রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের আন্দোলনে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ৫ জনের অধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে আহতদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
দুপুর পর্যন্ত র্যাব-পুলিশ-সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০ জন গ্রেপ্তার করেছে। বর্তমানে উখিয়া থানার প্রধান ফটকে শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেনি পেশার লোকজন বিক্ষোভ চলছে। প্রধান ফটকে কয়েক হাজার লোক জড়ো হয়েছে। বর্তমানে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আরিফের সাথে এনসিপি ও উপজেলা বিএনপির নেতৃত্বে বৈঠক চলমান। এখন ও পর্যন্ত কাউকে ছেড়ে দেয়নি পুলিশ।
এনসিপি কেন্দ্রীয় যুগ্ন সদস্য সচিব সুজা উদ্দিন, সংগঠক উমর ফারুক,উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সাদমান জামি চৌধুরী, রামিম ও দুইজন শিক্ষক প্রতিনিধি।
এদের মধ্যে সমন্বয় জিনিয়া,নওশাদ, ছাত্র প্রতিনিধি শামিম ও রানা। তবে বাকীদের নাম ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ
এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসেন মুঠোফোন রিসিভ না করার কারনে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্থানীয় বাংলাদেশি শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন। তবে অর্থ সংকটের কারণে ইউনিসেফসহ কয়েকটি এনজিও সম্প্রতি তাদের চাকরি বাতিল করে। এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে শিক্ষকরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনে নামেন।
এর আগে (১৮ আগস্ট, সোমবার) সকাল ৭টা থেকে তারা কক্সবাজার-টেকনাফ শহিদ এটিএম জাফর আলম মহাসড়ক অবরোধ করেন। টানা পাঁচ ঘণ্টা এই আন্দোলনের কারণে উভয় পাশে শত শত গাড়ি আটকা পড়ে, যাত্রী ও চালকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের দাবি, প্রশাসন সমাধানের আশ্বাস দিলেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে তারা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
স্থানীয় শিক্ষক নেতা সাইদুল ইসলাম শামীম সে সময় বলেছিলেন, আমরা দাবি করছি, চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের পুনর্বহাল করা হোক এবং ক্যাম্পে শিক্ষা কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হোক।




মন্তব্য করুন