কক্সবাজারের উখিয়ায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ( বিজিবি)। এসময় কাউকে আটক করতে পারেনি।
বুধবার সকালে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এ ব্যাপারে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি সত্যতা নিশ্চিত করেন।
বিজিবির সুত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বালুখালী ও পালংখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৯ হতে আনুমানিক ৩০০ গজ পশ্চিম দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যা বিওপি হতে আনুমানিক ০১ কিঃ মিঃ উত্তর দিকে আঞ্জুমানপাড়া পোস্ট নামক স্থানে অবস্থান নেন। রাত আটটার দিকে মায়ানমার হতে দুই জন ব্যক্তি নৌকাযোগে দুই জন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে টহলদল তাদেরকে ধাওয়া করলে এক জন চোরাকারবারী মায়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়।
ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার
এসময় আরেকজন তার ব্যাগ রেখে ধানক্ষেতের মধ্য দিয়ে পালিয়ে যায়। বালুখালী বিওপি’র একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত পিলার বিপি-২৬ হতে আনুমানিক ৫০০ গজ পশ্চিম দক্ষিণ দিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যা বিওপি হতে আনুমানিক ০২ কিঃ মিঃ দক্ষিণ দিকে রহমতের বিল নামক স্থানে অবস্থান করে।মায়ানমার হতে ০২ জন ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখে টহলদল তাদেরকে ধাওয়া করলে চোরাকারবারী তাদের বহনকৃত ব্যাগ ও হাসুয়া দা ফেলে দ্রুত দৌড়ে রহমতের বিল সংলগ্ন আঞ্জুমানপাড়া গ্রামে মধ্যে পালিয়ে যায়|
উভয় টলহদল পরবর্তীতে বর্ণিত স্থানে তল্লাশী করে লাল গামছা দ্বারা মোড়ানো নীল রঙ্গের বায়ুরোধী ১০ কাট এবং মাছ রাখার ঝুড়ির মধ্যে নীল রঙ্গের বায়ুরোধী ০৫ কাট মোট ১৫ কাট সর্বমোট ১,৫০,০০০ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ওই এলাকায় পলায়নকৃত চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য রাতভর চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই অভিযান ভোররাত চারটা পর্যন্ত স্থায়ী হয়। তবে উক্ত চোরাকারবারীদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “পালিয়ে যাওয়া মাদক চোরাকারবারীকে শনাক্ত করে এবং গ্রেফতার করার জন্য গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবা উখিয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।”
তিনি আরও জানান, “বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধেও সবসময় কঠোর অবস্থান নিয়ে কাজ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”




মন্তব্য করুন