হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমিরের শরীরে ৬ রাউন্ড গুলি করে পুলিশ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২০ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ২৪ অক্টোবর – জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সময় রাজধানীর রামপুরায় ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করাসহ দুই জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন আমির হোসেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আমার দুই পায়ে ৬ রাউন্ড গুলি করে দুই পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এই মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন আমির হোসেন।

আরও পড়ুন

ইসরায়েল নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট এগিয়ে, জয়ের পেছনে নিজের সমর্থনকে কৃতিত্ব দিলেন ট্রাম্প

জবানবন্দিতে আমির বলেন, গুলির ভয়ে ছাদে ওঠলেও পিছু নিয়ে দুই পায়ে গুলি করে দুই পুলিশ। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে প্রসিকিউশনের পক্ষে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম। পরে এ মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল।

সাবেক ডিএমপি কমিশানর হাবিবুর রহমানসহ এই মামলায় মোট আসামি পাঁচজন। এর মধ্যে একমাত্র গ্রেফতারকৃত আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।

পলাতক বাকি তিন আসামি হলেন, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। এদিন প্রথমেই ঘটনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

তিনি বলেন, ‘তিনজন পুলিশ আমার পিছে পিছে ছাদের ওপরে উঠে আসে। পুলিশদের আসতে দেখে আমি ছাদের সঙ্গে একটি রড ধরে ঝুলে আশ্রয় নেই। একজন পুলিশ আমাকে সেখান থেকে নিচে ঝাঁপ দিতে বলে। আমি ঝাঁপ না দিয়ে রড ধরে ঝুলে থাকি। তখন ওই পুলিশ সদস্য আমাকে পিস্তল দিয়ে পরপর ৩ রাউন্ড গুলি করে। ৩টি গুলিই আমার পায়ে বিদ্ধ হয়। তারপর সে চলে যায়। আরেকজন পুলিশ এসে পিস্তল দিয়ে আরও ৩ রাউন্ড গুলি করে। সেই ৩ রাউন্ড গুলিও আমার দুই পায়ে লাগে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরে আসলে আমি দেখতে পাই, আমি ফেমাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।’

সাক্ষী আমির হোসেন বলেন, ‘যারা আমাকে বিনা কারণে গুলি করেছে, আমি তাদের শাস্তি চাই।’

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের পক্ষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফর্মাল চার্জ) দাখিল করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। গত ৩১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমিরের শরীরে ৬ রাউন্ড গুলি করে পুলিশ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমিরের শরীরে ৬ রাউন্ড গুলি করে পুলিশ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২৪ অক্টোবর – জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সময় রাজধানীর রামপুরায় ছাদের কার্নিশে ঝুলে থাকা আমির হোসেনকে গুলি করাসহ দুই জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন আমির হোসেন। জবানবন্দিতে তিনি বলেন, আমার দুই পায়ে ৬ রাউন্ড গুলি করে দুই পুলিশ।বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এই মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন আমির হোসেন।জবানবন্দিতে আমির বলেন, গুলির ভয়ে ছাদে ওঠলেও পিছু নিয়ে দুই পায়ে গুলি করে দুই পুলিশ। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে প্রসিকিউশনের পক্ষে সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম। পরে এ মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল।সাবেক ডিএমপি কমিশানর হাবিবুর রহমানসহ এই মামলায় মোট আসামি পাঁচজন। এর মধ্যে একমাত্র গ্রেফতারকৃত আসামি রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ।পলাতক বাকি তিন আসামি হলেন, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। এদিন প্রথমেই ঘটনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। পরে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।তিনি বলেন, ‘তিনজন পুলিশ আমার পিছে পিছে ছাদের ওপরে উঠে আসে। পুলিশদের আসতে দেখে আমি ছাদের সঙ্গে একটি রড ধরে ঝুলে আশ্রয় নেই। একজন পুলিশ আমাকে সেখান থেকে নিচে ঝাঁপ দিতে বলে। আমি ঝাঁপ না দিয়ে রড ধরে ঝুলে থাকি। তখন ওই পুলিশ সদস্য আমাকে পিস্তল দিয়ে পরপর ৩ রাউন্ড গুলি করে। ৩টি গুলিই আমার পায়ে বিদ্ধ হয়। তারপর সে চলে যায়। আরেকজন পুলিশ এসে পিস্তল দিয়ে আরও ৩ রাউন্ড গুলি করে। সেই ৩ রাউন্ড গুলিও আমার দুই পায়ে লাগে। আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান ফিরে আসলে আমি দেখতে পাই, আমি ফেমাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।’সাক্ষী আমির হোসেন বলেন, ‘যারা আমাকে বিনা কারণে গুলি করেছে, আমি তাদের শাস্তি চাই।’এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।গত ৭ আগস্ট প্রসিকিউশনের পক্ষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফর্মাল চার্জ) দাখিল করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। গত ৩১ জুলাই চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×