লন্ডন, ১০ মে – আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের অধীনে নারীদের অধিকার খর্ব এবং নারী ক্রিকেট নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে এক কঠোর সিদ্ধান্ত নিল ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। এখন থেকে আইসিসি টুর্নামেন্ট (বিশ্বকাপ বা চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি) ব্যতীত আফগানিস্তানের সঙ্গে কোনো ধরনের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বা ম্যাচ খেলবে না ইংল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার পর দ্বিতীয় বড় ক্রিকেট শক্তি হিসেবে ইংল্যান্ডের এই ঘোষণা বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।
ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার
ইসিবির সভাপতি রিচার্ড থম্পসন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তালেবান সরকারের নারীবিদ্বেষী নীতির কারণে তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন। এমনকি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে যে সিরিজগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলোও বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড।
“আফগানিস্তানে নারী শিক্ষা এবং দৈনন্দিন জীবনে নারীদের অংশগ্রহণের ওপর যেভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, বিশেষ করে নারী ক্রিকেটের ওপর যে ফতোয়া জারি হয়েছে—তা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। এমতাবস্থায় তালেবান সরকারের সাথে কোনো ধরণের ক্রীড়া সম্পর্ক বজায় রাখা ঠিক মনে করছে না ইসিবি।”
২০২০ সালে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রথমবারের মতো ২৫ জন নারী ক্রিকেটারকে কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় এনে ইতিহাস গড়েছিল। কিন্তু ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখল করার পর সেই ইতিহাস ট্র্যাজেডিতে পরিণত হয়। প্রাণভয়ে অনেক নারী ক্রিকেটার তাদের ক্রিকেট কিট ও জার্সি পুড়িয়ে ফেলেছেন। এমনকি ফিরোজা আমিরি ও বেনাফশা হাশিমির মতো তারকা ক্রিকেটাররা বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন ও ক্যানবেরায় শরণার্থী হিসেবে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।




মন্তব্য করুন