানালেন, বিভিন্ন গ্রুপ থেকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে প্রথমে আসত নক। পাঠানো হতো এডিটেড ছবির নগ্ন ভিডিও। এরপর ভয় ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি জানা যাচ্ছিল না তারা আসলে কারা।

আরও পড়ুন

কানাডার নতুন বাজেটে কার ভাগ্যে কতটা প্রাপ্তি

নিরাপত্তার স্বার্থে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, আর যারা ভুক্তভোগী তারা তো এসএসসি পরীক্ষার্থী। মেয়েরা এবং কিছু টিচার এদেরকে নিয়ে ছবি নিয়ে ভিডিও বানানো হয়েছে। পর্নোগ্রাফি ভিডিও।

নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ে আমাকে বলে এগুলা যদি ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আমি কিন্তু সুইসাইড করব। বের করতে না পারলেও আমি কিন্তু মুখ দেখাতে পারব না।

বিষয়টি জানার পর প্রতিকারের চেষ্টা করেন এক মানবাধিকার কর্মী। তাকেও দেয়া হয় হুমকি ধামকি।

ভুঞাপুর থানার দায়িত্বরত ওসি এ বিষয়ে বলেন, যে মেয়েই তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরই মানে বলতেছে যে আমি ডাউনলোড দিতেছি তোরটা। কালকে আসছে তার মোবাইল। ল্যাপটপ সবকিছু আমরা জব্দ করে নিয়ে আসি। এক পর্যায়ে আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে পাই যে এই মেয়ে এগুলা করছে।

একজন কিশোরীর এতবড় অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় হতবাক সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, অল্পবয়সীদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেয়ায় বাড়ছে ঝুঁকি। সচেতন থাকতে হবে অভিভাবকদের।

এ বিষয়ে একজন সচেতন নাগরিক বলেন, শিক্ষক ফ্যামিলির মেয়ে আর মেয়ের বয়স আনুমানিক ১৫ বছর। এত অল্প বয়সে একটা মেয়ে এই ধরনের একটা নিন্দনীয় কাজের সাথে সম্পৃক্ত। এটা আসলে মেনে নেয়ার মতো না।

আরেকজন জানান, প্রযুক্তি কতটা অত্যাধুনিক এটাও একটা ব্যাপার। মানুষের জন্য অনেক ক্ষতিকর এটা তো ঠিক না। এদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা করা দরকার।

সূত্র : যমুনা টেলিভিশন


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পর্নোগ্রাফিতে ১৫ বছরের কিশোরী, টার্গেট শিক্ষক-শিক্ষার্থী

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পর্নোগ্রাফিতে ১৫ বছরের কিশোরী, টার্গেট শিক্ষক-শিক্ষার্থী

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] টাঙ্গাইল, ২৯ জানুয়ারি – পর্নোগ্রাফিতে মাত্র পনের বছরের এক কিশোরীর নাম ওঠায় তোলপাড় টাঙ্গাইল। টার্গেট ছিল টাঙ্গাইলের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আর শিক্ষার্থী। ছবি এডিট করে নগ্ন ভিডিও বানিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা হতো। গ্রেফতারের পর রীতিমতো বিস্মিত পুলিশ। অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।দীর্ঘ দিন ধরেই ভূঞাপুরের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা পাচ্ছিলেন আপত্তিকর মেসেজ। শিকার হচ্ছিলেন ব্ল্যাকমেইলের। ভুক্তভোগীরা জানালেন, বিভিন্ন গ্রুপ থেকে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে প্রথমে আসত নক। পাঠানো হতো এডিটেড ছবির নগ্ন ভিডিও। এরপর ভয় ভীতি দেখিয়ে টাকা দাবি জানা যাচ্ছিল না তারা আসলে কারা।নিরাপত্তার স্বার্থে নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান, আর যারা ভুক্তভোগী তারা তো এসএসসি পরীক্ষার্থী। মেয়েরা এবং কিছু টিচার এদেরকে নিয়ে ছবি নিয়ে ভিডিও বানানো হয়েছে। পর্নোগ্রাফি ভিডিও।নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ে আমাকে বলে এগুলা যদি ছড়িয়ে পড়ে তাহলে আমি কিন্তু সুইসাইড করব। বের করতে না পারলেও আমি কিন্তু মুখ দেখাতে পারব না।বিষয়টি জানার পর প্রতিকারের চেষ্টা করেন এক মানবাধিকার কর্মী। তাকেও দেয়া হয় হুমকি ধামকি।ভুঞাপুর থানার দায়িত্বরত ওসি এ বিষয়ে বলেন, যে মেয়েই তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তাদেরই মানে বলতেছে যে আমি ডাউনলোড দিতেছি তোরটা। কালকে আসছে তার মোবাইল। ল্যাপটপ সবকিছু আমরা জব্দ করে নিয়ে আসি। এক পর্যায়ে আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে পাই যে এই মেয়ে এগুলা করছে।একজন কিশোরীর এতবড় অপরাধে জড়িয়ে পড়ায় হতবাক সাধারণ মানুষ। তারা বলছেন, অল্পবয়সীদের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেয়ায় বাড়ছে ঝুঁকি। সচেতন থাকতে হবে অভিভাবকদের।এ বিষয়ে একজন সচেতন নাগরিক বলেন, শিক্ষক ফ্যামিলির মেয়ে আর মেয়ের বয়স আনুমানিক ১৫ বছর। এত অল্প বয়সে একটা মেয়ে এই ধরনের একটা নিন্দনীয় কাজের সাথে সম্পৃক্ত। এটা আসলে মেনে নেয়ার মতো না।আরেকজন জানান, প্রযুক্তি কতটা অত্যাধুনিক এটাও একটা ব্যাপার। মানুষের জন্য অনেক ক্ষতিকর এটা তো ঠিক না। এদের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা করা দরকার।সূত্র : যমুনা টেলিভিশন [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×