হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

এবার আকাশে অপ্রতিরোধ্য সক্ষমতা অর্জনে এক ধাপ এগিয়ে গেল পাকিস্তান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫, ১১:১৬ অপরাহ্ন


ইসলামাবাদ, ০৭ অক্টোবর – এবার আকাশে অপ্রতিরোধ্য সক্ষমতা অর্জনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল পাকিস্তান। দেশটির কাছে উন্নত মানের এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা পুনরায় জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওয়াশিংটনের প্রকাশিত সরকারি নথি অনুযায়ী, নতুন চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ২০৩০ সালের মধ্যে পাবে এআইএম-১২০ডি-৩ উন্নত মধ্যপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

চুক্তিটির আর্থিক মূল্য প্রায় আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রে-থিয়ন কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুধু পাকিস্তানই নয়, তুরস্কসহ আরও কয়েকটি মিত্র দেশ এই চুক্তির আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র পাবে বলে মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ (পূর্বে ছিল প্রতিরক্ষা বিভাগ) জানিয়েছে।

এআইএম-১২০ডি-৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি এএমআরএএএম পরিবারের সর্বাধুনিক সংস্করণ, যা দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধে শত্রু বিমান ও আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র যোগ হলে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরের আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে পাকিস্তান যে এআইএম-১২০সি-৫ সংস্করণ ব্যবহার করছে, তা ২০১০ সালে এফ-১৬ ব্লক ৫২ যুদ্ধবিমান কেনার সময় সরবরাহ করা হয়েছিল।

এরপর পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। এতে দুই দেশের সামরিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত মিলেছে।

পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেছেন, পাকিস্তানের সামরিক উন্নয়ন কৌশল এখন দক্ষতা ও আত্মনির্ভরতার ওপর ভিত্তি করে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য প্রতিযোগিতা নয়, বরং প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। আমরা পূর্ব কিংবা পশ্চিম—সব উৎস থেকেই উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণে প্রস্তুত।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সামরিক উন্নয়ন কৌশল সব সময় কার্যকর ও দক্ষ প্ল্যাটফর্ম এবং দেশীয় প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তির ওপর নির্ভরশীল। আমরা নিজেরাও প্রযুক্তি তৈরি করছি এবং বাইরে থেকেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নিচ্ছি।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

এবার আকাশে অপ্রতিরোধ্য সক্ষমতা অর্জনে এক ধাপ এগিয়ে গেল পাকিস্তান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

এবার আকাশে অপ্রতিরোধ্য সক্ষমতা অর্জনে এক ধাপ এগিয়ে গেল পাকিস্তান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫, ১১:১৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ইসলামাবাদ, ০৭ অক্টোবর – এবার আকাশে অপ্রতিরোধ্য সক্ষমতা অর্জনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল পাকিস্তান। দেশটির কাছে উন্নত মানের এয়ার-টু-এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যা দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা পুনরায় জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।ওয়াশিংটনের প্রকাশিত সরকারি নথি অনুযায়ী, নতুন চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ২০৩০ সালের মধ্যে পাবে এআইএম-১২০ডি-৩ উন্নত মধ্যপাল্লার এয়ার-টু-এয়ার নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র।চুক্তিটির আর্থিক মূল্য প্রায় আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রে-থিয়ন কোম্পানিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শুধু পাকিস্তানই নয়, তুরস্কসহ আরও কয়েকটি মিত্র দেশ এই চুক্তির আওতায় ক্ষেপণাস্ত্র পাবে বলে মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ (পূর্বে ছিল প্রতিরক্ষা বিভাগ) জানিয়েছে।এআইএম-১২০ডি-৩ ক্ষেপণাস্ত্রটি এএমআরএএএম পরিবারের সর্বাধুনিক সংস্করণ, যা দূরপাল্লার আকাশযুদ্ধে শত্রু বিমান ও আসন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম।প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র যোগ হলে পাকিস্তানের এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বহরের আকাশযুদ্ধের সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। বর্তমানে পাকিস্তান যে এআইএম-১২০সি-৫ সংস্করণ ব্যবহার করছে, তা ২০১০ সালে এফ-১৬ ব্লক ৫২ যুদ্ধবিমান কেনার সময় সরবরাহ করা হয়েছিল।এরপর পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। এতে দুই দেশের সামরিক সম্পর্কের পুনরুজ্জীবনের ইঙ্গিত মিলেছে।পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)-এর মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেছেন, পাকিস্তানের সামরিক উন্নয়ন কৌশল এখন দক্ষতা ও আত্মনির্ভরতার ওপর ভিত্তি করে।আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য প্রতিযোগিতা নয়, বরং প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। আমরা পূর্ব কিংবা পশ্চিম—সব উৎস থেকেই উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণে প্রস্তুত।তিনি আরও বলেন, আমাদের সামরিক উন্নয়ন কৌশল সব সময় কার্যকর ও দক্ষ প্ল্যাটফর্ম এবং দেশীয় প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তির ওপর নির্ভরশীল। আমরা নিজেরাও প্রযুক্তি তৈরি করছি এবং বাইরে থেকেও প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি নিচ্ছি। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×