ঢাকা, ১০ ডিসেম্বর – আমরা দুর্নীতিযুক্ত প্রক্রিয়া থেকে একটা দুর্নীতিমুক্ত প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। তিনি বলেন, এলএনজি আমদানি করা খুব ব্যয়বহুল, তাই সরকার সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে চায়। আগে এসব প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হতো। এখন দুর্নীতি বন্ধ হওয়ার ফলে আমলা ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীরা বাধা দিচ্ছে। যারা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। বৈঠকে বাতিল হয়ে যাওয়া সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের ১২টি প্রকল্পে ফের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইনের আওতায় অনুমোদন হওয়া ৩৪টি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প গত বছর বাতিল করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। বাতিল হওয়া এসব প্রকল্পের মধ্যে এখন ১২টি ফের অনুমোদন দেওয়া হলো। এই প্রকল্পগুলোর প্রতিটিতে এখন ২ থেকে ৩ সেন্ট কম দরে বিদ্যুৎ কেনা যাবে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, আজকে সৌর বিদ্যুতের ১২টা প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে, যেখান থেকে ৯৯৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে। প্রকল্পগুলো আগে ২০১০ সালের বিদ্যুৎ জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইনের অধীনে মূল্য ঠিক করা ছিল। যেহেতু আইনটা বাতিল হয়ে গেছে সেজন্য প্রকল্পগুলোও বাতিল হয়েছিল। কারণ আমাদের ধারণা ছিল যে এগুলো ওভারপাইস। এখন ১২টা প্রকল্পের প্রতিটিতেই ২ থেকে ৩ সেন্ট দাম কম পেয়েছি।
উপদেষ্টা বলেন, এলএনজি আমদানি করা খুব ব্যয়বহুল। তাই আমরা সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে চাই। কিন্তু এটার ক্ষেত্রে আমরা নানানভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছি। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী এবং আমলাদের কাছ থেকে বাধা পাচ্ছি। আগে এসব প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতি হতো। এখন দুর্নীতি বন্ধ হওয়ার ফলে আমলা ও সৌর বিদ্যুৎ ব্যবসায়ীরা বাধা দিচ্ছে। তারা উন্মুক্ত দরপত্রে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আসতে চাচ্ছে না। তারা অনেককে টেন্ডারে অংশ নিতে বাধা দিচ্ছে। ফলে অনেকগুলোতে আমরা বিড পাইনি।
সূত্র: ঢাকা পোস্ট
এনএন/ ১০ ডিসেম্বর ২০২৫




মন্তব্য করুন