হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির তল্লাশি জোরদার

শহিদুল ইসলাম::

শহিদুল ইসলাম::

সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৪২ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

কক্সবাজার রিজিওনের রামু সেক্টরের আওতাধীন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টে তল্লাশি কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ, স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য পাচারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেইসঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তবর্তী ঘুমধুম, তুমব্রু, বাইশফাড়ি ও আমতলী চেকপোস্টে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, যানবাহন ও মালামালের ওপর নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ গোয়েন্দা টিমও অভিযানে অংশ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন

চকরিয়ায় বন উজাড় রোধে কেবল আইনি পদক্ষেপ যথেষ্ট নয়, আগে দখলবাজ শ্রেনির মানুষকে সচেতন করা জরুরি

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন,দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের প্রতিটি চেকপোস্ট এলাকায় কোনভাবেই অবৈধ অনুপ্রবেশ বা চোরাচালান কার্যক্রম সহ্য করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় জনগণকে আমরা সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছি। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা যেন যেকোনও সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে অবহিত করেন।

বিজিবির এই কড়াকড়ির ফলে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তবে তারা মনে করছেন, এই তৎপরতা অব্যাহত রাখা জরুরি, যাতে মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধে স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির তল্লাশি জোরদার

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবির তল্লাশি জোরদার

প্রতিবেদক: শহিদুল ইসলাম:: | প্রকাশিত: সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
Print Image
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে তল্লাশি অভিযান জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কক্সবাজার রিজিওনের রামু সেক্টরের আওতাধীন কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) সীমান্তের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টে তল্লাশি কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সদস্যরা দিনরাত সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ, স্বর্ণসহ বিভিন্ন অবৈধ পণ্য পাচারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সেইসঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের চলাচল বেড়ে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ চেকপোস্টগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নাইক্ষ্যংছড়ির সীমান্তবর্তী ঘুমধুম, তুমব্রু, বাইশফাড়ি ও আমতলী চেকপোস্টে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সন্দেহজনক ব্যক্তি, যানবাহন ও মালামালের ওপর নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে। প্রয়োজনে বিশেষ গোয়েন্দা টিমও অভিযানে অংশ নিচ্ছে। কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম খায়রুল আলম বলেন,দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও মাদক চোরাচালান রোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের প্রতিটি চেকপোস্ট এলাকায় কোনভাবেই অবৈধ অনুপ্রবেশ বা চোরাচালান কার্যক্রম সহ্য করা হবে না। তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় জনগণকে আমরা সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছি। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা যেন যেকোনও সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে অবহিত করেন। বিজিবির এই কড়াকড়ির ফলে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। তবে তারা মনে করছেন, এই তৎপরতা অব্যাহত রাখা জরুরি, যাতে মাদক ও অস্ত্র পাচার রোধে স্থায়ী সমাধান সম্ভব হয়।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×