হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

ইরানে মার্কিন স্থল অভিযান হবে ‘অযৌক্তিক’ ও ঝুঁকিপূর্ণ: বিশ্লেষক রবার্ট ফার্লি

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন


ওয়াশিংটন, ৭ মার্চ – ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল বাহিনী পাঠানোর কথা বিবেচনা করে তবে সেটি হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রায় অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। মার্কিন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অধ্যাপক রবার্ট ফার্লি সম্প্রতি এমন মন্তব্যই করেছেন। একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অপারেশন এপিক ফিউরি দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। কিন্তু এখনো যদি শুধু বিমান হামলা ও সামরিক চাপের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হয় তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে কঠিন প্রশ্ন এসে দাঁড়াতে পারে।

ফার্লির মতে বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণ করতে চায় না এবং ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা নেতৃত্বও এমনটা চান না। তবে যদি যুক্তরাষ্ট্র তার যুদ্ধের লক্ষ্য শিথিল না করে এবং ইরানের সরকারও নতি স্বীকার না করে তবে ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত স্থল বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি ভাবতে বাধ্য হতে পারে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে ইরানে স্থল অভিযান চালাতে গেলে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কোথা থেকে অভিযান শুরু করা হবে। আগে আফগানিস্তান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটি ছিল যা লজিস্টিক সহায়তা দিতে পারত কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বর্তমানে ইরাকে খুব কম সংখ্যক মার্কিন সেনা রয়েছে এবং দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বড় ধরনের সামরিক অভিযানের জন্য অনুকূল নয়।

আরও পড়ুন

এবার মিরপুরে প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ, রাজধানীতে বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ

তুরস্কের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা বিদ্যমান কারণ ইরান ও তুরস্ক সীমান্ত ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে ফার্লির মতে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালাতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে সমুদ্রপথে হামলা। তবে এমন অভিযান অত্যন্ত জটিল এবং এতে দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন নৌ ও বিমান শক্তির ওপর ব্যাপক চাপ পড়বে। আরেকটি সম্ভাব্য কৌশল হিসেবে ফার্লি তথাকথিত আফগান মডেল উল্লেখ করেছেন যেখানে স্থানীয় মিত্র বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ পরিচালনা করা হয়। ইরান ভৌগোলিকভাবে বিশাল এবং দেশটির ভূপ্রকৃতি জটিল হওয়ায় সরাসরি স্থল অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করবে। এদিকে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও এ বিষয়ে মতভেদ থাকার খবর পাওয়া গেছে যেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান বিবেচনা করছেন। বিশ্লেষকদের মতে ইরান যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে তার কোনো পরিষ্কার উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

ইরানে মার্কিন স্থল অভিযান হবে ‘অযৌক্তিক’ ও ঝুঁকিপূর্ণ: বিশ্লেষক রবার্ট ফার্লি

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

ইরানে মার্কিন স্থল অভিযান হবে ‘অযৌক্তিক’ ও ঝুঁকিপূর্ণ: বিশ্লেষক রবার্ট ফার্লি

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ওয়াশিংটন, ৭ মার্চ – ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্র যদি স্থল বাহিনী পাঠানোর কথা বিবেচনা করে তবে সেটি হবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং প্রায় অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। মার্কিন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অধ্যাপক রবার্ট ফার্লি সম্প্রতি এমন মন্তব্যই করেছেন। একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অপারেশন এপিক ফিউরি দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। কিন্তু এখনো যদি শুধু বিমান হামলা ও সামরিক চাপের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত না হয় তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে কঠিন প্রশ্ন এসে দাঁড়াতে পারে।ফার্লির মতে বাস্তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণ করতে চায় না এবং ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা নেতৃত্বও এমনটা চান না। তবে যদি যুক্তরাষ্ট্র তার যুদ্ধের লক্ষ্য শিথিল না করে এবং ইরানের সরকারও নতি স্বীকার না করে তবে ওয়াশিংটন শেষ পর্যন্ত স্থল বাহিনী মোতায়েনের বিষয়টি ভাবতে বাধ্য হতে পারে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে ইরানে স্থল অভিযান চালাতে গেলে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কোথা থেকে অভিযান শুরু করা হবে। আগে আফগানিস্তান ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সামরিক ঘাঁটি ছিল যা লজিস্টিক সহায়তা দিতে পারত কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বর্তমানে ইরাকে খুব কম সংখ্যক মার্কিন সেনা রয়েছে এবং দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতিও বড় ধরনের সামরিক অভিযানের জন্য অনুকূল নয়।তুরস্কের ক্ষেত্রেও একই সমস্যা বিদ্যমান কারণ ইরান ও তুরস্ক সীমান্ত ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত কঠিন। এই পরিস্থিতিতে ফার্লির মতে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালাতে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে একমাত্র বাস্তবসম্মত পথ হতে পারে সমুদ্রপথে হামলা। তবে এমন অভিযান অত্যন্ত জটিল এবং এতে দীর্ঘ সময় ধরে মার্কিন নৌ ও বিমান শক্তির ওপর ব্যাপক চাপ পড়বে। আরেকটি সম্ভাব্য কৌশল হিসেবে ফার্লি তথাকথিত আফগান মডেল উল্লেখ করেছেন যেখানে স্থানীয় মিত্র বাহিনীকে ব্যবহার করে যুদ্ধ পরিচালনা করা হয়। ইরান ভৌগোলিকভাবে বিশাল এবং দেশটির ভূপ্রকৃতি জটিল হওয়ায় সরাসরি স্থল অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতার ওপর দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি করবে। এদিকে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও এ বিষয়ে মতভেদ থাকার খবর পাওয়া গেছে যেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান বিবেচনা করছেন। বিশ্লেষকদের মতে ইরান যুদ্ধ কীভাবে শেষ হবে তার কোনো পরিষ্কার উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।এস এম/ ৭ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×