হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

হঠাৎ শত শত মার্কিন জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে যুক্তরাষ্ট্রে তলব, আলোচনায় রহস্যময় বৈঠক

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন


ওয়াশিংটন, ২৬ সেপ্টেম্বর – হঠাৎই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা মার্কিন সামরিক বাহিনীর শত শত জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে যুক্তরাষ্ট্রে তলব করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, তাদেরকে জরুরিভিত্তিতে ভার্জিনিয়ায় এক বৈঠকে ডেকেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে রহস্যময় ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য বা এজেন্ডা স্পষ্ট করা হয়নি।

মার্কিন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।

আরও পড়ুন

হাসপাতালে ভর্তি শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বিশ্বজুড়ে দায়িত্বে থাকা শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের আগামী সপ্তাহে ভার্জিনিয়ায় এক বৈঠকে ডেকেছেন। এতটা অস্বাভাবিক সমাবেশ খুব কমই হয় বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

মূলত বৃহস্পতিবার মার্কিন গণমাধ্যম প্রথম এ খবর প্রকাশ করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল তা নিশ্চিত করেন। অবশ্য কেন হঠাৎ এতো জরুরি ভিত্তিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল ও নৌবাহিনীর অ্যাডমিরালদের এই বৈঠকে ডাকা হলো বা আলোচনার এজেন্ডা কী হবে—তা স্পষ্ট করেননি পিট হেগসেথ।

আল জাজিরা বলছে, মার্কিন সেনাবাহিনীতে প্রায় ৮০০ জেনারেল ও অ্যাডমিরাল আছেন। তাদের মধ্যে অনেকে হাজার হাজার সেনার দায়িত্বে থাকেন, যাদের অনেকেই সংবেদনশীল বিদেশি ঘাঁটিতে কর্মরত। সাধারণত এসব কর্মকর্তাদের সময়সূচি কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে।

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বৈঠককে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার কথা জানান। তিনি বলেন, আমি এটা ভালোবাসি। আমার কাছে দারুণ মনে হচ্ছে। জেনারেল আর অ্যাডমিরালদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকা ভালো।

অবশ্য জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের এভাবে সরিয়ে নেওয়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, ট্রাম্প সেটিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন রাখেন, এটা এত বড় ব্যাপার কেন? আমরা যদি জেনারেল আর অ্যাডমিরালদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখি, এতে ক্ষতি কোথায়? আমি তো শান্তির প্রেসিডেন্ট। সম্পর্ক ভালো থাকা ভালোই।

উপস্থিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও সমালোচনাকে গুরুত্বহীন হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, যেসব জেনারেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী হয়ে প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করেন, তাদের মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাটা অস্বাভাবিক নয়। সাংবাদিকরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, সেটাই বরং অদ্ভুত।

আল জাজিরা বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প ও হেগসেথ প্রতিরক্ষা দপ্তরে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। এর অংশ হিসেবে যৌথবাহিনী প্রধান জেনারেল সিকিউ ব্রাউনসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বরখাস্ত হয়েছেন।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ বহুত্ববাদ বা বৈচিত্র্য বিষয়ক উদ্যোগও বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। এ কারণে এমন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদ থেকে সরানো হয়েছে। তার মতে, সেনাবাহিনীকে এখন প্রাণঘাতী শক্তি বৃদ্ধি ও যোদ্ধা মনোভাব পুনরুদ্ধারে মনোযোগী হতে হবে।

আর সবশেষ চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নির্দেশে প্রতিরক্ষা দপ্তরকে ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ বা যুদ্ধ দপ্তর হিসেবে উল্লেখ করার নীতি ঘোষণা করেন। ১৯৪৯ সালের আগে পর্যন্ত এ নামেই পরিচিত ছিল সংস্থাটি। তবে, স্থায়ীভাবে নাম পরিবর্তন করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

হঠাৎ শত শত মার্কিন জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে যুক্তরাষ্ট্রে তলব, আলোচনায় রহস্যময় বৈঠক

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

হঠাৎ শত শত মার্কিন জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে যুক্তরাষ্ট্রে তলব, আলোচনায় রহস্যময় বৈঠক

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৫২ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ২৬ সেপ্টেম্বর – হঠাৎই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করা মার্কিন সামরিক বাহিনীর শত শত জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে যুক্তরাষ্ট্রে তলব করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, তাদেরকে জরুরিভিত্তিতে ভার্জিনিয়ায় এক বৈঠকে ডেকেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তবে রহস্যময় ওই বৈঠকের উদ্দেশ্য বা এজেন্ডা স্পষ্ট করা হয়নি।মার্কিন গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বিশ্বজুড়ে দায়িত্বে থাকা শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের আগামী সপ্তাহে ভার্জিনিয়ায় এক বৈঠকে ডেকেছেন। এতটা অস্বাভাবিক সমাবেশ খুব কমই হয় বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।মূলত বৃহস্পতিবার মার্কিন গণমাধ্যম প্রথম এ খবর প্রকাশ করে। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল তা নিশ্চিত করেন। অবশ্য কেন হঠাৎ এতো জরুরি ভিত্তিতে মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল ও নৌবাহিনীর অ্যাডমিরালদের এই বৈঠকে ডাকা হলো বা আলোচনার এজেন্ডা কী হবে—তা স্পষ্ট করেননি পিট হেগসেথ।আল জাজিরা বলছে, মার্কিন সেনাবাহিনীতে প্রায় ৮০০ জেনারেল ও অ্যাডমিরাল আছেন। তাদের মধ্যে অনেকে হাজার হাজার সেনার দায়িত্বে থাকেন, যাদের অনেকেই সংবেদনশীল বিদেশি ঘাঁটিতে কর্মরত। সাধারণত এসব কর্মকর্তাদের সময়সূচি কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে থাকে।বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে এক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বৈঠককে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করার কথা জানান। তিনি বলেন, আমি এটা ভালোবাসি। আমার কাছে দারুণ মনে হচ্ছে। জেনারেল আর অ্যাডমিরালদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকা ভালো।অবশ্য জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের এভাবে সরিয়ে নেওয়া নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, ট্রাম্প সেটিকে গুরুত্ব দিতে চাননি। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে পাল্টা প্রশ্ন রাখেন, এটা এত বড় ব্যাপার কেন? আমরা যদি জেনারেল আর অ্যাডমিরালদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখি, এতে ক্ষতি কোথায়? আমি তো শান্তির প্রেসিডেন্ট। সম্পর্ক ভালো থাকা ভালোই।উপস্থিত ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও সমালোচনাকে গুরুত্বহীন হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, যেসব জেনারেল প্রতিরক্ষামন্ত্রী হয়ে প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করেন, তাদের মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাটা অস্বাভাবিক নয়। সাংবাদিকরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, সেটাই বরং অদ্ভুত।আল জাজিরা বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প ও হেগসেথ প্রতিরক্ষা দপ্তরে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে শুরু করেছেন। এর অংশ হিসেবে যৌথবাহিনী প্রধান জেনারেল সিকিউ ব্রাউনসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা বরখাস্ত হয়েছেন।প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ বহুত্ববাদ বা বৈচিত্র্য বিষয়ক উদ্যোগও বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন। এ কারণে এমন কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদ থেকে সরানো হয়েছে। তার মতে, সেনাবাহিনীকে এখন প্রাণঘাতী শক্তি বৃদ্ধি ও যোদ্ধা মনোভাব পুনরুদ্ধারে মনোযোগী হতে হবে।আর সবশেষ চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক নির্দেশে প্রতিরক্ষা দপ্তরকে ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ বা যুদ্ধ দপ্তর হিসেবে উল্লেখ করার নীতি ঘোষণা করেন। ১৯৪৯ সালের আগে পর্যন্ত এ নামেই পরিচিত ছিল সংস্থাটি। তবে, স্থায়ীভাবে নাম পরিবর্তন করতে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×