ঢাকা, ১৮ জুন – ২০২৫ সালের মুনাফা লোকসানের হিসাবে দেশের ব্যাংক খাতের আর্থিক পরিস্থিতির চরম অবনতি লক্ষ্য করা গেছে। কয়েকটি বহুজাতিক ও বেসরকারি ব্যাংক মুনাফা অর্জন করলেও ১০টি দুর্বল ব্যাংকের বিশাল ক্ষতির কারণে পুরো খাত বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি ও মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছর ব্যাংক খাতে মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। অথচ এর আগে ২০২২ সালে ১৪ হাজার ২৩০ কোটি টাকা এবং ২০২৩ সালে ১৪ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা নিট মুনাফা হয়েছিল। ২০২৪ সাল থেকে মুনাফায় টান পড়তে শুরু করে এবং সর্বশেষ বছরে তা বড় লোকসানে রূপ নেয়।
জামায়াতের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের অভিযোগ রিজভীর
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে ব্যাংক খাতের সংস্কারের অংশ হিসেবে নয়টি ব্যাংকের সম্পদের গুণগত মান বা একিউআর যাচাই করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত এই মূল্যায়নে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত নাজুক চিত্র ফুটে উঠেছে। এর মধ্যে পাঁচটি ব্যাংক বর্তমানে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ইতিপূর্বে ২০০৪, ২০০৬ এবং ২০১২ সালের হল-মার্ক কেলেঙ্কারির সময়েও ব্যাংক খাত লোকসানের সম্মুখীন হয়েছিল।
তথ্যানুসারে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের লোকসান ৩১ হাজার কোটি টাকা এবং এক্সিম ব্যাংকের ক্ষতি ২৮ হাজার ৯০৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকসহ জনতা, এবি, আইএফআইসি, ন্যাশনাল ও প্রিমিয়ার ব্যাংকও লোকসানের তালিকায় রয়েছে।
গত বছর শেষে এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ না হওয়া এসব ঋণের বড় অংশই খেলাপি বা স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।
এনএন/ ১৮ জুন ২০২৬
- ঢাকার তাপমাত্রা বৃদ্ধির আভাস ও সারাদেশে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা
- অতীতের সব গণভোটে সরকার একপক্ষ হয়ে অবস্থান নিয়েছিল




মন্তব্য করুন