হোম ট্রেন্ডিং লাইভ অনুসন্ধান মেনু
প্রতি মুর্হুতের কক্সবাজারকে জানুন
🔔 নোটিফিকেশন সাবস্ক্রিপশন ×
🔔

নতুন খবর সবার আগে আপনার ফোনে পান!

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর অবরোধ

প্রতিবেদকের নাম:

প্রতিবেদকের নাম:

শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন


ঢাকা, ২২ মে – রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে (৭) নির্মমভাবে ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় এবার রাজপথে নেমে এসেছে ক্ষুব্ধ জনতা। হত্যাকারী সোহেল রানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকা অবরোধ করে বিশাল বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বিক্ষোভের কারণে মিরপুরের অন্যতম প্রধান এই ট্রাফিক পয়েন্টে যান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং চারপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুন

ইনানীতে নিয়ন্ত্রণহীন গ্যাসের আগুন ঘিরে আতঙ্ক, বিদ্যুৎহীন ৩ হাজার ৮০০ পরিবার

মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ করেই শত শত মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিরপুর ১০ নম্বরের মূল সড়কে অবস্থান নেন। তারা শিশু রামিসা হত্যার দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ওসি বলেন, “স্থানীয় জনতা শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে আসামিদের বিচারের দাবিতে সড়কের একপাশে অবস্থান নিয়ে আছেন। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি এবং সড়কের একপাশ দিয়ে এক লেনে গাড়িগুলো পাস করিয়ে দিচ্ছি। যানবাহন চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।”

নিহত রামিসা স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার নিজ বাসার পাশ থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। পরিবার হন্যে হয়ে খোঁজার পর প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই বুকফাটা ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এই লোমহর্ষক অপরাধে সহায়তার অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং নিহত রামিসার প্রতিবেশীদের চোখে-মুখে ছিল তীব্র ক্ষোভ আর অশ্রু। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট কথা— কেবল গ্রেপ্তার বা স্বীকারোক্তি নয়, অতি দ্রুততম সময়ে এই নরপশুর প্রকাশ্য ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।

ধর্ষক ও খুনি সোহেল রানার এই বর্বরতা পুরো ঢাকাবাসীকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। মিরপুর ১০ নম্বরের এই অবরোধ কেবল একটি বিক্ষোভ নয়, এটি সমাজের প্রতিটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এক জোরালো আর্তনাদ।

এনএন/ ২২ মে ২০২৬


coxsbazarpost

coxsbazarpost

কক্সবাজারের স্থানীয় সাংবাদিকতা ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের বিশ্বস্ত লেখক।

সত্যতা যাচাই: এই সংবাদটি সম্পাদকীয় নীতি অনুসরণ করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

সংবাদ কিউআর কোড

নিচের QR কোডটি স্ক্যান করে যেকোনো মোবাইলে সংবাদটি সরাসরি ওপেন করুন।

ফটোকার্ড স্টুডিও

২য় লীড নিউজ
Card Image

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর অবরোধ

www.coxsbazarposts.com সত্যের সন্ধানে অনুক্ষণ

প্রিন্ট প্রিভিউ

Logo www.coxsbazarposts.com

শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর অবরোধ

প্রতিবেদক: প্রতিবেদকের নাম: | প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
Print Image
[ad_1] ঢাকা, ২২ মে – রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে (৭) নির্মমভাবে ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় এবার রাজপথে নেমে এসেছে ক্ষুব্ধ জনতা। হত্যাকারী সোহেল রানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজ শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকা অবরোধ করে বিশাল বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।বিক্ষোভের কারণে মিরপুরের অন্যতম প্রধান এই ট্রাফিক পয়েন্টে যান চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং চারপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ করেই শত শত মানুষ ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে মিরপুর ১০ নম্বরের মূল সড়কে অবস্থান নেন। তারা শিশু রামিসা হত্যার দ্রুত বিচার ও ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে ওসি বলেন, “স্থানীয় জনতা শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে আসামিদের বিচারের দাবিতে সড়কের একপাশে অবস্থান নিয়ে আছেন। আমরা পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা করছি এবং সড়কের একপাশ দিয়ে এক লেনে গাড়িগুলো পাস করিয়ে দিচ্ছি। যানবাহন চলাচল কিছুটা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।”নিহত রামিসা স্থানীয় একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার নিজ বাসার পাশ থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয় সে। পরিবার হন্যে হয়ে খোঁজার পর প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই বুকফাটা ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।এই লোমহর্ষক অপরাধে সহায়তার অভিযোগে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং নিহত রামিসার প্রতিবেশীদের চোখে-মুখে ছিল তীব্র ক্ষোভ আর অশ্রু। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট কথা— কেবল গ্রেপ্তার বা স্বীকারোক্তি নয়, অতি দ্রুততম সময়ে এই নরপশুর প্রকাশ্য ফাঁসি কার্যকর করতে হবে।ধর্ষক ও খুনি সোহেল রানার এই বর্বরতা পুরো ঢাকাবাসীকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। মিরপুর ১০ নম্বরের এই অবরোধ কেবল একটি বিক্ষোভ নয়, এটি সমাজের প্রতিটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এক জোরালো আর্তনাদ।এনএন/ ২২ মে ২০২৬ [ad_2]

ডাইরেক্ট মেসেজ

Telegram Direct Message WhatsApp Direct Message

বাংলা ফন্ট কনভার্টার (বিজয় ⇄ ইউনিকোড)

×

তথ্য

×