হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

আ. লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায় বা ডিএনএতে গণতন্ত্রের বীজ নেই

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৬ অপরাহ্ন


ঢাকা, ০৮ নভেম্বর – আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায়, রক্তে, ডিএনএতে গণতন্ত্রের বীজ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

আরও পড়ুন

কক্সবাজারে মানি লন্ডারিং মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে সাংবিধানিকতায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়, প্রশাসনের কোনো স্তরেই গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব থাকেনি। এটাই আওয়ামী গণতন্ত্রের নমুনা। আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায়, রক্তে, ডিএনএ-তে গণতন্ত্রের বীজ নেই। শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই তা প্রমাণ করেছেন; আর তার কন্যা শেখ হাসিনা আরও স্পষ্টভাবে তা দেখিয়েছেন।

তিনি বলেন, যেখানে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও পরিবর্তনের সব দরজা বন্ধ থাকে, সেখানে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কোনো না কোনো সময় উন্মুক্ত হতে বাধ্য হয়। আওয়ামী বাকশালী সরকার তখন এমন অবস্থা সৃষ্টি করেছিল, যেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আদায়ের জন্য আরেকটি মাধ্যম প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। ৭ নভেম্বরের ঘটনা আমাদের শেখায়, যখনই প্রয়োজন হবে, বাংলাদেশের মানুষ, সিপাহী-জনতা, সব শ্রেণি-পেশার আপামর জনসাধারণ দেশের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, যদি বাংলাদেশে ৭ নভেম্বর সংঘটিত না হতো, তাহলে বাংলাদেশের কী হতো? এটি একটি ঐতিহাসিক প্রশ্ন। তৎকালীন সাংবিধানিকভাবে মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় একটি অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে সংবিধান সংশোধন করেন।

তিনি বলেন, যেখানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের অধিকার থাকে না, সেখানে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উৎসাহিত হয়- এটি বিশ্ব ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে।

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা আরও বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি সবসময় মিথ্যায় ভরপুর। শেখ মুজিব সাংবিধানিকভাবে উন্মুক্তভাবে বাকশাল কায়েম করেছিলেন। আর শেখ হাসিনা একই বাকশাল বাস্তবায়ন করতে চেয়েছেন গণতন্ত্রের মুখোশে, প্রহসনের ভোটের ছদ্মবেশে। একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তনের এটাই ছিল তার লক্ষ্য।

সূত্র: আরটিভি নিউজ
এনএন/ ০৮ নভেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

আ. লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায় বা ডিএনএতে গণতন্ত্রের বীজ নেই

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

আ. লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায় বা ডিএনএতে গণতন্ত্রের বীজ নেই

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫, ১১:২৬ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৮ নভেম্বর – আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায়, রক্তে, ডিএনএতে গণতন্ত্রের বীজ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।শনিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে সাংবিধানিকতায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়, প্রশাসনের কোনো স্তরেই গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব থাকেনি। এটাই আওয়ামী গণতন্ত্রের নমুনা। আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায়, রক্তে, ডিএনএ-তে গণতন্ত্রের বীজ নেই। শেখ মুজিবুর রহমান নিজেই তা প্রমাণ করেছেন; আর তার কন্যা শেখ হাসিনা আরও স্পষ্টভাবে তা দেখিয়েছেন।তিনি বলেন, যেখানে গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও পরিবর্তনের সব দরজা বন্ধ থাকে, সেখানে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কোনো না কোনো সময় উন্মুক্ত হতে বাধ্য হয়। আওয়ামী বাকশালী সরকার তখন এমন অবস্থা সৃষ্টি করেছিল, যেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও আদায়ের জন্য আরেকটি মাধ্যম প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। ৭ নভেম্বরের ঘটনা আমাদের শেখায়, যখনই প্রয়োজন হবে, বাংলাদেশের মানুষ, সিপাহী-জনতা, সব শ্রেণি-পেশার আপামর জনসাধারণ দেশের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, যদি বাংলাদেশে ৭ নভেম্বর সংঘটিত না হতো, তাহলে বাংলাদেশের কী হতো? এটি একটি ঐতিহাসিক প্রশ্ন। তৎকালীন সাংবিধানিকভাবে মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় একটি অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল, যার নেতৃত্বে ছিলেন তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে সংবিধান সংশোধন করেন।তিনি বলেন, যেখানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের অধিকার থাকে না, সেখানে অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উৎসাহিত হয়- এটি বিশ্ব ইতিহাসে বহুবার দেখা গেছে।বিএনপির সিনিয়র এ নেতা আরও বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি সবসময় মিথ্যায় ভরপুর। শেখ মুজিব সাংবিধানিকভাবে উন্মুক্তভাবে বাকশাল কায়েম করেছিলেন। আর শেখ হাসিনা একই বাকশাল বাস্তবায়ন করতে চেয়েছেন গণতন্ত্রের মুখোশে, প্রহসনের ভোটের ছদ্মবেশে। একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তনের এটাই ছিল তার লক্ষ্য।সূত্র: আরটিভি নিউজএনএন/ ০৮ নভেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×