তেহরান, ১৪ জানুয়ারি – ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে ইরানে বিক্ষোভকারীদের দ্রুত বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার—এমন ইঙ্গিত মিলেছে দেশটির শীর্ষ বিচার বিভাগের বক্তব্যে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ইরানের প্রধান বিচারপতি গোলামহোসেইন মোহসেনি-এজেইর মন্তব্যের পর মানবাধিকার সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে, শিগগিরই বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর হতে পারে।
২৬ বছর বয়সী বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানিকে বুধবার ভোরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল বলে জানা গেছে। তবে তা বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইরানে সাধারণত ভোরের দিকে ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা
সোলতানির এক স্বজন সিএনএনকে বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ হতবাক। মনে হচ্ছে যেন স্বপ্ন দেখছি। মানুষ ট্রাম্পের কথায় ভরসা করে রাস্তায় নেমেছিল। আপনাদের কাছে অনুরোধ, এরফানকে যেন ফাঁসি দেওয়া না হয়।’
এর আগে ইরানে বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি কার্যকর করা হলে যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব কঠোর ব্যবস্থা’ নেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রয়টার্স প্রকাশিত প্রতিবেদনে ইসরায়েলের গোয়েন্দা মূল্যায়নের বরাতে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে কী মাত্রায় বা কীভাবে সেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে পার্শ্ববর্তী তুরস্ক, মিশর ও সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ না করার পরামর্শ দিয়েছে বলে জানা গেছে। কায়রোভিত্তিক এক কূটনীতিক সতর্ক করে বলেন, এমন পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনতে পারে।




মন্তব্য করুন