হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বব্যাপী এখন জ্বালানি নিরাপত্তায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন-প্রসার, জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার ও উন্নয়ন, জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলমান ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি তেলের ক্রমাগত মূল্য বৃদ্ধি এবং জ্বালানি চাহিদা ও যোগানে উন্নত-অনুন্নত প্রতিটি দেশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এই প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সেবা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ‘গণপ্রকৌশল দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেন এবং গ্রামসহ সারাদেশে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা করেন। জাতির পিতা ১৯৭৫ সালে বিদেশি তেল কোম্পানি শেল ওয়েল থেকে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র-তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ- ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন।

জাতির পিতার এই যুগান্তকারী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তার গোড়াপত্তন ঘটে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ‘রূপকল্প-২০৪১’ অর্জনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

আরও পড়ুন

জাপানের সঙ্গে ২৩টি বড় চুক্তি ও স্মারক সই: ২ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকারের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে দৈনিক ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট হয়েছে। দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। আমাদের সরকারের সময়ে সুন্দলপুর, শ্রীকাইল, রূপগঞ্জ, ভোলা নর্থ ও জকিগঞ্জ নামে মোট ৫টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়ে ২১টি অনুসন্ধান, ৫০টি উন্নয়ন ও ৫৬টি ওয়ার্কওভার কূপ খননের ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০০০ এমএমসিএফডি।’

জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা বন্দরে ফ্লোটিং স্টোরেজ রেজিস্ট্রেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাতারবাড়িতে দৈনিক ১০০০ ঘনফুট ক্ষমতার ১টি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকার জ্বালানি খাতকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজড করার জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্যাস ও কয়লার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

কক্সবাজার
Card Image

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর ২০২২, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
Print Image
বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বব্যাপী এখন জ্বালানি নিরাপত্তায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে এনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়ন-প্রসার, জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার ও উন্নয়ন, জ্বালানি সাশ্রয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলমান ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে জ্বালানি তেলের ক্রমাগত মূল্য বৃদ্ধি এবং জ্বালানি চাহিদা ও যোগানে উন্নত-অনুন্নত প্রতিটি দেশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি এই প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সেবা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) ‘গণপ্রকৌশল দিবস-২০২২’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন, যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড গঠন করেন এবং গ্রামসহ সারাদেশে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা করেন। জাতির পিতা ১৯৭৫ সালে বিদেশি তেল কোম্পানি শেল ওয়েল থেকে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র-তিতাস, হবিগঞ্জ, রশিদপুর, কৈলাশটিলা ও বাখরাবাদ- ক্রয় করে রাষ্ট্রীয় মালিকানা প্রতিষ্ঠা করেন। জাতির পিতার এই যুগান্তকারী ও দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তার গোড়াপত্তন ঘটে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার ‘রূপকল্প-২০৪১’ অর্জনে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকারের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে দৈনিক ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াট হয়েছে। দেশের শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। আমাদের সরকারের সময়ে সুন্দলপুর, শ্রীকাইল, রূপগঞ্জ, ভোলা নর্থ ও জকিগঞ্জ নামে মোট ৫টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে জুন ২০২২ পর্যন্ত সময়ে ২১টি অনুসন্ধান, ৫০টি উন্নয়ন ও ৫৬টি ওয়ার্কওভার কূপ খননের ফলে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১০০০ এমএমসিএফডি।’ জ্বালানি চাহিদা পূরণে পায়রা বন্দরে ফ্লোটিং স্টোরেজ রেজিস্ট্রেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাতারবাড়িতে দৈনিক ১০০০ ঘনফুট ক্ষমতার ১টি স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সরকার জ্বালানি খাতকে আধুনিক ও ডিজিটালাইজড করার জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্যাস ও কয়লার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×