হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

উত্তেজনা সত্ত্বেও আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, মধ্যস্থতায় ওমান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ২৩ ফেব্রুয়ারি – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং সংকট নিরসনে দুই দেশ আবারও আলোচনায় বসছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান নিশ্চিত করেছে যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিরা আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় বৈঠকে মিলিত হবেন। মূলত পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে অগ্রগতি আনার লক্ষ্যেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি রবিবার জানান যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই জেনেভায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যেই এই আলোচনার খবর সামনে এল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর পূর্ণাঙ্গ নজরদারি ব্যবস্থা মেনে নিতে প্রস্তুত এবং এর ফলে উত্তেজনা হ্রাস পেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে সামরিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে ইউরেনিয়াম আমদানির পরিবর্তে ইরান নিজ দেশেই এটি সমৃদ্ধকরণের কাজ চালিয়ে যেতে চায় কারণ এটি তাদের জাতীয় মর্যাদা ও গর্বের বিষয়।

আরও পড়ুন

শাহজালাল বিমানবন্দরে ভেপ, সিগারেট, স্বর্ণালংকারসহ ৩২ লাখ টাকার পণ্য জব্দ

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে বিজ্ঞানীরা নিজেরাই এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ এর তদারকিতে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকলে তা বন্ধ করার কোনো আইনগত কারণ নেই। তিনি আরও জানান এনপিটি বা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির সদস্য হিসেবে ইরান সহযোগিতায় প্রস্তুত থাকলেও শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের অধিকার তাদের রয়েছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নতুন চুক্তিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক মিত্রদের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। তবে ইরান বর্তমানে কেবল পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় আগ্রহী এবং অন্য কোনো বিষয় এতে যুক্ত করতে চায় না। আরাগচি আশা প্রকাশ করেন যে ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তির চেয়েও ভালো একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। উল্লেখ্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শেষ হয়েছিল।

এস এম/ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

উত্তেজনা সত্ত্বেও আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, মধ্যস্থতায় ওমান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

উত্তেজনা সত্ত্বেও আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, মধ্যস্থতায় ওমান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ২৩ ফেব্রুয়ারি – যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং সংকট নিরসনে দুই দেশ আবারও আলোচনায় বসছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ওমান নিশ্চিত করেছে যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের প্রতিনিধিরা আগামী বৃহস্পতিবার জেনেভায় বৈঠকে মিলিত হবেন। মূলত পারমাণবিক কর্মসূচি, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে অগ্রগতি আনার লক্ষ্যেই এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল বুসাইদি রবিবার জানান যে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইতিবাচক মনোভাব নিয়েই জেনেভায় এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যেই এই আলোচনার খবর সামনে এল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তেহরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর পূর্ণাঙ্গ নজরদারি ব্যবস্থা মেনে নিতে প্রস্তুত এবং এর ফলে উত্তেজনা হ্রাস পেতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে সামরিক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও বিদেশ থেকে ইউরেনিয়াম আমদানির পরিবর্তে ইরান নিজ দেশেই এটি সমৃদ্ধকরণের কাজ চালিয়ে যেতে চায় কারণ এটি তাদের জাতীয় মর্যাদা ও গর্বের বিষয়।ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে বিজ্ঞানীরা নিজেরাই এই প্রযুক্তি তৈরি করেছেন এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা বা আইএইএ এর তদারকিতে কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকলে তা বন্ধ করার কোনো আইনগত কারণ নেই। তিনি আরও জানান এনপিটি বা পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির সদস্য হিসেবে ইরান সহযোগিতায় প্রস্তুত থাকলেও শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের অধিকার তাদের রয়েছে।অন্যদিকে মার্কিন প্রশাসন ও ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে চান। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে নতুন চুক্তিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক মিত্রদের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত। তবে ইরান বর্তমানে কেবল পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনায় আগ্রহী এবং অন্য কোনো বিষয় এতে যুক্ত করতে চায় না। আরাগচি আশা প্রকাশ করেন যে ২০১৫ সালের জেসিপিওএ চুক্তির চেয়েও ভালো একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। উল্লেখ্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শেষ হয়েছিল।এস এম/ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×