হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

লিবিয়া থেকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে ৩১০ বাংলাদেশি নাগরিককে

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন


ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর – চলতি বছরের অক্টোবরে তিন দফায় লিবিয়া থেকে দেশে এসেছেন ৯২৮ বাংলাদেশি নাগরিক। এ ছাড়া লিবিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দেশটি থেকে আরো ৩১০ বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে।

লিবিয়া থেকে অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষ্যে গত মঙ্গলবার একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় এ তথ্য জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার।

আরও পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যা মামলা: উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্সকে আরও ৬ মাসের সময় দিলেন হাই কোর্ট

ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, সভায় সভাপতিত্ব করেন লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল এমাদ মোস্তফা আল-তরাবলুসি।

এতে লিবিয়ায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, অক্টোবর ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে মিশর, নাইজার, নাইজেরিয়া এবং বাংলাদেশের হাজারো অভিবাসীকে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মানবিক নীতি, নিরাপদ পরিবহন, যথাযথ খাদ্য ও আবাসন নিশ্চিত এবং সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিবাসীদের জরিমানা মওকুফ করে বহির্গমন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার সবসময় নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। অনিয়মিত অভিবাসীদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত আড়াই বছরে দূতাবাসের সহায়তায় লিবিয়া থেকে সাড়ে সাত হাজারেরও অধিক বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। একইসঙ্গে মানব পাচার প্রতিরোধে লিবিয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে দূতাবাসের কার্যকর ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ
এনএন/ ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

লিবিয়া থেকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে ৩১০ বাংলাদেশি নাগরিককে

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

লিবিয়া থেকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হচ্ছে ৩১০ বাংলাদেশি নাগরিককে

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ০৫ ডিসেম্বর – চলতি বছরের অক্টোবরে তিন দফায় লিবিয়া থেকে দেশে এসেছেন ৯২৮ বাংলাদেশি নাগরিক। এ ছাড়া লিবিয়ার স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দেশটি থেকে আরো ৩১০ বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হবে।লিবিয়া থেকে অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষ্যে গত মঙ্গলবার একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় এ তথ্য জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মুহাম্মদ খায়রুল বাশার।ত্রিপোলির বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, সভায় সভাপতিত্ব করেন লিবিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর জেনারেল এমাদ মোস্তফা আল-তরাবলুসি।এতে লিবিয়ায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের প্রধান উপস্থিত ছিলেন। এতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিয়মিত অভিবাসীদের প্রত্যাবাসন কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, অক্টোবর ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে মিশর, নাইজার, নাইজেরিয়া এবং বাংলাদেশের হাজারো অভিবাসীকে নিরাপদে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া মানবিক নীতি, নিরাপদ পরিবহন, যথাযথ খাদ্য ও আবাসন নিশ্চিত এবং সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের সহযোগিতায় সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ছাড়া অভিবাসীদের জরিমানা মওকুফ করে বহির্গমন ভিসা ইস্যু করা হয়েছে।রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার সবসময় নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। অনিয়মিত অভিবাসীদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত আড়াই বছরে দূতাবাসের সহায়তায় লিবিয়া থেকে সাড়ে সাত হাজারেরও অধিক বাংলাদেশিকে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।তিনি জানান, বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার প্রতিরোধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং মানব পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। একইসঙ্গে মানব পাচার প্রতিরোধে লিবিয়ায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে দূতাবাসের কার্যকর ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।সূত্র: কালের কণ্ঠএনএন/ ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×