হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

কলাপাড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ, বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন


পটুয়াখালী, ২৭ ফেব্রুয়ারি – পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন কেবলই সবুজের সমারোহ। লতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে ছোট-বড় অসংখ্য তরমুজ। কোথাও গোলাকার আবার কোথাও লম্বাটে আকৃতির ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। প্রতিটি গাছে কাঙ্ক্ষিত ফল আসায় কৃষকদের মনে এখন আনন্দের বন্যা। শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা, সেচ ও আগাছা পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন পুরুষদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও। কৃষকদের আশা, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বাজারে ফসলের ভালো দাম পাওয়া যাবে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে কলাপাড়ায় ৪ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার হেক্টর। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০০ হেক্টর বেশি জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। সরকারি হিসাবে এই চাষাবাদের সঙ্গে দেড় থেকে দুই হাজার কৃষক সরাসরি জড়িত থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে আবাদি জমির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।

আরও পড়ুন

টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিগত কয়েক বছরে তরমুজ চাষে ভালো মুনাফা আসায় এবার অনেক নতুন চাষি এ খাতে যুক্ত হয়েছেন। অনেকে চড়া দামে জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে আবাদ করেছেন। এতে উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও বাম্পার ফলন ও সম্ভাব্য বাজারদরের ওপর ভরসা রাখছেন তারা। কৃষি বিভাগের মতে, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উপকূলীয় এই জনপদে তরমুজ চাষে ইতিবাচক বিপ্লব ঘটেছে।

টিয়াখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামের চাষি পান্নু মোল্লা জানান, গতবারের লাভের ধারায় এবার তিনি ১৫০০ শতাংশ জমিতে আবাদ করেছেন এবং বাম্পার ফলন পেয়েছেন। শিগগিরই এসব তরমুজ বাজারে তোলা হবে। একই এলাকার মাসুম বিল্লাহ ড্রাগন, বেঙ্গল ও কিং সুপার জাতের তরমুজ চাষ করেছেন ১ হাজার ৬৫ শতাংশ জমিতে। ধানখালী গ্রামের মো. খোকন গাজী ৩২ একর জমিতে চাষ করে ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা বিক্রির স্বপ্ন দেখছেন। আরেক চাষি জাকির হোসেন নিজের জমির সঙ্গে ৪৮০ শতাংশ জমি এক মৌসুমের জন্য লিজ নিয়ে আবাদ করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন জানিয়েছেন, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারদর স্থিতিশীল থাকলে চাষিরা এবারও লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

কলাপাড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ, বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

কলাপাড়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ, বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] পটুয়াখালী, ২৭ ফেব্রুয়ারি – পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে এখন কেবলই সবুজের সমারোহ। লতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে ছোট-বড় অসংখ্য তরমুজ। কোথাও গোলাকার আবার কোথাও লম্বাটে আকৃতির ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছ। প্রতিটি গাছে কাঙ্ক্ষিত ফল আসায় কৃষকদের মনে এখন আনন্দের বন্যা। শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা, সেচ ও আগাছা পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় পার করছেন পুরুষদের পাশাপাশি নারী শ্রমিকরাও। কৃষকদের আশা, আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে বাজারে ফসলের ভালো দাম পাওয়া যাবে।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে কলাপাড়ায় ৪ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪ হাজার হেক্টর। অর্থাৎ নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২০০ হেক্টর বেশি জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। সরকারি হিসাবে এই চাষাবাদের সঙ্গে দেড় থেকে দুই হাজার কৃষক সরাসরি জড়িত থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে আবাদি জমির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।বিগত কয়েক বছরে তরমুজ চাষে ভালো মুনাফা আসায় এবার অনেক নতুন চাষি এ খাতে যুক্ত হয়েছেন। অনেকে চড়া দামে জমি বর্গা বা লিজ নিয়ে আবাদ করেছেন। এতে উৎপাদন খরচ কিছুটা বাড়লেও বাম্পার ফলন ও সম্ভাব্য বাজারদরের ওপর ভরসা রাখছেন তারা। কৃষি বিভাগের মতে, সঠিক ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় উপকূলীয় এই জনপদে তরমুজ চাষে ইতিবাচক বিপ্লব ঘটেছে।টিয়াখালী ইউনিয়নের লোন্দা গ্রামের চাষি পান্নু মোল্লা জানান, গতবারের লাভের ধারায় এবার তিনি ১৫০০ শতাংশ জমিতে আবাদ করেছেন এবং বাম্পার ফলন পেয়েছেন। শিগগিরই এসব তরমুজ বাজারে তোলা হবে। একই এলাকার মাসুম বিল্লাহ ড্রাগন, বেঙ্গল ও কিং সুপার জাতের তরমুজ চাষ করেছেন ১ হাজার ৬৫ শতাংশ জমিতে। ধানখালী গ্রামের মো. খোকন গাজী ৩২ একর জমিতে চাষ করে ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকা বিক্রির স্বপ্ন দেখছেন। আরেক চাষি জাকির হোসেন নিজের জমির সঙ্গে ৪৮০ শতাংশ জমি এক মৌসুমের জন্য লিজ নিয়ে আবাদ করেছেন।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত হোসেন জানিয়েছেন, এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে এবং মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বাজারদর স্থিতিশীল থাকলে চাষিরা এবারও লাভবান হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×