কক্সবাজারের উখিয়ায় মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ৯টি পূজামণ্ডপে শঙ্খ, কাঁসর ঘণ্টা আর ঢাকের বোলের সঙ্গে জমকালো আয়োজনে উৎসবের সূচনা হয়। মণ্ডপ থেকে শুরু করে হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরেও বইছে আনন্দ-উৎসবের উচ্ছ্বাস। চলছে পূজার প্রস্তুতি, ভক্তিমূলক গান আর প্রার্থনার আয়োজন।
পাঁচ দিনব্যাপী এই ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্ন করতে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৫ নিয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি পূজামণ্ডপে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত র্যাব সদস্য, যাতে করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রোধ করা যায়।
হোয়াইক্যং ক্যাম্পের সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ রোববার রাতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
চকরিয়ায় বন উজাড় রোধে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, আগে দখলবাজ শ্রেনির মানুষকে সচেতন করা জরুরি
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান:“উৎসবজুড়ে র্যাব সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতায় মাঠে থাকবে। স্থানীয় পূজা উদ্যাপন কমিটি, জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা কাজ করছি।”
তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব রোধে বিশেষ সাইবার মনিটরিং টিম ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। পূজার দিনগুলোতে থাকবে বাড়তি নজরদারি, এবং প্রতিমা বিসর্জনের দিন নেওয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যাতে করে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার উৎসবকে কেন্দ্র করে জননিরাপত্তা, যান চলাচল ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও আলাদা প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।




মন্তব্য করুন