হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

নির্বাচনে ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেলের হুঁশিয়ারি ইসির

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন


ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে বিশেষ পরিপত্র জারি করে কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারি গেজেটে নাম প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে বিজয়ী ও পরাজিত সকল প্রার্থীকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফরম-২২ পূর্ণ করে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন জমা দিতে হবে। যারা নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তারা নিজেরাই এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন এবং এফিডেভিটসহ হিসাব দাখিল করবেন। একইসঙ্গে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে রিটার্নের একটি অনুলিপি ইসি সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।

আরও পড়ুন

নারায়ণগঞ্জে পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হাত-পা ভাঙল ও রগ কাটল মাদক কারবারিরা

কমিশন স্পষ্ট করেছে, নির্বাচনে জয়ী বা পরাজিত সবার জন্যই এটি বাধ্যতামূলক। এমনকি যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কিংবা যাদের কোনো খরচ হয়নি, তাদেরও শূন্য ব্যয় দেখিয়ে রিটার্ন জমা দিতে হবে। শাস্তির বিষয়ে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৪৪ (গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, এই আদেশ লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বনিম্ন দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত বিধান লঙ্ঘিত হলে কমিশনের পূর্বানুমতি ছাড়াই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা সরাসরি মামলা করতে পারবেন। অপরাধ সংঘটনের ছয় মাসের মধ্যে এই মামলা করতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রার্থীদের দাখিলকৃত ব্যয় বিবরণী ও দলিলপত্র রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। সাধারণ মানুষ নির্ধারিত ফি দিয়ে এসব দলিল পরিদর্শন করতে পারবেন এবং সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

এস এম/ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

নির্বাচনে ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেলের হুঁশিয়ারি ইসির

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

নির্বাচনে ব্যয়ের হিসাব না দিলে ৭ বছরের জেলের হুঁশিয়ারি ইসির

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি – আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব দাখিল নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে বিশেষ পরিপত্র জারি করে কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে ব্যয়ের রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে জেল-জরিমানাসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারি গেজেটে নাম প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে বিজয়ী ও পরাজিত সকল প্রার্থীকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফরম-২২ পূর্ণ করে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন জমা দিতে হবে। যারা নির্বাচনী এজেন্ট নিয়োগ করেননি, তারা নিজেরাই এজেন্ট হিসেবে গণ্য হবেন এবং এফিডেভিটসহ হিসাব দাখিল করবেন। একইসঙ্গে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে রিটার্নের একটি অনুলিপি ইসি সচিবালয়ে পাঠাতে হবে।কমিশন স্পষ্ট করেছে, নির্বাচনে জয়ী বা পরাজিত সবার জন্যই এটি বাধ্যতামূলক। এমনকি যারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কিংবা যাদের কোনো খরচ হয়নি, তাদেরও শূন্য ব্যয় দেখিয়ে রিটার্ন জমা দিতে হবে। শাস্তির বিষয়ে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৪৪ (গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, এই আদেশ লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এতে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বনিম্ন দুই বছর থেকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।নির্বাচনী ব্যয় সংক্রান্ত বিধান লঙ্ঘিত হলে কমিশনের পূর্বানুমতি ছাড়াই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা সরাসরি মামলা করতে পারবেন। অপরাধ সংঘটনের ছয় মাসের মধ্যে এই মামলা করতে হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রার্থীদের দাখিলকৃত ব্যয় বিবরণী ও দলিলপত্র রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে। সাধারণ মানুষ নির্ধারিত ফি দিয়ে এসব দলিল পরিদর্শন করতে পারবেন এবং সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করতে পারবেন।এস এম/ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×