হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

পেকুয়ায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগে প্রতিবন্ধী আটক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫, ১০:০২ অপরাহ্ন

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৭ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক শারীরিক প্রতিবন্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে পেকুয়া থানার পুলিশ উপজেলা মগনামা ইউনিয়নের জেটিঘাট থেকে তাকে আটক করে।

আটককৃত ব্যক্তির নাম মকছুদ আগমদ (৪৭)। তিনি ওই ইউনিয়নের ফতেহ আলী মার পাড়ার মৃত গুরামিয়ার পুত্র। পেকুয়া থানার এসআই রুহুল আমিন এর নেতৃত্বে একটি টিম তাকে আটক করে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী মকছুদ আহমদকে আটক নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।

স্থানীয়সুত্রে জানাগেছে, ঘটনার দিন সকালে মগনামা জেটিঘাট স্টেশনের পুর্ব পাশে ‘মগনামা প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমবায় সমিতির কার্যালয়ে’ ৭বছর বয়সী এক শিশু কণ্যাকে যৌণ হয়রানির চেষ্টা চালানো হয়েছে। এসময় শিশুর চাচা উত্তেজিত হয়ে সেখানে মকছুদকে মারধর করে। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন জড়ো হন। এসময় শিশুর চাচা আরমান যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলে তাকে অবরুদ্ধ করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মকছুদকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ভিকটিমকে উদ্ধার করে পুলিশ পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

ভিকটিমের চাচা ফোরকান বলেন, মেয়েটি জেটিঘাট নুরানী মাদরাসায় পড়ে। সকালে মাদরাসা গিয়েছিল। বাড়িতে আসার সময় তাকে ফুসলিয়ে প্রতিবন্ধীর কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে যৌন হয়রানি করে। আমরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলি।

মগনামা জেটিঘাটের ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী মুহাম্মদ সেলিম বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক। খবর পেয়ে আমরা প্রচুর লোকজন সেখানে গিয়েছি। এসময় মকছুদকে একা অবস্থায় ওই অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখতে দেখেছি। ভিকটিম সেখানে ছিলনা। পুলিশ এসে মকছুদ ও মেয়েকে থানায় নিয়ে যায়। মকছুদ একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। যারা তাকে অভিযোগে মারধর করেছে এদের সাথে সম্পত্তির বিরোধ আছে।

এদিকে সাত বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি ও প্রতিবন্ধীকে পুলিশের আটকের ঘটনায় জেটিঘাট এলাকায় তোলপাড় দেখা দিয়েছে। জেটিঘাটের ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পতি ও সাজানো ঘটনা। তাঁরা এ ঘটনায় চরম উদ্বিগ্ন ও হতাশাও ব্যক্ত করেছে। যৌন নিপীড়ন হয়নি দাবি করে শতশত ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এমন ষ্পর্শকাতর ঘটনা সাঁজানো হয়েছে। মুলত পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা।
জায়গার বিরোধ নিয়ে মুলত এ ঘৃনিত নাটক সাজিয়েছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করেছি। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
$##

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

পেকুয়ায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগে প্রতিবন্ধী আটক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

পেকুয়ায় শিশু নিপীড়নের অভিযোগে প্রতিবন্ধী আটক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫, ১০:০২ অপরাহ্ন
Print Image
পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:: কক্সবাজারের পেকুয়ায় ৭ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে এক শারীরিক প্রতিবন্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে পেকুয়া থানার পুলিশ উপজেলা মগনামা ইউনিয়নের জেটিঘাট থেকে তাকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তির নাম মকছুদ আগমদ (৪৭)। তিনি ওই ইউনিয়নের ফতেহ আলী মার পাড়ার মৃত গুরামিয়ার পুত্র। পেকুয়া থানার এসআই রুহুল আমিন এর নেতৃত্বে একটি টিম তাকে আটক করে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী মকছুদ আহমদকে আটক নিয়ে পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। স্থানীয়সুত্রে জানাগেছে, ঘটনার দিন সকালে মগনামা জেটিঘাট স্টেশনের পুর্ব পাশে 'মগনামা প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমবায় সমিতির কার্যালয়ে' ৭বছর বয়সী এক শিশু কণ্যাকে যৌণ হয়রানির চেষ্টা চালানো হয়েছে। এসময় শিশুর চাচা উত্তেজিত হয়ে সেখানে মকছুদকে মারধর করে। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন জড়ো হন। এসময় শিশুর চাচা আরমান যৌন হয়রানির অভিযোগ তোলে তাকে অবরুদ্ধ করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মকছুদকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ভিকটিমকে উদ্ধার করে পুলিশ পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। ভিকটিমের চাচা ফোরকান বলেন, মেয়েটি জেটিঘাট নুরানী মাদরাসায় পড়ে। সকালে মাদরাসা গিয়েছিল। বাড়িতে আসার সময় তাকে ফুসলিয়ে প্রতিবন্ধীর কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে যৌন হয়রানি করে। আমরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলি। মগনামা জেটিঘাটের ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী মুহাম্মদ সেলিম বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক। খবর পেয়ে আমরা প্রচুর লোকজন সেখানে গিয়েছি। এসময় মকছুদকে একা অবস্থায় ওই অফিসে অবরুদ্ধ করে রাখতে দেখেছি। ভিকটিম সেখানে ছিলনা। পুলিশ এসে মকছুদ ও মেয়েকে থানায় নিয়ে যায়। মকছুদ একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। যারা তাকে অভিযোগে মারধর করেছে এদের সাথে সম্পত্তির বিরোধ আছে। এদিকে সাত বছরের শিশুকে যৌন হয়রানি ও প্রতিবন্ধীকে পুলিশের আটকের ঘটনায় জেটিঘাট এলাকায় তোলপাড় দেখা দিয়েছে। জেটিঘাটের ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, এটি পরিকল্পতি ও সাজানো ঘটনা। তাঁরা এ ঘটনায় চরম উদ্বিগ্ন ও হতাশাও ব্যক্ত করেছে। যৌন নিপীড়ন হয়নি দাবি করে শতশত ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে এমন ষ্পর্শকাতর ঘটনা সাঁজানো হয়েছে। মুলত পুলিশকে ভুল তথ্য দিয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা। জায়গার বিরোধ নিয়ে মুলত এ ঘৃনিত নাটক সাজিয়েছে। পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধার করেছি। মামলার প্রক্রিয়া চলছে। $##

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×