জেরুজালেম, ০১ অক্টোবর – ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা থেকে আর মাত্র ৯০ নটিক্যাল মাইল বা ১৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। বুধবার (১ অক্টোবর) সর্বশেষ আপডেটে এ তথ্য জানিয়েছে এটির আয়োজকরা।
বিশ্বের ৪০টি দেশের প্রায় ৫০০ অধিকারকর্মী ৪৫টি ছোটবড় জাহাজে করে গাজার দিকে ত্রাণ নিয়ে যাচ্ছেন। তারা শুধুমাত্র ত্রাণ নয় গাজা উপকূলে দখলদার ইসরায়েলের আরোপ করা অবৈধ নৌ অবরোধ ভাঙারও মিশন হাতে নিয়েছেন।
ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজ না থাকায় ৬২৭ কোটি রুপি পর্যন্ত লোকসানের শঙ্কায় ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড
এক্সে এক পোস্টে আয়োজকরা বলেছেন, “আমরা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ জোন দিয়ে যাচ্ছি। সতর্ক থাকুন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সারারাত ভীতি প্রদর্শনের কৌশল অবলম্বন করলেও আমরা সবাই শান্ত ছিলাম এবং সঠিক নিরাপত্তা পদ্ধতি মেনে এগিয়ে চলেছি। আপনাদের আমরা নিশ্চিত করতে চাই, এরআগে মাইদিন নামে জাহাজটি ইসরায়েলিরা যেখানে আটক করেছিল আমরা সেখান থেকে অনেক দূরে এগিয়ে গেছি।”
পোস্টে তারা আরও বলেছেন, “ইসরায়েলি হুমকি এবং হুমকি-ধমকির কৌশলে আমাদের পথ চলা আটকাবে না, আমরা অবিচলভাবে এগিয়ে চলেছি। আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনার দেশের সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করুন এবং ট্র্যাকার ও সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে নৌযানগুলোর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন।”
এদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত জানিয়েছে, ইসরায়েলি নৌবাহিনী জাহাজগুলো আটকের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অধিকারকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে জাহাজগুলো জব্দ করার পরিকল্পনা তাদের।
ইয়েনেত জানিয়েছে, গাজার কাছে আসার পর ইসরায়েলি নৌবাহিনী এলিট ইউনিট সায়েতেত ১৩-এর সেনারা জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেবেন। ওই সময় পুরো নৌবাহিনীকে এতে যুক্ত করা হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকারকর্মীদের ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে তাদের আসোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর তাদের কেতজিয়োত কারাগারে নেওয়া হবে। যারা ইসরায়েলিদের নির্দেশনা মানবে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। নির্দেশনা না মানলে তাদের কারাগারেই আটকে রাখা হবে।
জব্দ করা জাহাজগুলোর কিছু আসোদ বন্দরে আনা হবে। আর বাকিগুলো ডুবিয়ে দেওয়া হবে।
ইসরায়েলি নৌ সেনারা যে কোনো সময় গ্লোবাল গাজা ফ্লোটিলায় হামলা চালাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বহরে থাকা একাধিক অধিকারকর্মী এ তথ্য জানিয়েছে।




মন্তব্য করুন