হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা বলছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২০ জানুয়ারি – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রায় পৌনে ১১ লাখ প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কিছুজন দাবি তুলেছেন যে সব ধরনের চাকরির পরীক্ষা ও নিয়োগপ্রক্রিয়া নির্বাচনের আগে স্থগিত রাখা হোক। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়েছে।

এরপর থেকেই গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করেছে যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল আপাতত প্রকাশ করা হবে না এবং নির্বাচনের আগে কোনো মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে নিয়োগ ও প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিভিন্ন গ্রুপে এই গুজব ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। পাশাপাশি বলা হচ্ছে, প্রশ্নফাঁস, অনিয়ম ও জালিয়াতির কারণে গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে।

আরও পড়ুন

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভে ৫ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ

তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের কোনো উচ্চপর্যায় থেকে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ তারা পাননি। এছাড়া প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মের কারণে পরীক্ষা বাতিল হবে—এ ধরনের গুজবও মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফল প্রস্তুতির কাজ চলছে এবং শিগগিরই তা প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান এ প্রতিবেদককে বলেন, “নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের কোনো নির্দেশনা আসেনি। সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। আমরা আমাদের কাজ চালাচ্ছি, ফল তৈরি হচ্ছে এবং যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করা হবে।”

৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫ শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী। পরীক্ষা শুরুর কয়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়ায়, কিছু প্রশ্ন ফেসবুকে শেয়ারও করা হয়।

এনএন/ ২০ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা বলছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ নিয়ে যা বলছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২০ জানুয়ারি – সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রায় পৌনে ১১ লাখ প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন। কিন্তু আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কিছুজন দাবি তুলেছেন যে সব ধরনের চাকরির পরীক্ষা ও নিয়োগপ্রক্রিয়া নির্বাচনের আগে স্থগিত রাখা হোক। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়েছে।এরপর থেকেই গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করেছে যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল আপাতত প্রকাশ করা হবে না এবং নির্বাচনের আগে কোনো মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষ করে ফেসবুকে নিয়োগ ও প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিভিন্ন গ্রুপে এই গুজব ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। পাশাপাশি বলা হচ্ছে, প্রশ্নফাঁস, অনিয়ম ও জালিয়াতির কারণে গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত করছে।তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের কোনো উচ্চপর্যায় থেকে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া স্থগিত রাখার নির্দেশ তারা পাননি। এছাড়া প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মের কারণে পরীক্ষা বাতিল হবে—এ ধরনের গুজবও মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফল প্রস্তুতির কাজ চলছে এবং শিগগিরই তা প্রকাশ করা হবে।প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান এ প্রতিবেদককে বলেন, “নির্বাচন কমিশন থেকে আমাদের কোনো নির্দেশনা আসেনি। সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। আমরা আমাদের কাজ চালাচ্ছি, ফল তৈরি হচ্ছে এবং যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করা হবে।”৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫ শূন্যপদের বিপরীতে পরীক্ষা দিয়েছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী। পরীক্ষা শুরুর কয়েকদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়ায়, কিছু প্রশ্ন ফেসবুকে শেয়ারও করা হয়।এনএন/ ২০ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×