হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো বসল মিয়ানমার পার্লামেন্ট

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন


নেপিডো, ১৬ মার্চ – মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো সোমবার পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হয়েছে। এএফপির সংবাদকর্মীরা জানিয়েছেন, সেনা সমর্থিত বিতর্কিত নির্বাচনে জয়ী হওয়া জান্তাপন্থী আইনপ্রণেতারা এই অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্যই সামরিকপন্থী রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি বা ইউএসডিপি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এর বাইরে বাকি সদস্যদের বড় অংশ সরাসরি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করছেন। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী সংসদের এক চতুর্থাংশ আসন সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। সোমবার সকালে পিপলস অ্যাসেম্বলিতে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং ইউএসডিপি নেতা খিন ই স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন

৭ নভেম্বর উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। তবে সামরিক জান্তা ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে সেই নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নেত্রী সু চিকে কারাবন্দি করা হয় এবং তার রাজনৈতিক দল ভেঙে দেওয়া হয়। এর ফলে পুরো দেশটি এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

সামরিক শাসনের অধীনে থাকার পর জান্তা সরকার গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে ধাপে ধাপে একটি পুনর্নির্বাচনের আয়োজন করে। তবে গণতন্ত্রপন্থী পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের সমালোচনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল এবং ব্যালট পেপারে মূলত জান্তার বেসামরিক মিত্রদেরই একচেটিয়া প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। এদিকে জান্তা সমর্থিত আইনপ্রণেতারা যখন সংসদে অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন, ঠিক তখনই ২০২০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী এবং বর্তমানে নির্বাসিত বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য একটি সমান্তরাল অধিবেশন আয়োজন করেন।

তারা দাবি করেন, তাদের গঠিত ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট বা এনইউজি এখনো মিয়ানমারের একমাত্র বৈধ নেতৃত্ব। এই ছায়া সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দুয়া লাশি লা একটি অনলাইন বৈঠকে অংশ নিয়ে বলেন, জান্তা সরকার এই ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতারণামূলক প্রতিনিধিত্ব তৈরি করে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভ্যুত্থানের সঙ্গে যুক্ত এই গোষ্ঠী যেকোনো উপায়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা করছে। তাই এটিকে কোনোভাবেই একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

এদিন সকালে হালকা সবুজ রঙের সামরিক পোশাক পরিহিত সেনা সদস্যরা সংসদীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করার জন্য দীর্ঘ ভিড় জমান। তবে তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলতে বা সাক্ষাৎকার দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, এএফপির সংবাদকর্মীরা পুরো সংসদ ভবনের কোথাও জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে দেখতে পাননি।

এ এম/ ১৬ মার্চ ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো বসল মিয়ানমার পার্লামেন্ট

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

সেনা অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো বসল মিয়ানমার পার্লামেন্ট

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৩ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] নেপিডো, ১৬ মার্চ – মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর প্রথমবারের মতো সোমবার পার্লামেন্ট অধিবেশন শুরু হয়েছে। এএফপির সংবাদকর্মীরা জানিয়েছেন, সেনা সমর্থিত বিতর্কিত নির্বাচনে জয়ী হওয়া জান্তাপন্থী আইনপ্রণেতারা এই অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।বর্তমান সংসদের অধিকাংশ সদস্যই সামরিকপন্থী রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি বা ইউএসডিপি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এর বাইরে বাকি সদস্যদের বড় অংশ সরাসরি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করছেন। দেশটির সংবিধান অনুযায়ী সংসদের এক চতুর্থাংশ আসন সামরিক বাহিনীর জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। সোমবার সকালে পিপলস অ্যাসেম্বলিতে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং ইউএসডিপি নেতা খিন ই স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন।উল্লেখ্য, ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অং সান সু চির নেতৃত্বাধীন দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল। তবে সামরিক জান্তা ব্যাপক ভোট জালিয়াতির অভিযোগ তুলে সেই নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাতিল করে দেয়। পরবর্তীতে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী নেত্রী সু চিকে কারাবন্দি করা হয় এবং তার রাজনৈতিক দল ভেঙে দেওয়া হয়। এর ফলে পুরো দেশটি এক ভয়াবহ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।সামরিক শাসনের অধীনে থাকার পর জান্তা সরকার গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে ধাপে ধাপে একটি পুনর্নির্বাচনের আয়োজন করে। তবে গণতন্ত্রপন্থী পর্যবেক্ষকদের মতে, এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যেকোনো ধরনের সমালোচনা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল এবং ব্যালট পেপারে মূলত জান্তার বেসামরিক মিত্রদেরই একচেটিয়া প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল। এদিকে জান্তা সমর্থিত আইনপ্রণেতারা যখন সংসদে অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন, ঠিক তখনই ২০২০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী এবং বর্তমানে নির্বাসিত বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য একটি সমান্তরাল অধিবেশন আয়োজন করেন।তারা দাবি করেন, তাদের গঠিত ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট বা এনইউজি এখনো মিয়ানমারের একমাত্র বৈধ নেতৃত্ব। এই ছায়া সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দুয়া লাশি লা একটি অনলাইন বৈঠকে অংশ নিয়ে বলেন, জান্তা সরকার এই ভুয়া নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতারণামূলক প্রতিনিধিত্ব তৈরি করে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভ্যুত্থানের সঙ্গে যুক্ত এই গোষ্ঠী যেকোনো উপায়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের স্বীকৃতি আদায়ের চেষ্টা করছে। তাই এটিকে কোনোভাবেই একটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।এদিন সকালে হালকা সবুজ রঙের সামরিক পোশাক পরিহিত সেনা সদস্যরা সংসদীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করার জন্য দীর্ঘ ভিড় জমান। তবে তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলতে বা সাক্ষাৎকার দিতে সরাসরি অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে, এএফপির সংবাদকর্মীরা পুরো সংসদ ভবনের কোথাও জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংকে দেখতে পাননি।এ এম/ ১৬ মার্চ ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×