কক্সবাজারের রামু উপজেলার ধোয়াপালং এলাকায় এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত পৌনে ১২টার দিকে কোটবাজারস্থ খদিজা পোল্ট্রি ফিড অ্যান্ড মেডিসিন সেন্টার-এর মালিক মোবারক হোছাইন ব্যবসায়িক কাজ শেষে নিজ মোটরসাইকেলে ৯ নম্বর খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ধোয়াপালং এলাকায় নিজ বাড়িতে ফেরার পথে নয়াপাড়া স্পিড ব্রেকারের সামনে ওৎ পেতে থাকা ১০–১২ জনের একটি দল তাঁর পথরোধ করে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রবিউল আলম, জাহাঙ্গীর, জালাল, মকতুল হোসেন, রফিক, জয়নাল ও হামিদুল্লাহর নেতৃত্বে এই দলটি প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে তাঁকে অপহরণ করতে নির্দেশ রয়েছে বলে জানিয়ে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে জোরপূর্বক আমানত উল্লাহর ইজিবাইক (টমটম)-এ তুলে তাঁকে পাহাড়ি এলাকার একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।
সেখানে তাঁর কাছে থাকা মুরগির ব্যবসার নগদ প্রায় ৩ লাখ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আরও ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ হিসেবে পরিবারের কাছ থেকে আনতে চাপ দিয়ে পুনরায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত, মেলেনি মুক্তার ডিএনএ
এদিকে অপহরণের খবর জানাজানি হলে ভুক্তভোগীর পরিবার জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশকে অবহিত করে। খবর পেয়ে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশের আসার খবরে অপহরণকারীরা ধোয়াপালং এলাকার ঘোনারপাড়ায় মোবারক হোছাইনকে আহত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শেখ ছবুরের নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী মোবারক হোছাইন জানান, হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে মামলা দায়ের করবেন।




মন্তব্য করুন