হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

তৌহিদ-ইসহাক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আজ, হতে পারে যেসব চুক্তি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৪ আগস্ট – অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং ঢাকায় সফররত পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন। বৈঠকে সম্পর্ক স্বাভাবিকরণে জোর দিতে পারে ঢাকা। অন্যদিকে, ইসলাবাদ সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার বার্তা দিতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই মন্ত্রী শুরুতে একান্তে এবং পরে প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক করবেন। বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তৌহিদ-দারের বৈঠকে ব্যবসা, বিনিয়োগ, সংযুক্তি, কৃষি, নানা পর্যায়ে দুই দেশের লোকজনের চলাচল সুগম করাসহ দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় আলোচনায় থাকবে।

পররাষ্ট্রসচিবদের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বোঝাপড়া ও অভিন্ন স্বার্থে জোর দেবে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের সম্পর্ক যেখানে এসেছে, তা এগিয়ে নিতে হলে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সুরাহা জরুরি।

দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক অমীমাংসিত তিন ঐতিহাসিক ইস্যুকে বাদ দিয়ে হবে না। অমীমাংসিত বিষয়গুলো হলো একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন ও অবিভাজিত সম্পদে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা প্রদান।

দুই দিনের সফরে শনিবার ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এক যুগ পর এটি ছিল পাকিস্তানের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর। সফরের শুরুর দিনে বেশ ব্যস্ত সময় পার করেন ইসহাক দার। শুরুর দিনে তিনি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

গত ২৭ এপ্রিল ইসহাক দারের ঢাকা আসার কথা ছিল। তবে ভারতের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটির সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিলে দারের সফর স্থগিত করে ইসলামাবাদ।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রায় দেড় যুগ পর স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিতে বেশ আগ্রহী ইসলামাবাদ। তারই অংশ হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছর পর গত এপ্রিলে ঢাকায় পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক করে বাংলাদেশ-পাকিস্তান, বৈঠকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ।

কূটনৈতিক অঙ্গন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দুইবার সাক্ষাৎ হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। প্রথমে নিউইয়র্ক ও পরে মিশরে। শুধু তাই নয়, সরকার পরিবর্তনের পর পাকিস্তানের সঙ্গে বেশকিছু দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা গেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের করাচি থেকে কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে, যে সুযোগ আগে ছিল না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইতোমধ্যে চারবার সাক্ষাৎ করেছেন। গত মাসে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান হিসেবে ঢাকা সফর করেছেন। এ ছাড়া, চার দিনের সফরে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান।

বাংলাদেশের কূটনীতিকরা বলছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আন্তরিক বাংলাদেশ। তবে, অমীমাংসিত ইস্যুগুলো ভুলে যায়নি ঢাকা। বাংলাদেশ মনে করে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া, যুদ্ধের জন্য ক্ষতিপূরণ, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন, সম্পদের হিস্যা, ১৯৭০ সালে অবিভক্ত পাকিস্তানের ঘূর্ণিঝড়ের সময় দেওয়া বৈদেশিক সহায়তার পাওনা পরিশোধের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা হওয়া জরুরি।

দারের সফরে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো ঢাকার পক্ষ থেকে তোলা হবে কি না– জানতে চাইলে এক কূটনীতিক বলেন, এগুলো ইস্যুর অংশ। কোনটা তুলবে, কোনটা তুলবে না সেটা নিয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। মোটা দাগে যা যা আছে সব থাকবে। এটা এত আগে থেকে বলা কঠিন, এখনো অনেক সময় বাকি।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ডি-৮ সম্মেলনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন। ১০ বছরের ব্যবধানে ২০২২ সালের জুলাইয়ে হিনা রাব্বানির আবার ডি-৮ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তিনি তখন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু নানা জটিলতায় শেষ অবদি হিনার ঢাকায় আসা হয়নি।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ২৪ আগস্ট ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

তৌহিদ-ইসহাক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আজ, হতে পারে যেসব চুক্তি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

তৌহিদ-ইসহাক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক আজ, হতে পারে যেসব চুক্তি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৪ আগস্ট – অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং ঢাকায় সফররত পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার আজ রোববার (২৪ আগস্ট) দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসছেন। বৈঠকে সম্পর্ক স্বাভাবিকরণে জোর দিতে পারে ঢাকা। অন্যদিকে, ইসলাবাদ সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার বার্তা দিতে পারে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুই মন্ত্রী শুরুতে একান্তে এবং পরে প্রতিনিধি পর্যায়ে বৈঠক করবেন। বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের কথা রয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তৌহিদ-দারের বৈঠকে ব্যবসা, বিনিয়োগ, সংযুক্তি, কৃষি, নানা পর্যায়ে দুই দেশের লোকজনের চলাচল সুগম করাসহ দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় আলোচনায় থাকবে।পররাষ্ট্রসচিবদের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় এবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় সম্পর্ক এগিয়ে নিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বোঝাপড়া ও অভিন্ন স্বার্থে জোর দেবে বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের সম্পর্ক যেখানে এসেছে, তা এগিয়ে নিতে হলে অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সুরাহা জরুরি।দুই দেশের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্ক অমীমাংসিত তিন ঐতিহাসিক ইস্যুকে বাদ দিয়ে হবে না। অমীমাংসিত বিষয়গুলো হলো একাত্তরের গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়া, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন ও অবিভাজিত সম্পদে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা প্রদান।দুই দিনের সফরে শনিবার ঢাকায় এসেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এক যুগ পর এটি ছিল পাকিস্তানের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম ঢাকা সফর। সফরের শুরুর দিনে বেশ ব্যস্ত সময় পার করেন ইসহাক দার। শুরুর দিনে তিনি বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।গত ২৭ এপ্রিল ইসহাক দারের ঢাকা আসার কথা ছিল। তবে ভারতের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে দেশটির সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দিলে দারের সফর স্থগিত করে ইসলামাবাদ।ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। প্রায় দেড় যুগ পর স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিতে বেশ আগ্রহী ইসলামাবাদ। তারই অংশ হিসেবে দীর্ঘ ১৫ বছর পর গত এপ্রিলে ঢাকায় পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক করে বাংলাদেশ-পাকিস্তান, বৈঠকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেন পররাষ্ট্রসচিব আমনা বালুচ।কূটনৈতিক অঙ্গন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বিদেশের মাটিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে দুইবার সাক্ষাৎ হয়েছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের। প্রথমে নিউইয়র্ক ও পরে মিশরে। শুধু তাই নয়, সরকার পরিবর্তনের পর পাকিস্তানের সঙ্গে বেশকিছু দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা গেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– দুই দেশের মধ্যে সরাসরি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে পাকিস্তানের করাচি থেকে কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজ সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে, যে সুযোগ আগে ছিল না।পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইতোমধ্যে চারবার সাক্ষাৎ করেছেন। গত মাসে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান হিসেবে ঢাকা সফর করেছেন। এ ছাড়া, চার দিনের সফরে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী জাম কামাল খান।বাংলাদেশের কূটনীতিকরা বলছেন, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আন্তরিক বাংলাদেশ। তবে, অমীমাংসিত ইস্যুগুলো ভুলে যায়নি ঢাকা। বাংলাদেশ মনে করে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া, যুদ্ধের জন্য ক্ষতিপূরণ, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন, সম্পদের হিস্যা, ১৯৭০ সালে অবিভক্ত পাকিস্তানের ঘূর্ণিঝড়ের সময় দেওয়া বৈদেশিক সহায়তার পাওনা পরিশোধের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা হওয়া জরুরি।দারের সফরে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো ঢাকার পক্ষ থেকে তোলা হবে কি না– জানতে চাইলে এক কূটনীতিক বলেন, এগুলো ইস্যুর অংশ। কোনটা তুলবে, কোনটা তুলবে না সেটা নিয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। মোটা দাগে যা যা আছে সব থাকবে। এটা এত আগে থেকে বলা কঠিন, এখনো অনেক সময় বাকি।প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত ডি-৮ সম্মেলনে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে ঢাকায় এসেছিলেন। ১০ বছরের ব্যবধানে ২০২২ সালের জুলাইয়ে হিনা রাব্বানির আবার ডি-৮ মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে ঢাকায় আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তিনি তখন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু নানা জটিলতায় শেষ অবদি হিনার ঢাকায় আসা হয়নি।সূত্র: ঢাকা পোস্টএনএন/ ২৪ আগস্ট ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×