হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সীমান্তে কাঁটাতার: ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ হাই কোর্টের

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন


কলকাতা, ২৮ জানুয়ারি – ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে যে অংশগুলি এখনও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে, সেখানে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ হলো, সীমান্ত এলাকায় বেড়া দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহণ বাবদ কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছে, সেই জমি অবিলম্বে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিতে হবে।

জমি হস্তান্তরের এই প্রক্রিয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে উচ্চ আদালত। আদালতের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যেই বিএসএফ-কে সংশ্লিষ্ট জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করতে হবে রাজ্য সরকারকে।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের একটি বিশাল অংশ এখনও কাঁটাতারবিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সীমান্তের এই অরক্ষিত অংশে বেড়া দেওয়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বেশ কিছু জটিলতা চলছে। কাঁটাতার বসানোর জন্য সবার আগে প্রয়োজন জমি অধিগ্রহণ করা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে ওই জমি অধিগ্রহণ করে তা বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার তা হস্তান্তর করছে না। এই বিষয়টি শেষ পর্যন্ত গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। গত মঙ্গলবার বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ একটি আদেশে জানিয়েছে, যে সমস্ত জমি ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তা আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফ-কে হস্তান্তর করতে হবে।

শুনানির সময় বেঞ্চের পক্ষ থেকে রাজ্যের আইনজীবীর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার কেন নিজস্ব ক্ষমতায় জমি অধিগ্রহণ করছে না? প্রয়োজনে ভূমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা কেন প্রয়োগ করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলে আদালত।

এনএন/ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সীমান্তে কাঁটাতার: ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ হাই কোর্টের

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সীমান্তে কাঁটাতার: ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ হাই কোর্টের

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
Print Image
[ad_1] কলকাতা, ২৮ জানুয়ারি – ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্তে যে অংশগুলি এখনও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে, সেখানে দ্রুত কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ হলো, সীমান্ত এলাকায় বেড়া দেওয়ার জন্য জমি অধিগ্রহণ বাবদ কেন্দ্রীয় সরকার যে অর্থ বরাদ্দ করেছে, সেই জমি অবিলম্বে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিতে হবে।জমি হস্তান্তরের এই প্রক্রিয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে উচ্চ আদালত। আদালতের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যেই বিএসএফ-কে সংশ্লিষ্ট জমি বুঝিয়ে দেওয়ার কাজ সম্পন্ন করতে হবে রাজ্য সরকারকে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের একটি বিশাল অংশ এখনও কাঁটাতারবিহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সীমান্তের এই অরক্ষিত অংশে বেড়া দেওয়া নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই বেশ কিছু জটিলতা চলছে। কাঁটাতার বসানোর জন্য সবার আগে প্রয়োজন জমি অধিগ্রহণ করা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারকে ওই জমি অধিগ্রহণ করে তা বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।কিন্তু অভিযোগ উঠেছে যে, সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করা হলেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার তা হস্তান্তর করছে না। এই বিষয়টি শেষ পর্যন্ত গড়ায় কলকাতা হাই কোর্টে। গত মঙ্গলবার বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ একটি আদেশে জানিয়েছে, যে সমস্ত জমি ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তা আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে বিএসএফ-কে হস্তান্তর করতে হবে।শুনানির সময় বেঞ্চের পক্ষ থেকে রাজ্যের আইনজীবীর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার কেন নিজস্ব ক্ষমতায় জমি অধিগ্রহণ করছে না? প্রয়োজনে ভূমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা কেন প্রয়োগ করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্নও তোলে আদালত।এনএন/ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×