হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিভীষিকাময় পরিস্থিতি আমাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:০৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি – কখনও কখনও বাস্তব জীবনের গল্প হার মানায় সিনেমার গল্পকেও। আর সেখানে যদি পাত্র-পাত্রী হয় সিনেমারই মানুষ তাহলে কেমন হয় বলুনতো?

আরও পড়ুন

হত্যাচেষ্টা মামলায় পরীমণির জামিন বাতিল, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

সম্প্রতি নায়িকা সাদিকা পারভীন পপির গল্প যারা শুনেছেন তারা হয়তো কিছুটা আঁচ করতে পারবেন।

পপি নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শক্ত একটি জায়গা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই সিনেমা থেকে হারিয়ে যান তিনি।

বিভিন্ন সময়ে পপি বলেছেন, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে একেবারেই কথা বলতে চান না। কিন্তু যার কপালে একবার তারকা খেতাব জুটে যায়, তাকে নিয়ে তো কথা হবেই। পপিকে নিয়েও কথা হয়েছে বিস্তর। তবে তিনি নিজে কিছু বলেননি কখনও।

অবশেষে চার বছর আড়ালে থাকার পর মা ও বোনের জেরে, থানায় জিডির খবর দিয়ে আবারও প্রকাশ্যে আসে পপি সমাচার।

পপির ভাষ্যমতে, তার বিয়ের পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ২০১৯ সালে বাসায় একটা ‘ভয়াবহ দুর্ঘটনা’ ঘটে। সেদিন অনেক বড় অঙ্কের টাকা চুরি হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় জিডি করেন। পরে তাকে রমনা থানায় ডাকা হয়।

পপি বলেন, ‘সেদিন আদনানকেও ডাকি। থানায় গিয়ে দেখলাম, আমার ভাইবোনেরা। ঘটনাচক্রে জীবন নিয়ে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। মনে হলো, আমি কারও কাছে নিরাপদ নই। ফিল্মের কাজে সবার সঙ্গে মিশেছি ঠিকই, কিন্তু আপনজন কেউ ছিল না। বরাবরই আমি পরিবার অন্তঃপ্রাণ মানুষ। অথচ এই আমার কাছে পরিবারের সবাই অচেনা হয়ে গেল। সম্পত্তি ও টাকাপয়সা নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। জটিলতার এই পুরো সময়ে আদনান আমাকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছে। কোনো জটিলতাই আমাকে স্পর্শ করতে দেয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময়ে এমন একজন বন্ধুকে যদি না পেতাম, আমার জীবনটাই বিপন্ন হয়ে যেত। ২০২০ সালের দিকে আবার জটিলতা শুরু হয়। তখনো ভাবলাম, আমাকে মা-বোনেরা বাঁচতে দেবে না। বাসা থেকে বের হয়ে পড়ি। যোগাযোগ করি আদনানের সঙ্গে। এরপর আমার জায়গাজমির দলিল, ব্যাংকের কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করি। বলতে পারেন, রীতিমতো জীবন বাঁচাতে বাসা থেকে পালিয়ে গেলাম। তখন আমার সামনে দুটি পথ খোলা, হয় আত্মহত্যা করতে হতো, নয়তো ওদের হাতে খুন হয়ে যেতে হতো’

স্বামী আদনানই তাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন বলে জানান পপি। তিনি এও জানান, এই পরিস্থিতিতে তিনি বিয়ে করতে বাধ্য হন।

পপির ভাষ্যে, ‘২০২০ সালের নভেম্বরে বিয়ে করি বাসায় কাজি ডেকে। আমার আত্মীয়স্বজন ছিলেন। এটা সত্য, বিয়েতে আমার মাকে ডাকিনি। হয়তো এটা বিশ্বাস করবে না কেউ, কিন্তু এটাই সত্য, আমার মা চাইত না আমি বিয়ে করে সংসারী হই।’

বলা প্রয়োজন, সালমান শাহ মারা যাওয়ার পর সালমান-শাবনূর জুটি ভেঙে যায়। সেসময় শাকিল খান-পপির জুটি তুমুল হিট হয়। একের পর এক তারা দিয়েছেন ব্যবসাসফল সিনেমা। সেই সুবাদে পপি ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে একজন শক্তিশালী অভিনেত্রীর তকমাও পেয়ে যান।

একটা সময় শাকিল খানের সঙ্গে গভীর প্রেমের কথাও চাউর হয় মিডিপাড়ায়। এমনকি শাকিল খান দাবি করে বসেন, তিনি পপিকে বিয়ে করেছেন।

পপি অবশ্য এই দাবি অস্বীকার করেছেন সবসময়। সেখান থেকেই ভেঙে যায় শাকিল-পপি জুটি।

উল্লেখ্য, ‘রানীকুঠির বাকী ইতিহাস’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘গঙ্গাযাত্রা’ সিনেমার মত বেশকিছু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি নায়িকা থেকে ‘অভিনেত্রীর’র খেতাব পান। এমনকি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন পপি।

আইএ/ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

 


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

বিনোদন
Card Image

বিভীষিকাময় পরিস্থিতি আমাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিভীষিকাময় পরিস্থিতি আমাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:০৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি – কখনও কখনও বাস্তব জীবনের গল্প হার মানায় সিনেমার গল্পকেও। আর সেখানে যদি পাত্র-পাত্রী হয় সিনেমারই মানুষ তাহলে কেমন হয় বলুনতো?সম্প্রতি নায়িকা সাদিকা পারভীন পপির গল্প যারা শুনেছেন তারা হয়তো কিছুটা আঁচ করতে পারবেন।পপি নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শক্ত একটি জায়গা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই সিনেমা থেকে হারিয়ে যান তিনি।বিভিন্ন সময়ে পপি বলেছেন, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে একেবারেই কথা বলতে চান না। কিন্তু যার কপালে একবার তারকা খেতাব জুটে যায়, তাকে নিয়ে তো কথা হবেই। পপিকে নিয়েও কথা হয়েছে বিস্তর। তবে তিনি নিজে কিছু বলেননি কখনও।অবশেষে চার বছর আড়ালে থাকার পর মা ও বোনের জেরে, থানায় জিডির খবর দিয়ে আবারও প্রকাশ্যে আসে পপি সমাচার।পপির ভাষ্যমতে, তার বিয়ের পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু ২০১৯ সালে বাসায় একটা ‘ভয়াবহ দুর্ঘটনা’ ঘটে। সেদিন অনেক বড় অঙ্কের টাকা চুরি হয়। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে থানায় জিডি করেন। পরে তাকে রমনা থানায় ডাকা হয়।পপি বলেন, ‘সেদিন আদনানকেও ডাকি। থানায় গিয়ে দেখলাম, আমার ভাইবোনেরা। ঘটনাচক্রে জীবন নিয়ে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। মনে হলো, আমি কারও কাছে নিরাপদ নই। ফিল্মের কাজে সবার সঙ্গে মিশেছি ঠিকই, কিন্তু আপনজন কেউ ছিল না। বরাবরই আমি পরিবার অন্তঃপ্রাণ মানুষ। অথচ এই আমার কাছে পরিবারের সবাই অচেনা হয়ে গেল। সম্পত্তি ও টাকাপয়সা নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। জটিলতার এই পুরো সময়ে আদনান আমাকে ছায়ার মতো আগলে রেখেছে। কোনো জটিলতাই আমাকে স্পর্শ করতে দেয়নি।’তিনি আরও বলেন, ‘ওই সময়ে এমন একজন বন্ধুকে যদি না পেতাম, আমার জীবনটাই বিপন্ন হয়ে যেত। ২০২০ সালের দিকে আবার জটিলতা শুরু হয়। তখনো ভাবলাম, আমাকে মা-বোনেরা বাঁচতে দেবে না। বাসা থেকে বের হয়ে পড়ি। যোগাযোগ করি আদনানের সঙ্গে। এরপর আমার জায়গাজমির দলিল, ব্যাংকের কাগজপত্র ও প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করি। বলতে পারেন, রীতিমতো জীবন বাঁচাতে বাসা থেকে পালিয়ে গেলাম। তখন আমার সামনে দুটি পথ খোলা, হয় আত্মহত্যা করতে হতো, নয়তো ওদের হাতে খুন হয়ে যেতে হতো’স্বামী আদনানই তাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছিলেন বলে জানান পপি। তিনি এও জানান, এই পরিস্থিতিতে তিনি বিয়ে করতে বাধ্য হন।পপির ভাষ্যে, ‘২০২০ সালের নভেম্বরে বিয়ে করি বাসায় কাজি ডেকে। আমার আত্মীয়স্বজন ছিলেন। এটা সত্য, বিয়েতে আমার মাকে ডাকিনি। হয়তো এটা বিশ্বাস করবে না কেউ, কিন্তু এটাই সত্য, আমার মা চাইত না আমি বিয়ে করে সংসারী হই।’বলা প্রয়োজন, সালমান শাহ মারা যাওয়ার পর সালমান-শাবনূর জুটি ভেঙে যায়। সেসময় শাকিল খান-পপির জুটি তুমুল হিট হয়। একের পর এক তারা দিয়েছেন ব্যবসাসফল সিনেমা। সেই সুবাদে পপি ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রিতে একজন শক্তিশালী অভিনেত্রীর তকমাও পেয়ে যান।একটা সময় শাকিল খানের সঙ্গে গভীর প্রেমের কথাও চাউর হয় মিডিপাড়ায়। এমনকি শাকিল খান দাবি করে বসেন, তিনি পপিকে বিয়ে করেছেন।পপি অবশ্য এই দাবি অস্বীকার করেছেন সবসময়। সেখান থেকেই ভেঙে যায় শাকিল-পপি জুটি।উল্লেখ্য, ‘রানীকুঠির বাকী ইতিহাস’, ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘গঙ্গাযাত্রা’ সিনেমার মত বেশকিছু সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি নায়িকা থেকে ‘অভিনেত্রীর’র খেতাব পান। এমনকি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন পপি।আইএ/ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫  [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×