ঢাকা, ৭ মার্চ – ঢাকাসহ সারাদেশের পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক চাহিদার কারণে অধিকাংশ স্টেশনেই মিলছে না কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি।
ফলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেক যানবাহন চালককে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বা বিপিসি ইতিমধ্যে বিভিন্ন যানবাহনের জন্য জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং এ সংক্রান্ত নোটিশও পাম্পগুলোতে টাঙানো হয়েছে।
টোকিওর মতবিনিময় সভায় সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রোডম্যাপ তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শনিবার ৭ মার্চ সকাল থেকেই রাজধানীর পেট্রোল পাম্পগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে যার মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। পাম্প এলাকার এই ভিড় এখন প্রধান সড়কেও ছড়িয়ে পড়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সরকারের নির্ধারিত নিয়মে তেল পাওয়া যাচ্ছে না এবং অনেক পাম্প থেকেই চালকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জ্বালানি না পেয়ে পাম্প কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেকে এবং এ সময় গ্রাহকরা পাম্পগুলোর ওপর সরকারের কঠোর নজরদারির দাবি জানান। বিপিসির নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে ১০ লিটার পর্যন্ত জ্বালানি নেওয়া যাবে।
এছাড়া জিপ ও মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার এবং পিকআপ বা লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল নিতে পারবে। দূরপাল্লার বাস ও ট্রাক বা কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন কেউ যেন অতিরিক্ত তেল ক্রয় ও মজুদ না করেন।




মন্তব্য করুন